১২:০৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬

চিত্রা নদীতে গোসল করতে গিয়ে আর ঘরে ফেরা হলো না ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্র ইউসার

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৮:৫৮:৫২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ অগাস্ট ২০২৬
  • /

সাঈদ ইবনে হানিফ ঃ যশোরের বাঘারপাড়ায় চিত্রা নদীতে গোসল করতে নেমে ইউসা খান (১২) নামে ষষ্ঠ শ্রেণির এক স্কুলছাত্রের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। সোমবার বিকেলে উপজেলার পাঠান পাইকপাড়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় পরিবার ও এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

নিহত ইউসা খান পাইকপাড়া গ্রামের আজমুল খানের ছেলে। সে খানপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্র ছিল।

পরিবারের সদস্যরা জানান, প্রতিদিনের মতো স্কুল শেষে বাড়ি ফিরে বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে তিন বন্ধুকে নিয়ে চিত্রা নদীতে গোসল করতে যায় ইউসা। গোসলের একপর্যায়ে তার দুই বন্ধু নিরাপদে তীরে উঠতে পারলেও ইউসা নদীর পানিতে তলিয়ে যায়। অনেক খোঁজাখুঁজির পরও তার কোনো সন্ধান না পেয়ে পরিবারের সদস্যরা খুলনা ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দলকে খবর দেন।

খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করে। প্রায় দুই ঘণ্টার চেষ্টার পর নদী থেকে ইউসার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

বন্দবিলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সব্দুল হোসেন খান বলেন, “ঘটনাটি অত্যন্ত হৃদয়বিদারক। একটি সম্ভাবনাময় শিশুর এমন অকাল মৃত্যুতে পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।”

ইউসার আকস্মিক মৃত্যুতে স্বজনদের আহাজারিতে এলাকার পরিবেশ ভারী হয়ে ওঠে। একটি সাধারণ বিকেলের আনন্দঘন গোসল মুহূর্তেই রূপ নেয় এক শোকাবহ ট্র্যাজেডিতে।

Please Share This Post in Your Social Media

চিত্রা নদীতে গোসল করতে গিয়ে আর ঘরে ফেরা হলো না ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্র ইউসার

আপডেট: ০৮:৫৮:৫২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ অগাস্ট ২০২৬

সাঈদ ইবনে হানিফ ঃ যশোরের বাঘারপাড়ায় চিত্রা নদীতে গোসল করতে নেমে ইউসা খান (১২) নামে ষষ্ঠ শ্রেণির এক স্কুলছাত্রের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। সোমবার বিকেলে উপজেলার পাঠান পাইকপাড়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় পরিবার ও এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

নিহত ইউসা খান পাইকপাড়া গ্রামের আজমুল খানের ছেলে। সে খানপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্র ছিল।

পরিবারের সদস্যরা জানান, প্রতিদিনের মতো স্কুল শেষে বাড়ি ফিরে বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে তিন বন্ধুকে নিয়ে চিত্রা নদীতে গোসল করতে যায় ইউসা। গোসলের একপর্যায়ে তার দুই বন্ধু নিরাপদে তীরে উঠতে পারলেও ইউসা নদীর পানিতে তলিয়ে যায়। অনেক খোঁজাখুঁজির পরও তার কোনো সন্ধান না পেয়ে পরিবারের সদস্যরা খুলনা ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দলকে খবর দেন।

খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করে। প্রায় দুই ঘণ্টার চেষ্টার পর নদী থেকে ইউসার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

বন্দবিলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সব্দুল হোসেন খান বলেন, “ঘটনাটি অত্যন্ত হৃদয়বিদারক। একটি সম্ভাবনাময় শিশুর এমন অকাল মৃত্যুতে পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।”

ইউসার আকস্মিক মৃত্যুতে স্বজনদের আহাজারিতে এলাকার পরিবেশ ভারী হয়ে ওঠে। একটি সাধারণ বিকেলের আনন্দঘন গোসল মুহূর্তেই রূপ নেয় এক শোকাবহ ট্র্যাজেডিতে।