১০:৫৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬

রাজগঞ্জের যুবকের মালয়েশিয়ায় গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৮:২৩:১৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬
  • /

বি.এম বিল্লাল হোসেন,রাজগঞ্জ : মালয়েশিয়ার পেনাং শহরে গলায় গামছা পেঁচিয়ে আলমগীর হোসেন (২৪) নামের এক বাংলাদেশি প্রবাসী যুবক আত্মহত্যা করেছেন।

মঙ্গলবার (১৬ জুন) রাতে নিজ কক্ষ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে স্থানীয় পুলিশ। ​নিহত আলমগীর হোসেন যশোর জেলার মণিরামপুর উপজেলার রাজগঞ্জের হরিহরনগর ইউনিয়নের দশআনী গ্রামের আমির হোসেনের ছেলে।

পরিবারের সদস্যদের কাছে তিনি ছিলেন সাংসারিক সচ্ছলতা ফিরিয়ে আনার স্বপ্নদ্রষ্টা, যাকে স্থানীয়রা ‘টাকার মেশিন’ বলে সম্বোধন করতেন।

​নিহতের পারিবারিক ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পরিবারের ভাগ্য বদলের আশায় কয়েক বছর আগে আলমগীর মালয়েশিয়ায় পাড়ি জমান। কিন্তু কী কারণে তিনি এমন পথ বেছে নিলেন, তা নিয়ে তৈরি হয়েছে ধোঁয়াশা। তার পরিবারের সদস্যরাও মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে অন্ধকারে রয়েছেন।

আলমগীরের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তার বন্ধু ও সহকর্মী প্রবাসী রিপন হোসেন। তিনি বলেন, আলমগীরের সঙ্গে প্রায়ই কথা হতো। তার মতো হাসিখুশি একজন বন্ধু কেন অকালে এমন সিদ্ধান্ত নিল, তা আমার বোধগম্য নয়। তার এই অনাকাঙ্ক্ষিত মৃত্যুতে আমরা গভীরভাবে শোকাহত। ম’রদেহ দেশে পাঠানোর প্রক্রিয়া সম্পর্কে রিপন হোসেন জানান, পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে ম’রদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য স্থানীয় মর্গে পাঠিয়েছে।

ময়না তদন্তের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হলে আইনানুগ প্রক্রিয়া শেষে তার মরদেহ দেশে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হবে। ​তরুণ এই প্রবাসীর অকাল মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে৷

Please Share This Post in Your Social Media

রাজগঞ্জের যুবকের মালয়েশিয়ায় গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা

আপডেট: ০৮:২৩:১৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬

বি.এম বিল্লাল হোসেন,রাজগঞ্জ : মালয়েশিয়ার পেনাং শহরে গলায় গামছা পেঁচিয়ে আলমগীর হোসেন (২৪) নামের এক বাংলাদেশি প্রবাসী যুবক আত্মহত্যা করেছেন।

মঙ্গলবার (১৬ জুন) রাতে নিজ কক্ষ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে স্থানীয় পুলিশ। ​নিহত আলমগীর হোসেন যশোর জেলার মণিরামপুর উপজেলার রাজগঞ্জের হরিহরনগর ইউনিয়নের দশআনী গ্রামের আমির হোসেনের ছেলে।

পরিবারের সদস্যদের কাছে তিনি ছিলেন সাংসারিক সচ্ছলতা ফিরিয়ে আনার স্বপ্নদ্রষ্টা, যাকে স্থানীয়রা ‘টাকার মেশিন’ বলে সম্বোধন করতেন।

​নিহতের পারিবারিক ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পরিবারের ভাগ্য বদলের আশায় কয়েক বছর আগে আলমগীর মালয়েশিয়ায় পাড়ি জমান। কিন্তু কী কারণে তিনি এমন পথ বেছে নিলেন, তা নিয়ে তৈরি হয়েছে ধোঁয়াশা। তার পরিবারের সদস্যরাও মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে অন্ধকারে রয়েছেন।

আলমগীরের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তার বন্ধু ও সহকর্মী প্রবাসী রিপন হোসেন। তিনি বলেন, আলমগীরের সঙ্গে প্রায়ই কথা হতো। তার মতো হাসিখুশি একজন বন্ধু কেন অকালে এমন সিদ্ধান্ত নিল, তা আমার বোধগম্য নয়। তার এই অনাকাঙ্ক্ষিত মৃত্যুতে আমরা গভীরভাবে শোকাহত। ম’রদেহ দেশে পাঠানোর প্রক্রিয়া সম্পর্কে রিপন হোসেন জানান, পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে ম’রদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য স্থানীয় মর্গে পাঠিয়েছে।

ময়না তদন্তের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হলে আইনানুগ প্রক্রিয়া শেষে তার মরদেহ দেশে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হবে। ​তরুণ এই প্রবাসীর অকাল মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে৷