১২:৫৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬

সীমান্ত হত্যাকাণ্ডের আন্তর্জাতিক বিচার দাবি নাসির উদ্দিন পাটোয়ারীর

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০২:৪৮:৫২ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ জুন ২০২৬
  • / ১৫

শাহাবুদ্দিন আহামেদ : যশোরের বেনাপোল সাদীপুর সীমান্তে উপস্থিত হয়ে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসির উদ্দিন পাটোয়ারী বলেছেন,সীমান্তে বাংলাদেশি নাগরিকদের হত্যা আন্তর্জাতিক আইন ও মানবাধিকারের পরিপন্থী। কোনো ব্যক্তি অপরাধে জড়িত থাকলেও তাকে বিচারবহির্ভূতভাবে হত্যা করার কোনো সুযোগ নেই। সীমান্তে সংঘটিত এসব হত্যাকাণ্ডের আন্তর্জাতিক বিচার নিশ্চিত করতে হবে।

বুধবার (৩ জুন ২০২৬) দুপুর ১ টার সময় যশোরের বেনাপোল থানার সাদিপুর সীমান্তের রঘুনাথপুর বিওপির নিকট আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

নাসির উদ্দিন পাটোয়ারী বলেন, দেশের সীমান্তবর্তী এলাকাগুলো দীর্ঘদিন ধরে অবহেলিত। এসব অঞ্চলে শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, কর্মসংস্থান ও অবকাঠামোগত উন্নয়নের যথেষ্ট ঘাটতি রয়েছে। সীমান্ত এলাকার মানুষের জীবনমান উন্নয়নে সরকারের কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করা জরুরি।

তিনি সীমান্ত রক্ষায় বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) ভূমিকার প্রশংসা করে বলেন, দেশের ১৮ কোটি মানুষ বিজিবির পাশে রয়েছে। সীমান্তে ভারতীয় নাগরিকরা বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনার সুযোগ পেলেও বাংলাদেশি নাগরিকদের ক্ষেত্রে নানা প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা হয়, যা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।

বিএসএফের সমালোচনা করে এনসিপির এই নেতা বলেন, সীমান্তে বাংলাদেশি নাগরিক হত্যার ঘটনাগুলোর আন্তর্জাতিক তদন্ত ও বিচার নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি ভারতকে এসব ঘটনার জবাবদিহিতার আওতায় আনতে হবে। তিনি সীমান্তে পুশ-ইন কার্যক্রমেরও তীব্র নিন্দা জানান।

হাদি হত্যাকাণ্ডের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে তিনি বলেন, প্রকৃত হত্যাকারীদের দ্রুত শনাক্ত করে জনগণের সামনে তাদের পরিচয় প্রকাশ করতে হবে। সেই সঙ্গে তারা কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সম্পৃক্ত কিনা, তাও প্রকাশ করা উচিত।

সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদারের স্বার্থে বিজিবির সদস্যদের বেতন-ভাতা বৃদ্ধি, আধুনিক অস্ত্র ও প্রযুক্তি সরবরাহের দাবি জানিয়ে তিনি বলেন, দেশের সীমান্ত সুরক্ষায় বিজিবিকে আরও শক্তিশালী ও আধুনিকায়ন করা প্রয়োজন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর বেনাপোল পোর্ট থানার আমির আলহাজ্ব রেজাউল ইসলামসহ সভায় স্থানীয় নেতাকর্মী, গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং সীমান্ত এলাকার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

Please Share This Post in Your Social Media

সীমান্ত হত্যাকাণ্ডের আন্তর্জাতিক বিচার দাবি নাসির উদ্দিন পাটোয়ারীর

আপডেট: ০২:৪৮:৫২ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ জুন ২০২৬

শাহাবুদ্দিন আহামেদ : যশোরের বেনাপোল সাদীপুর সীমান্তে উপস্থিত হয়ে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসির উদ্দিন পাটোয়ারী বলেছেন,সীমান্তে বাংলাদেশি নাগরিকদের হত্যা আন্তর্জাতিক আইন ও মানবাধিকারের পরিপন্থী। কোনো ব্যক্তি অপরাধে জড়িত থাকলেও তাকে বিচারবহির্ভূতভাবে হত্যা করার কোনো সুযোগ নেই। সীমান্তে সংঘটিত এসব হত্যাকাণ্ডের আন্তর্জাতিক বিচার নিশ্চিত করতে হবে।

বুধবার (৩ জুন ২০২৬) দুপুর ১ টার সময় যশোরের বেনাপোল থানার সাদিপুর সীমান্তের রঘুনাথপুর বিওপির নিকট আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

নাসির উদ্দিন পাটোয়ারী বলেন, দেশের সীমান্তবর্তী এলাকাগুলো দীর্ঘদিন ধরে অবহেলিত। এসব অঞ্চলে শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, কর্মসংস্থান ও অবকাঠামোগত উন্নয়নের যথেষ্ট ঘাটতি রয়েছে। সীমান্ত এলাকার মানুষের জীবনমান উন্নয়নে সরকারের কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করা জরুরি।

তিনি সীমান্ত রক্ষায় বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) ভূমিকার প্রশংসা করে বলেন, দেশের ১৮ কোটি মানুষ বিজিবির পাশে রয়েছে। সীমান্তে ভারতীয় নাগরিকরা বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনার সুযোগ পেলেও বাংলাদেশি নাগরিকদের ক্ষেত্রে নানা প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা হয়, যা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।

বিএসএফের সমালোচনা করে এনসিপির এই নেতা বলেন, সীমান্তে বাংলাদেশি নাগরিক হত্যার ঘটনাগুলোর আন্তর্জাতিক তদন্ত ও বিচার নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি ভারতকে এসব ঘটনার জবাবদিহিতার আওতায় আনতে হবে। তিনি সীমান্তে পুশ-ইন কার্যক্রমেরও তীব্র নিন্দা জানান।

হাদি হত্যাকাণ্ডের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে তিনি বলেন, প্রকৃত হত্যাকারীদের দ্রুত শনাক্ত করে জনগণের সামনে তাদের পরিচয় প্রকাশ করতে হবে। সেই সঙ্গে তারা কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সম্পৃক্ত কিনা, তাও প্রকাশ করা উচিত।

সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদারের স্বার্থে বিজিবির সদস্যদের বেতন-ভাতা বৃদ্ধি, আধুনিক অস্ত্র ও প্রযুক্তি সরবরাহের দাবি জানিয়ে তিনি বলেন, দেশের সীমান্ত সুরক্ষায় বিজিবিকে আরও শক্তিশালী ও আধুনিকায়ন করা প্রয়োজন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর বেনাপোল পোর্ট থানার আমির আলহাজ্ব রেজাউল ইসলামসহ সভায় স্থানীয় নেতাকর্মী, গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং সীমান্ত এলাকার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।