০৫:১০ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৬ মে ২০২৬

ঝিকরগাছায় পারিবারিক সহিংসতায় যুবক আহত

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৩:৪৬:৪০ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ মে ২০২৬
  • / ১৪

স্টাফ রিপোর্টার : যশোরের ঝিকরগাছা পৌরসভার কৃষ্ণনগর ডাকবাংলো এলাকায় পারিবারিক সহিংসতায় মৃত ইউসুফ আলীর ছেলে আব্দুল্লাহ আল মামুন (৪২) নামের এক যুবক আহত হয়েছেন।

গত শনিবার (২ মে) এই ঘটনায় আহত আব্দুল্লাহ যশোর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়ে এখন বাড়িতে অবস্থান করছেন।

ভুক্তভোগী আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, আমাদের ২ ভাই এর যৌথ পরিবার। ঘটনার দিন সকালে সামান্য বিষয় নিয়ে আমি আমার ভাইঝি ইলমা আক্তার জিমকে বকাঝকা করছিলাম।

এসময় আমার ছোটভাই এর স্ত্রী অর্থাৎ জিম এর মা সোমা আক্তার খাদিজা এসে আমার হাতে আঘাত করে। তখন আমি রাগের বশে ভাইঝিকে মারতে গেলে তার মা ঠেকাতে গিয়ে হাতে আঘাতপ্রাপ্ত হয়। ঘটনার পরে তারা আমাকে ফাঁসানোর জন্য যশোর জেনারেল হাসপাতালে গিয়ে ২ হাতে ব্যান্ডেজ বেধে হাত ভেঙে গিয়েছে বলে অপপ্রচার চালায় এবং পত্রিকায় আমার নামে ভিত্তিহীন সংবাদ পরিবেশন করে।

বস্তুত আমি নিজেও আঘাতপ্রাপ্ত হয়ে প্রথমে ঝিকরগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যাই। আমার ডায়াবেটিস এর মাত্রা অনেক বেশি হওয়ায় সেখান থেকে আমাকে যশোর জেনারেল হাসপাতালে রেফার্ড করে। সেখান থেকে চিকিৎসা নিয়ে আমি বাড়িতে আছি। বর্তমানে আমার হাতের বুড়ো আঙুল এর অবস্থা খুবই খারাপ।

এছাড়াও উক্ত ঘটনাকে কেন্দ্র করে আমার ছোট ভাই হাবিব আমাকে চাকু মারতে আসে। কিন্তু উপস্থিত লোকজন সেটা ঠেকিয়ে দেয়। এখন তারা আমাকে প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছে। এই ঘটনায় তিনি মামলা করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে জানান।

Please Share This Post in Your Social Media

ঝিকরগাছায় পারিবারিক সহিংসতায় যুবক আহত

আপডেট: ০৩:৪৬:৪০ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ মে ২০২৬

স্টাফ রিপোর্টার : যশোরের ঝিকরগাছা পৌরসভার কৃষ্ণনগর ডাকবাংলো এলাকায় পারিবারিক সহিংসতায় মৃত ইউসুফ আলীর ছেলে আব্দুল্লাহ আল মামুন (৪২) নামের এক যুবক আহত হয়েছেন।

গত শনিবার (২ মে) এই ঘটনায় আহত আব্দুল্লাহ যশোর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়ে এখন বাড়িতে অবস্থান করছেন।

ভুক্তভোগী আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, আমাদের ২ ভাই এর যৌথ পরিবার। ঘটনার দিন সকালে সামান্য বিষয় নিয়ে আমি আমার ভাইঝি ইলমা আক্তার জিমকে বকাঝকা করছিলাম।

এসময় আমার ছোটভাই এর স্ত্রী অর্থাৎ জিম এর মা সোমা আক্তার খাদিজা এসে আমার হাতে আঘাত করে। তখন আমি রাগের বশে ভাইঝিকে মারতে গেলে তার মা ঠেকাতে গিয়ে হাতে আঘাতপ্রাপ্ত হয়। ঘটনার পরে তারা আমাকে ফাঁসানোর জন্য যশোর জেনারেল হাসপাতালে গিয়ে ২ হাতে ব্যান্ডেজ বেধে হাত ভেঙে গিয়েছে বলে অপপ্রচার চালায় এবং পত্রিকায় আমার নামে ভিত্তিহীন সংবাদ পরিবেশন করে।

বস্তুত আমি নিজেও আঘাতপ্রাপ্ত হয়ে প্রথমে ঝিকরগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যাই। আমার ডায়াবেটিস এর মাত্রা অনেক বেশি হওয়ায় সেখান থেকে আমাকে যশোর জেনারেল হাসপাতালে রেফার্ড করে। সেখান থেকে চিকিৎসা নিয়ে আমি বাড়িতে আছি। বর্তমানে আমার হাতের বুড়ো আঙুল এর অবস্থা খুবই খারাপ।

এছাড়াও উক্ত ঘটনাকে কেন্দ্র করে আমার ছোট ভাই হাবিব আমাকে চাকু মারতে আসে। কিন্তু উপস্থিত লোকজন সেটা ঠেকিয়ে দেয়। এখন তারা আমাকে প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছে। এই ঘটনায় তিনি মামলা করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে জানান।