১১:১৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৯ মার্চ ২০২৬

শালিখায় মাদ্রাসা সুপারের সাথে ডিবি পরিচয়ে প্রতারণা: ৫৫ হাজার টাকা লুটে নিল চক্র

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৮:৩৭:০২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ মার্চ ২০২৬
  • / ৩২

​বিশ্বজিৎ বসু, ভ্রাম্যমান প্রতিনিধি : মাগুরা, ৮ মার্চ, ২০২৬:
​মাগুরার শালিখায় শতখালী দারুল উলুম দাখিল মাদ্রাসার সুপার মাওলানা মোঃ হাফিজুর রহমান ডিবি পুলিশ পরিচয়ে একটি প্রতারক চক্রের শিকার হয়েছেন।

আজ রোববার দুপুরে প্রশাসনের ভুয়া পরিচয় দিয়ে ভয়ভীতি দেখিয়ে তার কাছ থেকে ৫৫ হাজার টাকা হাতিয়ে নেয় চক্রটি। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী শিক্ষক শালিখা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি নং ৩৪৮) করেছেন।

জিডি সূত্রে জানা গেছে, আজ দুপুর ১২:৫৫ মিনিটের দিকে মাওলানা হাফিজুর রহমানের মোবাইলে একটি কল আসে। কলদাতা নিজেকে প্রশাসনের লোক পরিচয় দিয়ে জানায় যে, তার ছেলেকে ইয়াবাসহ আটক করা হয়েছে। মামলার ভয় দেখিয়ে প্রতারক চক্রটি দ্রুত টাকা দাবি করে। আতঙ্কিত হয়ে তিনি দুটি মোবাইল ব্যাংকিং নম্বরে মোট ৫৫,৫০০ টাকা (৩০,০০০ ও ২৫,৫০০) পাঠিয়ে দেন।

টাকা পাঠানোর পর ওই নম্বরগুলো বন্ধ পাওয়া গেলে তিনি বুঝতে পারেন যে তিনি প্রতারণার শিকার হয়েছেন। দ্রুত তিনি শালিখা থানায় উপস্থিত হয়ে বিষয়টি অবহিত করেন।

শালিখা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু সাঈদ জানান, বিষয়টি গুরুত্বের সাথে তদন্ত করা হচ্ছে। অপরাধীদের শনাক্ত করতে প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

শালিখায় মাদ্রাসা সুপারের সাথে ডিবি পরিচয়ে প্রতারণা: ৫৫ হাজার টাকা লুটে নিল চক্র

আপডেট: ০৮:৩৭:০২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ মার্চ ২০২৬

​বিশ্বজিৎ বসু, ভ্রাম্যমান প্রতিনিধি : মাগুরা, ৮ মার্চ, ২০২৬:
​মাগুরার শালিখায় শতখালী দারুল উলুম দাখিল মাদ্রাসার সুপার মাওলানা মোঃ হাফিজুর রহমান ডিবি পুলিশ পরিচয়ে একটি প্রতারক চক্রের শিকার হয়েছেন।

আজ রোববার দুপুরে প্রশাসনের ভুয়া পরিচয় দিয়ে ভয়ভীতি দেখিয়ে তার কাছ থেকে ৫৫ হাজার টাকা হাতিয়ে নেয় চক্রটি। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী শিক্ষক শালিখা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি নং ৩৪৮) করেছেন।

জিডি সূত্রে জানা গেছে, আজ দুপুর ১২:৫৫ মিনিটের দিকে মাওলানা হাফিজুর রহমানের মোবাইলে একটি কল আসে। কলদাতা নিজেকে প্রশাসনের লোক পরিচয় দিয়ে জানায় যে, তার ছেলেকে ইয়াবাসহ আটক করা হয়েছে। মামলার ভয় দেখিয়ে প্রতারক চক্রটি দ্রুত টাকা দাবি করে। আতঙ্কিত হয়ে তিনি দুটি মোবাইল ব্যাংকিং নম্বরে মোট ৫৫,৫০০ টাকা (৩০,০০০ ও ২৫,৫০০) পাঠিয়ে দেন।

টাকা পাঠানোর পর ওই নম্বরগুলো বন্ধ পাওয়া গেলে তিনি বুঝতে পারেন যে তিনি প্রতারণার শিকার হয়েছেন। দ্রুত তিনি শালিখা থানায় উপস্থিত হয়ে বিষয়টি অবহিত করেন।

শালিখা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু সাঈদ জানান, বিষয়টি গুরুত্বের সাথে তদন্ত করা হচ্ছে। অপরাধীদের শনাক্ত করতে প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।