বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস আজ: পরিষ্কার হাত, নিরাপদ জীবন
- আপডেট: ০৩:৩৫:৪৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৫
- / ১৫০

গ্রামের সংবাদ ডেস্ক : “পরিচ্ছন্নতা ঈমানের অঙ্গ।” নিয়মিত হাত ধোয়ার অভ্যাসই জীবাণুর বিরুদ্ধে প্রথম প্রতিরক্ষা। বিশেষজ্ঞদের মতে, শুধু হাত ধোয়ার অভ্যাস বজায় রাখলে ২৫ থেকে ৩০ শতাংশ সংক্রমণজনিত রোগ থেকে মুক্ত থাকা সম্ভব।
আজ ১৫ অক্টোবর, বিশ্বজুড়ে পালিত হচ্ছে বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস–২০২৫। এ বছরের প্রতিপাদ্য— “পরিষ্কার হাত, নিরাপদ জীবন” এবং “সংক্রমণ রোধে নিয়মিত হাত ধোয়া একটি শক্তিশালী অভ্যাস।”
বাংলাদেশে ২০০৯ সাল থেকে দিবসটি উদ্যাপিত হয়ে আসছে। দিবসটি উপলক্ষে সরকারের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ, ইউনিসেফ বাংলাদেশ, ওয়াটারএইডসহ বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি সংস্থা সারাদেশে সচেতনতামূলক কর্মসূচি হাতে নিয়েছে।
আগে করোনাকালে মানুষ হাত ধোয়া ও মাস্ক ব্যবহারে অত্যন্ত সচেতন হয়েছিল। বাড়ির বাইরে থেকে ফিরে, খাবারের আগে, কিংবা কোনো কিছুর সংস্পর্শে আসার পর হাত ধোয়া ছিল দৈনন্দিন রুটিনের অংশ। কিন্তু মহামারি শেষ হতেই মানুষ ফিরে গেছে পুরোনো উদাসীনতায়। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই অভ্যাস ধরে রাখা এখনো অত্যন্ত প্রয়োজনীয়।
ডব্লিউএইচও’র সুপারিশকৃত ৫টি সময়
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা হাত পরিষ্কারের পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ সময় নির্ধারণ করেছে—
১. রোগীকে স্পর্শ করার আগে ও জীবাণুমুক্তকরণের আগে
২. শরীরের তরল পদার্থের সংস্পর্শে আসার পর
৩. রোগীকে স্পর্শ করার পর
৪. রোগীর আশপাশের পরিবেশ স্পর্শ করার পর
৫. খাবার খাওয়ার আগে ও টয়লেট ব্যবহারের পর
এ ছাড়া সাবান ও পানি না থাকলে হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহারের পরামর্শ দিয়েছেন জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা।
চিকিৎসা বিশেষজ্ঞদের মতে, সঠিকভাবে হাত ধোয়ার অভ্যাস নিউমোনিয়া, আমাশয়, টাইফয়েড, জন্ডিস ও কৃমিসহ কমপক্ষে পাঁচটি সংক্রমণজনিত রোগ প্রতিরোধে কার্যকর ভূমিকা রাখে। বিশেষ করে শিশুদের ক্ষেত্রে টয়লেট ব্যবহারের পর ও খাবারের আগে হাত ধোয়ার অভ্যাস থাকলে তাদের স্বাস্থ্য ও বিকাশ উভয়ই উন্নত হয়।
স্বাস্থ্যসম্মত সমাজ গড়তে হলে পরিবার ও বিদ্যালয়—দুই জায়গাতেই শিশুদের নিয়মিত হাত ধোয়ার অভ্যাস শেখানো জরুরি। বিশেষজ্ঞদের মতে, হাত ধোয়ার মতো সহজ কাজই হতে পারে রোগপ্রতিরোধের সবচেয়ে কার্যকর অস্ত্র।



















