০৩:০২ অপরাহ্ন, রবিবার, ০১ মার্চ ২০২৬

আড়াই বছর পর বেনাপোল দিয়ে ভারতীয় পেঁয়াজ আমদানি, প্রথম চালানে এলো ১৫ টন

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ১২:৪১:৫৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৫
  • / ২৬৮

নিজস্ব প্রতিবেদক: আড়াই বছরের বেশি সময় বন্ধ থাকার পর অবশেষে বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে আবারও শুরু হলো ভারতীয় পেঁয়াজ আমদানি।

সোমবার (২৫ আগস্ট) রাত ৮টার দিকে ভারত থেকে আসা একটি ট্রাকে করে ১৫ মেট্রিক টন পেঁয়াজ বেনাপোল বন্দরে পৌঁছায়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বেনাপোল উদ্ভিদ সংগনিরোধ কেন্দ্রের উপ-সহকারী শ্যামল কুমার নাথ।

তিনি বলেন, ‘আমদানিকৃত পেঁয়াজের মান পরীক্ষার পর ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে। এটি চলতি মৌসুমে বেনাপোল দিয়ে পেঁয়াজ আমদানির প্রথম চালান।’

২০২৩ সালের মার্চ মাস থেকে এই পথে পেঁয়াজ আমদানি বন্ধ ছিল। এবার আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান বাগেরহাটের ‘এস এম ওয়েল ট্রেডার্স’ এবং রপ্তানিকারক ভারতের ‘ন্যাশনাল ট্রেডিং করপোরেশন’।

এ বিষয়ে বেনাপোল আমদানি-রপ্তানি সমিতির সহ-সভাপতি আমিনুল হক আনু বলেন, “দেশীয় কৃষকের স্বার্থে সরকার এক সময় আমদানি বন্ধ রেখেছিল। পরে ভারতও রপ্তানি বন্ধ করে দেয়। কিন্তু দেশের বাজারে সিন্ডিকেট করে দাম বাড়িয়ে দেয় একশ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ী। এখন সরকার প্রয়োজনীয়তা বিবেচনায় আমদানির অনুমতি দিয়েছে।”

কাস্টমস সূত্র জানায়, প্রতি মেট্রিক টনের পেঁয়াজ ৩০৫ ডলারে আমদানি করা হয়েছে, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৩৭ হাজার ৪২৯ টাকা। বাজারে এসব পেঁয়াজ মানভেদে প্রতি কেজি ৫৮ থেকে ৬০ টাকায় বিক্রি হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

বেনাপোল কাস্টমস হাউসের সহকারী কমিশনার মো. রাজন হোসেন বলেন, “কাস্টমস প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করে চালানটি খালাসের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।”

সরকারের এই পদক্ষেপে বাজারে পেঁয়াজের অস্থিরতা কিছুটা কমবে বলে মনে করছেন খুচরা ব্যবসায়ীরা। এতে স্বস্তির নিশ্বাস ফেলছেন নিম্ন আয়ের ভোক্তারাও।

Please Share This Post in Your Social Media

আড়াই বছর পর বেনাপোল দিয়ে ভারতীয় পেঁয়াজ আমদানি, প্রথম চালানে এলো ১৫ টন

আপডেট: ১২:৪১:৫৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৫

নিজস্ব প্রতিবেদক: আড়াই বছরের বেশি সময় বন্ধ থাকার পর অবশেষে বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে আবারও শুরু হলো ভারতীয় পেঁয়াজ আমদানি।

সোমবার (২৫ আগস্ট) রাত ৮টার দিকে ভারত থেকে আসা একটি ট্রাকে করে ১৫ মেট্রিক টন পেঁয়াজ বেনাপোল বন্দরে পৌঁছায়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বেনাপোল উদ্ভিদ সংগনিরোধ কেন্দ্রের উপ-সহকারী শ্যামল কুমার নাথ।

তিনি বলেন, ‘আমদানিকৃত পেঁয়াজের মান পরীক্ষার পর ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে। এটি চলতি মৌসুমে বেনাপোল দিয়ে পেঁয়াজ আমদানির প্রথম চালান।’

২০২৩ সালের মার্চ মাস থেকে এই পথে পেঁয়াজ আমদানি বন্ধ ছিল। এবার আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান বাগেরহাটের ‘এস এম ওয়েল ট্রেডার্স’ এবং রপ্তানিকারক ভারতের ‘ন্যাশনাল ট্রেডিং করপোরেশন’।

এ বিষয়ে বেনাপোল আমদানি-রপ্তানি সমিতির সহ-সভাপতি আমিনুল হক আনু বলেন, “দেশীয় কৃষকের স্বার্থে সরকার এক সময় আমদানি বন্ধ রেখেছিল। পরে ভারতও রপ্তানি বন্ধ করে দেয়। কিন্তু দেশের বাজারে সিন্ডিকেট করে দাম বাড়িয়ে দেয় একশ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ী। এখন সরকার প্রয়োজনীয়তা বিবেচনায় আমদানির অনুমতি দিয়েছে।”

কাস্টমস সূত্র জানায়, প্রতি মেট্রিক টনের পেঁয়াজ ৩০৫ ডলারে আমদানি করা হয়েছে, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৩৭ হাজার ৪২৯ টাকা। বাজারে এসব পেঁয়াজ মানভেদে প্রতি কেজি ৫৮ থেকে ৬০ টাকায় বিক্রি হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

বেনাপোল কাস্টমস হাউসের সহকারী কমিশনার মো. রাজন হোসেন বলেন, “কাস্টমস প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করে চালানটি খালাসের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।”

সরকারের এই পদক্ষেপে বাজারে পেঁয়াজের অস্থিরতা কিছুটা কমবে বলে মনে করছেন খুচরা ব্যবসায়ীরা। এতে স্বস্তির নিশ্বাস ফেলছেন নিম্ন আয়ের ভোক্তারাও।