০৩:৪০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬

দৌলতপুর সীমান্তে বিজিবি’র অভিযান: ২২ বোতল ভারতীয় মদসহ চোরাচালানী মালামাল আটক

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ১২:১৩:১০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৫
  • / ৯৮

নিজস্ব প্রতিবেদক: খুলনা ব্যাটালিয়ন (২১ বিজিবি) এর দৌলতপুর বিওপি কর্তৃক এক অভিযানে ২২বোতল ভারতীয় মদ, ১৬ বোতল নিভিয়া লোশন এবং ০৩ বোতল ভ্যাসলিন আটক করা হয়েছে।

বিজিবি অধিনায়ক লেঃ কর্নেল মোহাম্মদ খুরশীদ আনোয়ার, পিবিজিএম, পিএসসি, ইঞ্জিনিয়ার্স স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে সীমান্ত এলাকায় চোরাচালানী ও মাদকসহ অবৈধ পণ্যের প্রবেশ রোধে বিজিবি’র গোয়েন্দা নজরদারী ও টহল তৎপরতা জোরদার করা হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় সোমবার (১৮ আগস্ট ২০২৫) দৌলতপুর সীমান্ত এলাকায় এই অভিযান পরিচালিত হয়।

জব্দকৃত মালামালের আনুমানিক সিজার মূল্য ৪৩,৭৫০টাকা। বিজিবি জানিয়েছে, দেশের সীমান্তে মাদক ও অন্যান্য চোরাচালান বন্ধে এই ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

বিজিবি আরও জানিয়েছে, আটককৃত মাদকদ্রব্য ব্যাটালিয়নের সদর দপ্তরে প্রেরণ করা হয়েছে এবং আইনানুগ প্রক্রিয়ায় তা ধ্বংস করা হবে। অন্যদিকে, চোরাচালানী পণ্য যথাযথ কাগজপত্রের মাধ্যমে কাস্টমস কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

দৌলতপুর সীমান্তে বিজিবি’র অভিযান: ২২ বোতল ভারতীয় মদসহ চোরাচালানী মালামাল আটক

আপডেট: ১২:১৩:১০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৫

নিজস্ব প্রতিবেদক: খুলনা ব্যাটালিয়ন (২১ বিজিবি) এর দৌলতপুর বিওপি কর্তৃক এক অভিযানে ২২বোতল ভারতীয় মদ, ১৬ বোতল নিভিয়া লোশন এবং ০৩ বোতল ভ্যাসলিন আটক করা হয়েছে।

বিজিবি অধিনায়ক লেঃ কর্নেল মোহাম্মদ খুরশীদ আনোয়ার, পিবিজিএম, পিএসসি, ইঞ্জিনিয়ার্স স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে সীমান্ত এলাকায় চোরাচালানী ও মাদকসহ অবৈধ পণ্যের প্রবেশ রোধে বিজিবি’র গোয়েন্দা নজরদারী ও টহল তৎপরতা জোরদার করা হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় সোমবার (১৮ আগস্ট ২০২৫) দৌলতপুর সীমান্ত এলাকায় এই অভিযান পরিচালিত হয়।

জব্দকৃত মালামালের আনুমানিক সিজার মূল্য ৪৩,৭৫০টাকা। বিজিবি জানিয়েছে, দেশের সীমান্তে মাদক ও অন্যান্য চোরাচালান বন্ধে এই ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

বিজিবি আরও জানিয়েছে, আটককৃত মাদকদ্রব্য ব্যাটালিয়নের সদর দপ্তরে প্রেরণ করা হয়েছে এবং আইনানুগ প্রক্রিয়ায় তা ধ্বংস করা হবে। অন্যদিকে, চোরাচালানী পণ্য যথাযথ কাগজপত্রের মাধ্যমে কাস্টমস কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।