নড়াইলে ডিসি পার্কে যাতায়াতের রাস্তা নির্মাণে বাঁধা প্রদানকারী গোপাল বিশ্বাসকে গ্রেফতারের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন
- আপডেট: ০৬:৪৮:৪৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৫
- / ১২৯

নড়াইল প্রতিনিধিঃ নড়াইলে রাস্তা নির্মাণে বাধা প্রদানকারী ভূমিদস্যুখ্যাত গোপাল চন্দ্র বিশ্বাস ও তার স্ত্রী শিখা রানীকে দ্রুত গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে শহরের হাটবাড়িয়া ডিসি পার্ক এলাকায় শত শত নারী-পুরুষের অংশগ্রহণে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।শনিবার বেলা সাড়ে ১১টায় হাটবাড়িয়া এলাকাবাসীর আয়োজনে এ বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
মানববন্ধন চলাকালে গৃহবধু প্রিয়াংকা ঘোষ তার বক্তৃতায় বলেন, হাটবাড়িয়া জমিদারবাড়ি ডিসি পার্কে যাওয়ার রাস্তাটি জনগুরুত্বপূর্ণ সড়ক।সড়কটি পাকাকরণ না থাকায় এবং পাাশে কোন ড্রেন না থাকায় বর্ষাকালে জলবদ্ধতা সৃষ্টি হওয়ায় আমরা স্থানীয় অধিবাসীসহ স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থী এবং বাইরে থেকে আগত শতশত নারী-পুরুষ ও শিশু প্রতিনিয়ত যাতায়াতে চরম অসুবিধার সম্মূখীন হই।এই অসুবিধার কথা বিবেচনায় রেখে জেলা প্রশাসনের চেষ্টায় রাস্তা নির্মানের উদ্যোগ নেয়া হলে ভূমিদস্যু গোপাল ও তার স্ত্রী, ছেলে তাতে বাঁধা প্রদান করেছেন।
হাটবাড়িয়া জমিদারবাড়ি মন্দিরের সেক্রেটারি অনিল লস্কর বলেন,গোপাল ও তার স্ত্রী নিজেকে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের লোক পরিচয় দিয়ে একের পর এক অন্যায় কাজ করে চলেছেন।নিজে ও স্ত্রী শিখা রানী চাকুরিজীবি হওয়ায় জমিদারদের রেখে যাওয়া জমির ভুয়া কাগজপত্র তৈরি করে তা অবৈধভাবে ভোগদখল করে খাচ্ছেন।নিজের অপরাধ ঢাকতে বর্তমান সরকার এবং বিএনপির লোকজনের নামে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে অপপ্রচারে লিপ্ত রয়েছেন গোপল ও তার স্ত্রী এবং সন্তানরা।আমরা তাদের গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।
স্থানীয় বাসিন্দা উজ্জ্বল ঘোষ বলেন, গোপালের ছেলে সৌকত বিশ^াস নিজেকে ছাত্র সমন্বয়ক পরিচয় দিয়ে প্রশাসন ও এলাকার মানুষকে চাপে রাখার চেষ্টা করেন।ইতোপূর্বে জেলা ছাত্রলীগের এক নেতাকে নিজেদের স্বার্থে ব্যবহার করেছেন তারা।এসব কারণে গ্রামের লোকজন তাদের সাথে কথাবার্তা বন্ধ করে দিয়েছেন।
স্থানীয় বাসিন্দা মো: দেলোয়ার হোসেন বলেন, সম্প্রীতির বন্ধন অটুট রেখে এখানে হিন্দু-মুসলমান মিলে মিশে আমরা দীর্ঘদিন ধরে বসবাস করে আসছি। গোপাল ও তার স্ত্রী শিখা ব্যক্তি স্বার্থে জেলা শহরের একমাত্র বিনোদন কেন্দ্র ডিসি পার্কে যাতায়াতের রাস্তা নির্মাণ কাজে বাঁধা দিচ্ছেন এবং সামাজিক যোগযোগ মাধ্যমে সংখ্যালঘু নির্যাতনের মিথ্যা প্রচারণা চালাচ্ছেন। আমরা এলাকাবাসী জনগনের চলাচলের জন্য রাস্তা এবং পাশে ড্রেন নির্মানের জন্য প্রশাসনের কাছে জোর দাবি জানাচ্ছি।













