মাগুরায় সাকের হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন ১৫০ ভরি সোনা উদ্ধার
- আপডেট: ০৮:২৬:০৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬
- / ৪

মাগুরা প্রতিনিধি: মাগুরায় পৌর যুবদল নেতা শাকের হোসেন হত্যা এবং ১৫০ ভরি স্বর্ণ ডাকাতির পৃথক দুটি চাঞ্চল্যকর ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটনের দাবি করেছে পুলিশ। দুটি মামলায় মোট ১১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
গ্রেপ্তারদের মধ্যে মো. গোলাম জাহিদ উভয় মামলায় জড়িত থাকার বিষয়ে আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।
৪ নভেম্বর মাগুরার পুলিশ সুপার মোল্লা আজাদ হোসেন স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়। পুলিশ জানায়, গত ৬ অক্টোবর মাগুরা সদর উপজেলার রামনগর এলাকা থেকে পুলিশ পরিচয়ে একটি বাস থামিয়ে মানিকগঞ্জের স্বর্ণ ব্যবসায়ী মো. মজিবর রহমানের কাছ থেকে ১৫০ ভরি স্বর্ণ ও ৬০ হাজার টাকা ডাকাতি করা হয়। লুণ্ঠিত স্বর্ণের আনুমানিক মূল্য ২ কোটি ৯০ লাখ টাকা।
অন্যদিকে, গত ২১ অক্টোবর ভোরে মাগুরা কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালের রয়েল কাউন্টারের ভেতরে পৌর যুবদল নেতা শাকের হোসেনকে (৩৬) গুলি করে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। স্বর্ণ ডাকাতির মামলায় গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন—মো. জুয়েল হোসেন (৪৭), তৌকির আহমেদ (২৫), মো. ফরিদ মণ্ডল (৫৯), মো. মিল্টন মোল্যা (৩৫), মারুফা আক্তার (৩২), মো. গোলাম জাহিদ (৪৫) ও মো. মারুফ হোসেন (৪৪)। শাকের হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন—রনি শিকদার (৩৮), শামীমা তাবাসসুম (৩১), অনিমেষ মজুমদার (৫৫), মো. মারুফ হোসেন (৪৪), মো. গোলাম জাহিদ (৪৫) ও বশির আলী (৩৫)।
পুলিশের দাবি, দুটি ঘটনার তদন্তে তথ্যপ্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তথ্যের সহায়তায় জড়িতদের শনাক্ত করা হয়েছে। অভিযানে ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত দুটি মোটরসাইকেল, একটি টয়োটা ভিটজ গাড়ি, স্বর্ণের বার, বুলেট ও খালি কার্তুজ উদ্ধার করা হয়েছে। পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, স্বর্ণ ও টাকা ভাগাভাগিকে কেন্দ্র করেই শাকের হোসেনকে হত্যা করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যদের গ্রেপ্তার এবং লুণ্ঠিত স্বর্ণ উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।























