০৯:৪৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬

চারিখাদা আতোষপাড়া, শলুয়া, বলরামপুরে ১৬ প্রহর নামযজ্ঞে লোকে লোকারণ্য

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৭:৫৮:৪৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬
  • /

স্টাফ রিপোর্টার: নড়াইল সদর উপজেলার চারিখাদা গ্রামের আতোষপাড়ায় অনুষ্ঠিত ১৬ প্রহরব্যাপী হরিনাম সংকীর্তন ও নামযজ্ঞকে কেন্দ্র করে ভক্ত-অনুরাগীদের ঢলে এলাকা পরিণত হয়েছে লোকে লোকারণ্যে।

জেলার বিভিন্ন উপজেলা এবং আশপাশের জেলা থেকে হাজারো ধর্মপ্রাণ মানুষ এই আধ্যাত্মিক অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন।

ভোর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত হরিনাম সংকীর্তন, ধর্মীয় আলোচনা, প্রার্থনা ও প্রসাদ বিতরণের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানটি উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়। নারী, পুরুষ, শিশু ও প্রবীণ—সব বয়সের মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতিতে পুরো এলাকা মুখরিত হয়ে ওঠে।

আয়োজকরা জানান, সনাতন ধর্মের চিরন্তন আদর্শ, ভ্রাতৃত্ববোধ, মানবতা এবং সম্প্রীতির বার্তা ছড়িয়ে দিতেই প্রতিবছরের মতো এবারও এই ১৬ প্রহর নামযজ্ঞের আয়োজন করা হয়েছে।

স্থানীয় সুধীজনদের মতে, এমন ধর্মীয় আয়োজন মানুষের মধ্যে পারস্পরিক ভালোবাসা, সৌহার্দ্য ও সামাজিক বন্ধনকে আরও সুদৃঢ় করে। শান্তিপূর্ণ পরিবেশে সম্পন্ন হওয়া এই নামযজ্ঞ এলাকাবাসীর কাছে এক মিলনমেলায় পরিণত হয়েছে।

অনুষ্ঠানে এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তি, ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ, সমাজসেবক এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত থেকে নামসংকীর্তনে অংশগ্রহণ করেন।

Please Share This Post in Your Social Media

চারিখাদা আতোষপাড়া, শলুয়া, বলরামপুরে ১৬ প্রহর নামযজ্ঞে লোকে লোকারণ্য

আপডেট: ০৭:৫৮:৪৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬

স্টাফ রিপোর্টার: নড়াইল সদর উপজেলার চারিখাদা গ্রামের আতোষপাড়ায় অনুষ্ঠিত ১৬ প্রহরব্যাপী হরিনাম সংকীর্তন ও নামযজ্ঞকে কেন্দ্র করে ভক্ত-অনুরাগীদের ঢলে এলাকা পরিণত হয়েছে লোকে লোকারণ্যে।

জেলার বিভিন্ন উপজেলা এবং আশপাশের জেলা থেকে হাজারো ধর্মপ্রাণ মানুষ এই আধ্যাত্মিক অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন।

ভোর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত হরিনাম সংকীর্তন, ধর্মীয় আলোচনা, প্রার্থনা ও প্রসাদ বিতরণের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানটি উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়। নারী, পুরুষ, শিশু ও প্রবীণ—সব বয়সের মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতিতে পুরো এলাকা মুখরিত হয়ে ওঠে।

আয়োজকরা জানান, সনাতন ধর্মের চিরন্তন আদর্শ, ভ্রাতৃত্ববোধ, মানবতা এবং সম্প্রীতির বার্তা ছড়িয়ে দিতেই প্রতিবছরের মতো এবারও এই ১৬ প্রহর নামযজ্ঞের আয়োজন করা হয়েছে।

স্থানীয় সুধীজনদের মতে, এমন ধর্মীয় আয়োজন মানুষের মধ্যে পারস্পরিক ভালোবাসা, সৌহার্দ্য ও সামাজিক বন্ধনকে আরও সুদৃঢ় করে। শান্তিপূর্ণ পরিবেশে সম্পন্ন হওয়া এই নামযজ্ঞ এলাকাবাসীর কাছে এক মিলনমেলায় পরিণত হয়েছে।

অনুষ্ঠানে এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তি, ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ, সমাজসেবক এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত থেকে নামসংকীর্তনে অংশগ্রহণ করেন।