১২:৪৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২০ মে ২০২৬

শার্শা সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ৪০ বোতল ভারতীয় ‘ESKUF’ সিরাপ জব্দ

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ১২:৪৮:০৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২০ মে ২০২৬
  • /

নিজস্ব প্রতিবেদক: যশোরের শার্শা সীমান্তে চোরাচালানবিরোধী অভিযানে ভারতীয় নিষিদ্ধ সিরাপ আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।

মঙ্গলবার (১৯ মে ২০২৬) খুলনা ব্যাটালিয়ন (২১ বিজিবি) এর অধীনস্থ অগ্রভূলাট বিওপির দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

অভিযানে ৪০ বোতল ভারতীয় ‘ESKUF’ সিরাপ জব্দ করা হয়, যার আনুমানিক সিজার মূল্য ১৬ হাজার টাকা বলে জানিয়েছে বিজিবি।

পরে আটককৃত মাদকদ্রব্য শার্শা থানায় মামলার আলামত হিসেবে হস্তান্তর করা হয়েছে।

খুলনা ব্যাটালিয়ন (২১ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোঃ নাফিজ ইমতিয়াজ আহসান জানান, সীমান্তে চোরাচালান ও মাদকপাচার রোধে বিজিবির গোয়েন্দা নজরদারি ও টহল কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে।

দীর্ঘদিন ধরে ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবেই এ ধরনের অভিযান পরিচালিত হচ্ছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

তিনি আরও বলেন, দেশের সীমান্ত এলাকায় মাদক ও চোরাচালান সম্পূর্ণভাবে বন্ধে বিজিবির অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং এ ধরনের অবৈধ কার্যক্রমের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

শার্শা সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ৪০ বোতল ভারতীয় ‘ESKUF’ সিরাপ জব্দ

আপডেট: ১২:৪৮:০৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২০ মে ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক: যশোরের শার্শা সীমান্তে চোরাচালানবিরোধী অভিযানে ভারতীয় নিষিদ্ধ সিরাপ আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।

মঙ্গলবার (১৯ মে ২০২৬) খুলনা ব্যাটালিয়ন (২১ বিজিবি) এর অধীনস্থ অগ্রভূলাট বিওপির দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

অভিযানে ৪০ বোতল ভারতীয় ‘ESKUF’ সিরাপ জব্দ করা হয়, যার আনুমানিক সিজার মূল্য ১৬ হাজার টাকা বলে জানিয়েছে বিজিবি।

পরে আটককৃত মাদকদ্রব্য শার্শা থানায় মামলার আলামত হিসেবে হস্তান্তর করা হয়েছে।

খুলনা ব্যাটালিয়ন (২১ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোঃ নাফিজ ইমতিয়াজ আহসান জানান, সীমান্তে চোরাচালান ও মাদকপাচার রোধে বিজিবির গোয়েন্দা নজরদারি ও টহল কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে।

দীর্ঘদিন ধরে ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবেই এ ধরনের অভিযান পরিচালিত হচ্ছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

তিনি আরও বলেন, দেশের সীমান্ত এলাকায় মাদক ও চোরাচালান সম্পূর্ণভাবে বন্ধে বিজিবির অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং এ ধরনের অবৈধ কার্যক্রমের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।