সুপ্রিম কোর্ট বার নির্বাচন : সভাপতি-সম্পাদকসহ ১৪ পদের ১৩টিতে বিএনপিপন্থী আইনজীবীদের জয়
- আপডেট: ১১:৩৮:৪৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬
- / ৫

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের ২০২৬-২৭ সেশনের নির্বাচনে বিএনপি সমর্থিত প্যানেলের জয়জয়কার। নির্বাচনে ১৪টি পদের মধ্যে সভাপতি ও সম্পাদকসহ ১৩টি পদেই বিজয়ী হয়েছেন জাতীয়তাবাদী আইনজীবী প্যানেলের প্রার্থীরা। অপরদিকে জামায়াত সমর্থিত প্যানেল পেয়েছে একটি পদ।
বৃহস্পতিবার (১৪ মে) দিবাগত রাত ২টার দিকে নির্বাচন পরিচালনা সংক্রান্ত উপকমিটির আহ্বায়ক জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মো. মিফতাহ উদ্দিন চৌধুরী ফলাফল ঘোষণা করেন।
ঘোষিত ফলাফলে দেখা যায়, সভাপতি পদে নীল প্যানেলের এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন দুই হাজার ৯৮৪ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী সবুজ প্যানেলের আবদুল বাতেন পেয়েছেন ৭৮৮ ভোট।
সম্পাদক পদে নীল প্যানেলের মোহাম্মদ আলী দুই হাজার ৫৮২ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। প্রতিদ্বন্দ্বী সবুজ প্যানেলের এ কে এম রেজাউল করিম খন্দকার পেয়েছেন ৭৮৬ ভোট।
সহ-সভাপতির দুটি পদে নির্বাচিত হয়েছেন নীল প্যানেলের মো. মাগফুর রহমান শেখ ও মো. শাহজাহান। কোষাধ্যক্ষ পদে জয় পেয়েছেন মো. জিয়াউর রহমান। সহ-সম্পাদক পদে নির্বাচিত হয়েছেন মাকসুদ উল্লাহ ও মোহাম্মদ শামসুল ইসলাম মুকুল।
সদস্য পদে নীল প্যানেল থেকে জয়ী হয়েছেন এইচ এম সানজিদ সিদ্দিকী, এ কে এম আজাদ হোসেন, ওয়াহিদ আফরোজ চৌধুরী, মো. কবির হোসেন, মো. জিয়া উদ্দিন মিয়া ও মো. টিপু সুলতান। অন্যদিকে সদস্যের একটি পদে জয় পেয়েছেন সবুজ প্যানেলের আজিম উদ্দিন পাটোয়ারী।
গত ১৩ ও ১৪ মে সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। মাঝখানে এক ঘণ্টার বিরতি ছিল। এবারের নির্বাচনে ১১ হাজার ৯৭ জন ভোটারের মধ্যে ভোট দেন ৪ হাজার ৪৮ জন।
এক বছর মেয়াদি কার্যনির্বাহী কমিটির ১৪টি পদের বিপরীতে এবার ৪০ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। পদগুলো হলো সভাপতি, দুইজন সহ-সভাপতি, সম্পাদক, কোষাধ্যক্ষ, দুইজন সহ-সম্পাদক এবং সাতজন সদস্য।
সমিতির নির্বাচন নির্দলীয় হিসেবে পরিচিত হলেও বরাবরের মতো এবারও রাজনৈতিক সমর্থনভিত্তিক প্যানেলে বিভক্ত হয়ে ভোট অনুষ্ঠিত হয়। তবে সমিতির ইতিহাসে প্রথমবারের মতো আওয়ামী লীগ–সমর্থিত আইনজীবীরা (সাদা প্যানেল) নির্বাচনে অংশ নিতে পারেননি।রাজনৈতিক কৌশল পরামর্শ
এর আগে ২৬ এপ্রিল অনুষ্ঠিত বিশেষ সাধারণ সভায় (ইজিএম) দলীয় কার্যক্রম নিষিদ্ধ হওয়ার প্রেক্ষাপটে আওয়ামীপন্থী আইনজীবীদের নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করার বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়।
























