যশোরে অবৈধ দখল এবং অপরিকল্পিত স্থাপনায় বেত্রাবতী এখন মৃত প্রায়
- আপডেট: ০৯:৪৪:৫৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬
- / ১

স্টাফ রিপোর্টার : অবৈধ দখল এবং অপরিকল্পিত স্থাপনার কারণে দেশের বিভিন্ন নদীর মতোই বেত্রাবতী নদী আজ মৃতপ্রায়।
যশোর ও আশেপাশের অঞ্চলের এক সময়ের প্রবহমান এই নদীটি এখন তার নাব্যতা ও অস্তিত্ব হারিয়ে ফেলছে। যা দেখার কেউ নাই।
যশোরের শার্শা এবং ঝিকরগাছা দুই উপজেলার বুক চিরে বয়ে গেছে বেত্রাবতী নদী। যা স্থানীয়দের কাছে বেতনা নদী নামে পরিচিত। অতীতে ভরা যৌবন থাকলেও বেতনা এখন মৃত নদী।
স্থানীয় বয়োজ্যেষ্ঠ মানুষের কাছে গল্প শুনলে জানা যায় এক সময় দক্ষিণাঞ্চলের সাথে যশোরের ঝিকরগাছা ও শার্শা উপজেলার মানুষের এই নদী কেন্দ্র করে চলত ব্যবসা- বাণিজ্য। এই বেত্রাবতী নদীকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠে দুই উপজেলায় অসংখ্য গ্রামীন হাট বাজার। কিন্তু এই হাট বাজার গুলোই এখন নদীর গলার কাঁটা হয়ে দাঁড়িয়েছে।ঝিকরগাছা উপজেলার হাজিরবাগ ইউনিয়নের কুল্ল্যা বাজারে যেন তারই চিত্র ফুটে উঠেছে। নদী দখল করে নির্মাণ করেছে বিল্ডিং ও দালানকোঠা।
আরও জানা গেছে, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে স্থানীয় আওয়ামী লীগের মুষ্টিমেয় কিছু নেতা এই বাজারের বিভিন্ন সরকারি খাস জমি ও নদী দখল করে দোকান ঘর নির্মাণ করে ভাড়া দিয়ে রেখেছে যা এখনো বহাল তবিয়াতে আছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্যক্তি বলেন, কুল্ল্যা গ্রামের আতিয়ার মেম্বার ও তার সহযোগী আবজেল, ফারুক, শওকত, সামাদ’রা অবৈধভাবে নদী দখল করে দোকান নির্মাণ করে ভাড়া দিয়ে রেখেছে। কিন্তু তাদের সামনে প্রকাশ্যে কেউ কিছু বলার সাহস রাখেনা। তাদের বিরুদ্ধে মুখ খুললে তার পরিস্থিতি হবে ভয়ানক এবং প্রাণনাশেরও হুমকি রয়েছে।
এদিকে দখলদারদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা না নেওয়ায় নদী উদ্ধারের কাজ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।
নদীটি বাঁচিয়ে রাখতে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ এবং নিয়মিত ড্রেজিং বা খনন কাজ করা অত্যন্ত জরুরি বলে মনে করেন এলাকার সচেতন মহল।





















