১২:০০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৯ এপ্রিল ২০২৬

৪৭তম জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহে খাগড়াছড়িতে শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতার দ্যুতি

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ১১:৩৪:৪০ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ এপ্রিল ২০২৬
  • /

খোকন বিকাশ ত্রিপুরা জ্যাক, খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি:
“উদ্ভাবননির্ভর বাংলাদেশ গঠনে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি”-এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে খাগড়াছড়িতে বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে ২ দিনব্যাপী ৪৭তম জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ ও বিজ্ঞান মেলা।

সদর উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে এবং জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি জাদুঘরের সহযোগিতায় আয়োজিত এ মেলা রূপ নেয় তরুণ উদ্ভাবকদের প্রাণবন্ত মিলনমেলায়।

মঙ্গলবার সকালে খাগড়াছড়ি সদর উপজেলা অডিটোরিয়ামে মেলার শুভ উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারিয়া সুলতানা। উদ্বোধনী বক্তব্যে তিনি বলেন, “বিজ্ঞানভিত্তিক জ্ঞান ও উদ্ভাবনী চিন্তাধারাই একটি দেশের অগ্রগতির মূল চালিকাশক্তি। এ ধরনের আয়োজন শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।”

দুইদিনব্যাপী এ মেলায় সদর উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা অংশ নিয়ে তাদের উদ্ভাবনী প্রকল্প প্রদর্শন করে। বিজ্ঞান অলিম্পিয়াড ও কুইজ প্রতিযোগিতা শিক্ষার্থীদের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা সৃষ্টি করে এবং পুরো আয়োজনকে করে তোলে আরও প্রাণবন্ত।

বুধবার আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণীর মধ্য দিয়ে শেষ হয় এ আয়োজন। বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয় এবং অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করা হয় ভবিষ্যতে আরও বড় পরিসরে কাজ করার জন্য।

এবারের মেলায় সদর উপজেলার ৯টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা ১৫টি ভিন্নধর্মী প্রজেক্ট উপস্থাপন করে। প্রযুক্তিনির্ভর সমাধান, পরিবেশবান্ধব উদ্ভাবন এবং দৈনন্দিন সমস্যার বাস্তবসম্মত সমাধান তুলে ধরা এসব প্রজেক্ট দর্শনার্থীদের দৃষ্টি কাড়ে এবং প্রশংসা অর্জন করে।

আয়োজকরা জানান, বিজ্ঞানচর্চাকে জনপ্রিয় করে তোলা এবং নতুন প্রজন্মকে প্রযুক্তিনির্ভর উদ্ভাবনে আগ্রহী করে তোলাই এ আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য। শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ প্রমাণ করে, খাগড়াছড়ির তরুণ সমাজ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে এগিয়ে যাওয়ার জন্য প্রস্তুত।

মেলা ঘিরে অডিটোরিয়াম প্রাঙ্গণ ছিল উৎসবমুখর। শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিভাবক ও দর্শনার্থীদের উপস্থিতিতে মুখর হয়ে ওঠে পুরো পরিবেশ। সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, এ ধরনের আয়োজন আগামী দিনে আরও বিস্তৃত হবে এবং এখান থেকেই উঠে আসবে দেশের ভবিষ্যৎ বিজ্ঞানী ও উদ্ভাবকরা।

Please Share This Post in Your Social Media

৪৭তম জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহে খাগড়াছড়িতে শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতার দ্যুতি

আপডেট: ১১:৩৪:৪০ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ এপ্রিল ২০২৬

খোকন বিকাশ ত্রিপুরা জ্যাক, খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি:
“উদ্ভাবননির্ভর বাংলাদেশ গঠনে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি”-এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে খাগড়াছড়িতে বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে ২ দিনব্যাপী ৪৭তম জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ ও বিজ্ঞান মেলা।

সদর উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে এবং জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি জাদুঘরের সহযোগিতায় আয়োজিত এ মেলা রূপ নেয় তরুণ উদ্ভাবকদের প্রাণবন্ত মিলনমেলায়।

মঙ্গলবার সকালে খাগড়াছড়ি সদর উপজেলা অডিটোরিয়ামে মেলার শুভ উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারিয়া সুলতানা। উদ্বোধনী বক্তব্যে তিনি বলেন, “বিজ্ঞানভিত্তিক জ্ঞান ও উদ্ভাবনী চিন্তাধারাই একটি দেশের অগ্রগতির মূল চালিকাশক্তি। এ ধরনের আয়োজন শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।”

দুইদিনব্যাপী এ মেলায় সদর উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা অংশ নিয়ে তাদের উদ্ভাবনী প্রকল্প প্রদর্শন করে। বিজ্ঞান অলিম্পিয়াড ও কুইজ প্রতিযোগিতা শিক্ষার্থীদের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা সৃষ্টি করে এবং পুরো আয়োজনকে করে তোলে আরও প্রাণবন্ত।

বুধবার আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণীর মধ্য দিয়ে শেষ হয় এ আয়োজন। বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয় এবং অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করা হয় ভবিষ্যতে আরও বড় পরিসরে কাজ করার জন্য।

এবারের মেলায় সদর উপজেলার ৯টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা ১৫টি ভিন্নধর্মী প্রজেক্ট উপস্থাপন করে। প্রযুক্তিনির্ভর সমাধান, পরিবেশবান্ধব উদ্ভাবন এবং দৈনন্দিন সমস্যার বাস্তবসম্মত সমাধান তুলে ধরা এসব প্রজেক্ট দর্শনার্থীদের দৃষ্টি কাড়ে এবং প্রশংসা অর্জন করে।

আয়োজকরা জানান, বিজ্ঞানচর্চাকে জনপ্রিয় করে তোলা এবং নতুন প্রজন্মকে প্রযুক্তিনির্ভর উদ্ভাবনে আগ্রহী করে তোলাই এ আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য। শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ প্রমাণ করে, খাগড়াছড়ির তরুণ সমাজ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে এগিয়ে যাওয়ার জন্য প্রস্তুত।

মেলা ঘিরে অডিটোরিয়াম প্রাঙ্গণ ছিল উৎসবমুখর। শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিভাবক ও দর্শনার্থীদের উপস্থিতিতে মুখর হয়ে ওঠে পুরো পরিবেশ। সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, এ ধরনের আয়োজন আগামী দিনে আরও বিস্তৃত হবে এবং এখান থেকেই উঠে আসবে দেশের ভবিষ্যৎ বিজ্ঞানী ও উদ্ভাবকরা।