১১:৪৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৬

চুড়ারগাতী গ্রামের নির্মল বিশ্বাসের বসত বাড়ি জোরপূর্বক দখল করে বসবাস করার অভিযোগ উঠেছে 

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ১১:৪৩:৩০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ এপ্রিল ২০২৬
  • /

শালিখা (মাগুরা) প্রতিনিধি লক্ষণ কুমার মন্ডল।
মাগুরা মহম্মদপুর উপজেলার বাবুখালী ইউনিয়নের চুড়ারগাতী গ্রামের তালতলা বাজারের পাশে নির্মল বিশ্বাসের বসত বাড়ি দখল করে বসবাস করার অভিযোগ উঠেছে একই গ্রামের আসাদ কাজীর বিরুদ্ধে। শুক্রবার ৩ এপ্রিল দুপুর ১২.৩০ টার সময় বড় উদাস গ্রামের ধীরেন বালার কন্যা চিন্তা রাণী বিশ্বাসের (৩৮) সাথে সরাসরি কথা বলে জানা যায় এই ঘটনা।

চুড়ারগাতী গ্রামের শামছেল কাজীর পুত্র কৃষক আসাদ কাজী মাস কয়েক পূর্বে চিন্তা রাণী বিশ্বাস ও নির্মল বিশ্বাসের বসতবাড়ি দখল করে নিয়েছে।

চিন্তা রাণী বিশ্বাস জানান, চুড়ারগাতি গ্রামে হিন্দু ও মুসলমান এইসব লোকের কাছে সুদে টাকা নিয়ে ছিলাম তাদের টাকা শোধ করার জন্য আমার স্বামী ও পুত্র নিয়ে ময়মনসিংহ জেলায় কাজ করতে গিয়ে ছিলাম। সুদে কারবারি চুড়ারগাতি গ্রামের দিদাল, অরুণ বৈরাগী, সঞ্জয় বিশ্বাস, আকিদুল, কবির, কুলিপাড়া গ্রামের সুধাংশু এদের কাছে থেকে টাকা নেওয়া হয়ে ছিলো কিন্তু কোন স্ট্যাম্প বা লিখিত কাগজ পত্র ছাড়া। ছয় মাসে লাখে ১৬ হাজার টাকা দিতে হবে এই মৌখিক শর্তে। মাঠের জমি বিক্রি করে গ্রামীণ ব্যাংক, ব্র্যাক, আশা এনজিও এবং বিনোদপুর সমিতি ১২ লাখ টাকা শোধ করি এবং সুদে কারবারিদের ১৩ লাখ টাকা শোধ করি। মাত্র ১৩ শতক বসতভিটা বাড়ি ছাড়া আমাদের আর কিছু নেই কিন্তু আমার ভাসুর নিমাই বিশ্বাস, কালা বিশ্বাস, শিমুল, সবিতা মিলে এই আসাদ কাজী কে লেলিয়ে দিয়ে বসত বাড়িতে উঠাই দিয়েছে আর সবিতা ও নিমাই মিলে সুদে কারবারিদের লেলিয়ে দিয়েছে। আমরা এখন বাইরে আশ্রয় নিয়েছি বাবার বাড়ি। আমি তো আমার বসতবাড়ি কারোর কাছে বিক্রি করেনি তাই মাগুরা প্রশাসনের মাধ্যমে আমার বসতবাড়ি ফেরত পেতে চায় আর আসাদ কাজী আমার কাছে কোন টাকা পাবে না এবং কোন দেনা দায়িক নাই। পেল্টু আমার বাপের বাড়ি এসে অনেক হুমকি ধামকি ও ভয়ভীতি দেয় আর লাবনী অনেক সিটার মেয়ে। নিমাই বিশ্বাস আমাদের লাশ করে বস্তায় ভরে নদীতে ফেলে দিবে এটা আমার স্বামী কে বললে আমরা ভয়ে বাড়ি থেকে ময়মনসিংহ চলে যায়।

নির্মল বিশ্বাস বলেন, আমি বাইরের জেলায় কাজ করতে গিয়েছি এই ফাঁকে আমার দাদা-বৌদী মানুষ লেলিয়ে দিয়ে আসাদ কাজীর দিয়ে আমার বসতবাড়ি দখল করায়েছে। এর আগে এই জমি জমা ও বসতবাড়ি দখল নিয়ে মহম্মদপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে গেলে ওসি অভিযোগ নেয়নি। আমি সুষ্ঠু বিচার দাবি করি এবং বসতবাড়ি ফিরে পেতে চাই।

এবিষয়ে নিমাই বিশ্বাস জানান, আমার ছোট ভাই নির্মল বিশ্বাস একটা বাজে স্বভাবের মানুষ, তার বৌ আর সে গ্রামের অনেক লোকজনের কাছে দেনা দায়িক আছে। আর আসাদ বসতবাড়ি দখল করেছে। আর তাছাড়া ভালো করে জানিনা আমি কিছু আর আমি এখন ফরিদপুর জেলায় আছি। ওরা মনে হয় বসতবাড়ি বিক্রি করে দিয়েছি মনে হচ্ছে, তবে রেজিস্ট্রি হয়নি। আর আমার কাছে থেকেও ১৭-২০ লাখ টাকা নিয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

চুড়ারগাতী গ্রামের নির্মল বিশ্বাসের বসত বাড়ি জোরপূর্বক দখল করে বসবাস করার অভিযোগ উঠেছে 

আপডেট: ১১:৪৩:৩০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ এপ্রিল ২০২৬

শালিখা (মাগুরা) প্রতিনিধি লক্ষণ কুমার মন্ডল।
মাগুরা মহম্মদপুর উপজেলার বাবুখালী ইউনিয়নের চুড়ারগাতী গ্রামের তালতলা বাজারের পাশে নির্মল বিশ্বাসের বসত বাড়ি দখল করে বসবাস করার অভিযোগ উঠেছে একই গ্রামের আসাদ কাজীর বিরুদ্ধে। শুক্রবার ৩ এপ্রিল দুপুর ১২.৩০ টার সময় বড় উদাস গ্রামের ধীরেন বালার কন্যা চিন্তা রাণী বিশ্বাসের (৩৮) সাথে সরাসরি কথা বলে জানা যায় এই ঘটনা।

চুড়ারগাতী গ্রামের শামছেল কাজীর পুত্র কৃষক আসাদ কাজী মাস কয়েক পূর্বে চিন্তা রাণী বিশ্বাস ও নির্মল বিশ্বাসের বসতবাড়ি দখল করে নিয়েছে।

চিন্তা রাণী বিশ্বাস জানান, চুড়ারগাতি গ্রামে হিন্দু ও মুসলমান এইসব লোকের কাছে সুদে টাকা নিয়ে ছিলাম তাদের টাকা শোধ করার জন্য আমার স্বামী ও পুত্র নিয়ে ময়মনসিংহ জেলায় কাজ করতে গিয়ে ছিলাম। সুদে কারবারি চুড়ারগাতি গ্রামের দিদাল, অরুণ বৈরাগী, সঞ্জয় বিশ্বাস, আকিদুল, কবির, কুলিপাড়া গ্রামের সুধাংশু এদের কাছে থেকে টাকা নেওয়া হয়ে ছিলো কিন্তু কোন স্ট্যাম্প বা লিখিত কাগজ পত্র ছাড়া। ছয় মাসে লাখে ১৬ হাজার টাকা দিতে হবে এই মৌখিক শর্তে। মাঠের জমি বিক্রি করে গ্রামীণ ব্যাংক, ব্র্যাক, আশা এনজিও এবং বিনোদপুর সমিতি ১২ লাখ টাকা শোধ করি এবং সুদে কারবারিদের ১৩ লাখ টাকা শোধ করি। মাত্র ১৩ শতক বসতভিটা বাড়ি ছাড়া আমাদের আর কিছু নেই কিন্তু আমার ভাসুর নিমাই বিশ্বাস, কালা বিশ্বাস, শিমুল, সবিতা মিলে এই আসাদ কাজী কে লেলিয়ে দিয়ে বসত বাড়িতে উঠাই দিয়েছে আর সবিতা ও নিমাই মিলে সুদে কারবারিদের লেলিয়ে দিয়েছে। আমরা এখন বাইরে আশ্রয় নিয়েছি বাবার বাড়ি। আমি তো আমার বসতবাড়ি কারোর কাছে বিক্রি করেনি তাই মাগুরা প্রশাসনের মাধ্যমে আমার বসতবাড়ি ফেরত পেতে চায় আর আসাদ কাজী আমার কাছে কোন টাকা পাবে না এবং কোন দেনা দায়িক নাই। পেল্টু আমার বাপের বাড়ি এসে অনেক হুমকি ধামকি ও ভয়ভীতি দেয় আর লাবনী অনেক সিটার মেয়ে। নিমাই বিশ্বাস আমাদের লাশ করে বস্তায় ভরে নদীতে ফেলে দিবে এটা আমার স্বামী কে বললে আমরা ভয়ে বাড়ি থেকে ময়মনসিংহ চলে যায়।

নির্মল বিশ্বাস বলেন, আমি বাইরের জেলায় কাজ করতে গিয়েছি এই ফাঁকে আমার দাদা-বৌদী মানুষ লেলিয়ে দিয়ে আসাদ কাজীর দিয়ে আমার বসতবাড়ি দখল করায়েছে। এর আগে এই জমি জমা ও বসতবাড়ি দখল নিয়ে মহম্মদপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে গেলে ওসি অভিযোগ নেয়নি। আমি সুষ্ঠু বিচার দাবি করি এবং বসতবাড়ি ফিরে পেতে চাই।

এবিষয়ে নিমাই বিশ্বাস জানান, আমার ছোট ভাই নির্মল বিশ্বাস একটা বাজে স্বভাবের মানুষ, তার বৌ আর সে গ্রামের অনেক লোকজনের কাছে দেনা দায়িক আছে। আর আসাদ বসতবাড়ি দখল করেছে। আর তাছাড়া ভালো করে জানিনা আমি কিছু আর আমি এখন ফরিদপুর জেলায় আছি। ওরা মনে হয় বসতবাড়ি বিক্রি করে দিয়েছি মনে হচ্ছে, তবে রেজিস্ট্রি হয়নি। আর আমার কাছে থেকেও ১৭-২০ লাখ টাকা নিয়েছে।