০৩:০৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬

চট্টগ্রাম বন্দরে ২৭ জাহাজের জ্বালানি খালাস, আরও তিনটি প্রক্রিয়ায়, চারটি ভেড়ার অপেক্ষায়

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০২:৩৩:১৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ মার্চ ২০২৬
  • / ২৭

গ্রামের সংবাদ ডেস্ক : তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি), এলপিজি ও তেলবাহী তিনটি জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে তেল খালাসের প্রকিয়ায় যাচ্ছে। আরও চারটি জাহাজ বন্দরের বেড়ার অপেক্ষায়। বন্দর ও বিভিন্ন মাধ্যমে এসব তথ্য জানা গেছে।

ইরানে ইসরাইল-মার্কিন হামলা শুরুর পর গতকাল বৃহস্পতিবার পর্যন্ত মোট ৩৪টি জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙর ও জেটিতে অবস্থান করে তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করেছে। এর মধ্যে ২৭টি জাহাজ পণ্য খালাস শেষে বন্দর ছেড়ে গেছে।

বর্তমানে তিনটি জাহাজ সরাসরি খালাস প্রক্রিয়ায় যুক্ত রয়েছে। এর মধ্যে ওমান থেকে আসা জাহাজ বিডব্লিউইকে বর্নহোম (এলপিজি) সীতাকুণ্ড পয়েন্টে অবস্থান করছে।

থাইল্যান্ড থেকে আসা জাহাজ এবি অলিভিয়া (বেইস অয়েল) বন্দরের ডিওজে/৪ জেটিতে অবস্থান করছে। আর কুতুবদিয়া পয়েন্টে অবস্থান করছে সিঙ্গাপুর থেকে আসা গ্রান কুভা (গ্যাস অয়েল) জাহাজটি।

আগামী কয়েক দিনে আরও চারটি বড় জাহাজ বন্দরে ভিড়বে বলে জানা গেছে। এর মধ্যে রয়েছে কাতার থেকে আসা এইচএল পাফিন (এলএনজি), ইন্দোনেশিয়া থেকে আসা নিউ ব্রেভ (এলএনজি) আজ বন্দরে পৌঁছতে পারে। সিঙ্গাপুর থেকে আসা জাহাজ পিভিটি সোলানা (গ্যাস অয়েল) আগামী ৩১ মার্চ পৌঁছার কথা।

এ ছাড়া আগামী ৪ এপ্রিল বন্দরে পৌঁছাবে যুক্তরাষ্ট্র থেকে আসা বিশাল জাহাজ সেলসিয়াস গ্যালাপাগোস (এলএনজি)।

এসব জাহাজে দেশের বিদ্যুৎকেন্দ্র, শিল্প-কারখানা ও গৃহস্থালি ব্যবহারের জন্য প্রয়োজনীয় গ্যাস ও জ্বালানি তেল রয়েছে।

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সচিব সৈয়দ রেফায়েত হামিম গণমাধ্যমকে বলেন, ‘জ্বালানি পণ্যবাহী জাহাজগুলোকে আমরা অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বার্থিং সুবিধা দিচ্ছি।

বন্দর সূত্র উদ্ধৃত করে একটি গণমাধ্যম জানায়, ইরান যুদ্ধের প্রভাবে দেশের বর্তমান জ্বালানি পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে বন্দরের অপারেশনাল কার্যক্রম ২৪ ঘণ্টা চালু থাকছে।

Please Share This Post in Your Social Media

চট্টগ্রাম বন্দরে ২৭ জাহাজের জ্বালানি খালাস, আরও তিনটি প্রক্রিয়ায়, চারটি ভেড়ার অপেক্ষায়

আপডেট: ০২:৩৩:১৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ মার্চ ২০২৬

গ্রামের সংবাদ ডেস্ক : তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি), এলপিজি ও তেলবাহী তিনটি জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে তেল খালাসের প্রকিয়ায় যাচ্ছে। আরও চারটি জাহাজ বন্দরের বেড়ার অপেক্ষায়। বন্দর ও বিভিন্ন মাধ্যমে এসব তথ্য জানা গেছে।

ইরানে ইসরাইল-মার্কিন হামলা শুরুর পর গতকাল বৃহস্পতিবার পর্যন্ত মোট ৩৪টি জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙর ও জেটিতে অবস্থান করে তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করেছে। এর মধ্যে ২৭টি জাহাজ পণ্য খালাস শেষে বন্দর ছেড়ে গেছে।

বর্তমানে তিনটি জাহাজ সরাসরি খালাস প্রক্রিয়ায় যুক্ত রয়েছে। এর মধ্যে ওমান থেকে আসা জাহাজ বিডব্লিউইকে বর্নহোম (এলপিজি) সীতাকুণ্ড পয়েন্টে অবস্থান করছে।

থাইল্যান্ড থেকে আসা জাহাজ এবি অলিভিয়া (বেইস অয়েল) বন্দরের ডিওজে/৪ জেটিতে অবস্থান করছে। আর কুতুবদিয়া পয়েন্টে অবস্থান করছে সিঙ্গাপুর থেকে আসা গ্রান কুভা (গ্যাস অয়েল) জাহাজটি।

আগামী কয়েক দিনে আরও চারটি বড় জাহাজ বন্দরে ভিড়বে বলে জানা গেছে। এর মধ্যে রয়েছে কাতার থেকে আসা এইচএল পাফিন (এলএনজি), ইন্দোনেশিয়া থেকে আসা নিউ ব্রেভ (এলএনজি) আজ বন্দরে পৌঁছতে পারে। সিঙ্গাপুর থেকে আসা জাহাজ পিভিটি সোলানা (গ্যাস অয়েল) আগামী ৩১ মার্চ পৌঁছার কথা।

এ ছাড়া আগামী ৪ এপ্রিল বন্দরে পৌঁছাবে যুক্তরাষ্ট্র থেকে আসা বিশাল জাহাজ সেলসিয়াস গ্যালাপাগোস (এলএনজি)।

এসব জাহাজে দেশের বিদ্যুৎকেন্দ্র, শিল্প-কারখানা ও গৃহস্থালি ব্যবহারের জন্য প্রয়োজনীয় গ্যাস ও জ্বালানি তেল রয়েছে।

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সচিব সৈয়দ রেফায়েত হামিম গণমাধ্যমকে বলেন, ‘জ্বালানি পণ্যবাহী জাহাজগুলোকে আমরা অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বার্থিং সুবিধা দিচ্ছি।

বন্দর সূত্র উদ্ধৃত করে একটি গণমাধ্যম জানায়, ইরান যুদ্ধের প্রভাবে দেশের বর্তমান জ্বালানি পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে বন্দরের অপারেশনাল কার্যক্রম ২৪ ঘণ্টা চালু থাকছে।