০২:৪৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬

হরমুজ প্রণালিতে যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন করছে ফ্রান্স: রয়টার্স

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০১:৩৭:৫০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬
  • / ২৭

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনার মধ্যে ভূমধ্যসাগর, লোহিত সাগর এবং জ্বালানি পরিবহনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালিতে যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন করছে ফ্রান্স। একই সঙ্গে বাণিজ্যিক জাহাজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সম্ভাব্য একটি নৌ-এস্কর্ট মিশনের প্রস্তুতিও নিচ্ছে দেশটি।

সাইপ্রাস সফরকালে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ এসব তথ্য জানিয়েছেন।

ম্যাক্রোঁ বলেন, ফ্রান্স প্রায় এক ডজন নৌযান ওই অঞ্চলে মোতায়েন করছে। এর মধ্যে থাকবে আটটি যুদ্ধজাহাজ, একটি বিমানবাহী রণতরী বহর এবং দুটি হেলিকপ্টারবাহী জাহাজ।

তিনি বলেন, ‘আমাদের লক্ষ্য সম্পূর্ণ প্রতিরক্ষামূলক অবস্থান বজায় রাখা। ইরানের পাল্টা হামলার শিকার হওয়া দেশগুলোর পাশে দাঁড়িয়ে বিশ্বাসযোগ্যতা বজায় রাখা এবং আঞ্চলিক উত্তেজনা কমাতে ভূমিকা রাখা।’

তিনি আরও বলেন, শেষ পর্যন্ত সমুদ্রপথে চলাচলের স্বাধীনতা ও সামুদ্রিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই ফ্রান্সের উদ্দেশ্য।

বর্তমানে এ অঞ্চলে ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রধান নৌ কার্যক্রম ‘অ্যাসপিডিস’ মিশন। গ্রিক ভাষায় যার অর্থ ‘ঢাল’। ২০২৪ সালের শুরুতে গাজা যুদ্ধের সময় ইরান-সমর্থিত হুথি বিদ্রোহীদের হামলা থেকে জাহাজগুলোকে সুরক্ষা দিতে লোহিত সাগরে এই নৌ মিশন শুরু করা হয়।

এই মিশনে ইতিমধ্যে ফরাসি নৌবাহিনীর একটি যুদ্ধজাহাজ রয়েছে। ম্যাক্রোঁ জানান, সেখানে ফ্রান্সের যুদ্ধজাহাজের সংখ্যা বাড়িয়ে দুটি করা হবে।

তিনি বলেন, ইউরোপীয় ও অন্যান্য অংশীদার দেশের সঙ্গে মিলে একটি “সম্পূর্ণ প্রতিরক্ষামূলক ও এসকর্টভিত্তিক মিশন” গঠনের প্রক্রিয়া চলছে।

তার ভাষায়, সংঘাতের তীব্র পর্যায় শেষ হলে যত দ্রুত সম্ভব কনটেইনার জাহাজ ও তেলবাহী ট্যাংকারকে নিরাপত্তা দিয়ে হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচল ধীরে ধীরে পুনরায় চালু করাই এই উদ্যোগের লক্ষ্য।

Please Share This Post in Your Social Media

হরমুজ প্রণালিতে যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন করছে ফ্রান্স: রয়টার্স

আপডেট: ০১:৩৭:৫০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনার মধ্যে ভূমধ্যসাগর, লোহিত সাগর এবং জ্বালানি পরিবহনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালিতে যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন করছে ফ্রান্স। একই সঙ্গে বাণিজ্যিক জাহাজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সম্ভাব্য একটি নৌ-এস্কর্ট মিশনের প্রস্তুতিও নিচ্ছে দেশটি।

সাইপ্রাস সফরকালে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ এসব তথ্য জানিয়েছেন।

ম্যাক্রোঁ বলেন, ফ্রান্স প্রায় এক ডজন নৌযান ওই অঞ্চলে মোতায়েন করছে। এর মধ্যে থাকবে আটটি যুদ্ধজাহাজ, একটি বিমানবাহী রণতরী বহর এবং দুটি হেলিকপ্টারবাহী জাহাজ।

তিনি বলেন, ‘আমাদের লক্ষ্য সম্পূর্ণ প্রতিরক্ষামূলক অবস্থান বজায় রাখা। ইরানের পাল্টা হামলার শিকার হওয়া দেশগুলোর পাশে দাঁড়িয়ে বিশ্বাসযোগ্যতা বজায় রাখা এবং আঞ্চলিক উত্তেজনা কমাতে ভূমিকা রাখা।’

তিনি আরও বলেন, শেষ পর্যন্ত সমুদ্রপথে চলাচলের স্বাধীনতা ও সামুদ্রিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই ফ্রান্সের উদ্দেশ্য।

বর্তমানে এ অঞ্চলে ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রধান নৌ কার্যক্রম ‘অ্যাসপিডিস’ মিশন। গ্রিক ভাষায় যার অর্থ ‘ঢাল’। ২০২৪ সালের শুরুতে গাজা যুদ্ধের সময় ইরান-সমর্থিত হুথি বিদ্রোহীদের হামলা থেকে জাহাজগুলোকে সুরক্ষা দিতে লোহিত সাগরে এই নৌ মিশন শুরু করা হয়।

এই মিশনে ইতিমধ্যে ফরাসি নৌবাহিনীর একটি যুদ্ধজাহাজ রয়েছে। ম্যাক্রোঁ জানান, সেখানে ফ্রান্সের যুদ্ধজাহাজের সংখ্যা বাড়িয়ে দুটি করা হবে।

তিনি বলেন, ইউরোপীয় ও অন্যান্য অংশীদার দেশের সঙ্গে মিলে একটি “সম্পূর্ণ প্রতিরক্ষামূলক ও এসকর্টভিত্তিক মিশন” গঠনের প্রক্রিয়া চলছে।

তার ভাষায়, সংঘাতের তীব্র পর্যায় শেষ হলে যত দ্রুত সম্ভব কনটেইনার জাহাজ ও তেলবাহী ট্যাংকারকে নিরাপত্তা দিয়ে হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচল ধীরে ধীরে পুনরায় চালু করাই এই উদ্যোগের লক্ষ্য।