০৮:৫৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬

দেশের এক ইঞ্চি মাটিও ছাড় দেওয়া হবে না: বিজিবি মহাপরিচালক

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ১২:০০:২৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ জুলাই ২০২৫
  • / ১০০

নিজস্ব প্রতিবেদক: বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) মহাপরিচালক (ডিজি) মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী বলেছেন, দেশ মাতৃকার অখণ্ডতা রক্ষায় নবীন সৈনিকেরা প্রয়োজনে তাদের জীবন দেবে, তবু দেশের এক ইঞ্চি মাটি হাতছাড়া হতে দেবে না।

তিনি বলেছেন, নবীন সৈনিকেরা কখনো দেশবাসীকে হতাশ ও নিরাশ করবে না। তাদের দেওয়া নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তাই দেশের মানুষের নির্বিঘ্ন ঘুম নিশ্চিত করবে।

বৃহস্পতিবার (১০ জুলাই-২০২৫) চট্টগ্রামের সাতকানিয়ার বায়তুল ইজ্জতে বর্ডার গার্ড ট্রেনিং সেন্টার অ্যান্ড কলেজে বিজিবির ১০৩তম রিক্রুট ব্যাচের সমাপনী কুচকাওয়াজে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন বিজিবি মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মো. আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী।

তিনি বলেন, “দেশ মাতৃকার অখণ্ডতা রক্ষায় বিজিবি সদা প্রস্তুত। আমাদের নবীন সৈনিকরা দেশবাসীর বিশ্বাস ও আস্থার প্রতীক হয়ে উঠবে। তাদের নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তাই জনগণের শান্তির নিশ্চয়তা দেবে।”

অনুষ্ঠানে বিজিটিসিএন্ডসির কমান্ড্যান্ট ব্রিগেডিয়ার জেনারেল গাজী নাহিদুজ্জামানসহ সামরিক-বেসামরিক প্রশাসনের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সকাল সাড়ে ৯টায় মহাপরিচালককে গার্ড অব অনার প্রদানের মাধ্যমে শুরু হয় কুচকাওয়াজ। শপথ গ্রহণ শেষে সশস্ত্র কুচকাওয়াজে অংশ নেয় নবীন সৈনিকরা।

বিজিবি ডিজি আরও বলেন, “সীমান্তের অতন্দ্র প্রহরী খ্যাত বিজিবি দেশের ৪ হাজার ৪২৭ কিলোমিটার সীমান্তে নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে। মাদক, অস্ত্র ও চোরাচালান রোধে বিজিবি দক্ষতার পরিচয় দিচ্ছে।”

তিনি নবীন সৈনিকদের শৃঙ্খলা, সততা ও পেশাগত দক্ষতার গুরুত্ব স্মরণ করিয়ে দিয়ে বলেন, “শৃঙ্খলা সৈনিক জীবনের অলংকার। আদেশ পালনে যারা কখনো পিছপা হয় না, তারাই প্রকৃত সৈনিক।”

নারী সৈনিকদের উদ্দেশেও তিনি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দেন। তিনি বলেন, স্বাধীনতা সংগ্রামে নারীদের অবদান অবিস্মরণীয়। নবীন নারী সৈনিকদের সততা ও দক্ষতার মাধ্যমে বিজিবিকে আরও শক্তিশালী বাহিনী হিসেবে গড়ে তোলার আহ্বান জানান তিনি।

অনুষ্ঠানে কুচকাওয়াজের শেষে সেরা রিক্রুটদের হাতে ক্রেস্ট তুলে দেন বিজিবি মহাপরিচালক। এরপর অনুষ্ঠিত হয় আকর্ষণীয় ট্রিক ড্রিল ও ব্যান্ড ডিসপ্লে।

প্রসঙ্গত, গত ২৬ জানুয়ারি শুরু হওয়া এই ব্যাচে ৬৯৪ জন রিক্রুট (পুরুষ ৬৫৮, নারী ৩৬) দীর্ঘ ২৪ সপ্তাহের কঠোর প্রশিক্ষণ শেষে আনুষ্ঠানিকভাবে সৈনিক জীবনে প্রবেশ করল।

Please Share This Post in Your Social Media

দেশের এক ইঞ্চি মাটিও ছাড় দেওয়া হবে না: বিজিবি মহাপরিচালক

আপডেট: ১২:০০:২৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ জুলাই ২০২৫

নিজস্ব প্রতিবেদক: বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) মহাপরিচালক (ডিজি) মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী বলেছেন, দেশ মাতৃকার অখণ্ডতা রক্ষায় নবীন সৈনিকেরা প্রয়োজনে তাদের জীবন দেবে, তবু দেশের এক ইঞ্চি মাটি হাতছাড়া হতে দেবে না।

তিনি বলেছেন, নবীন সৈনিকেরা কখনো দেশবাসীকে হতাশ ও নিরাশ করবে না। তাদের দেওয়া নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তাই দেশের মানুষের নির্বিঘ্ন ঘুম নিশ্চিত করবে।

বৃহস্পতিবার (১০ জুলাই-২০২৫) চট্টগ্রামের সাতকানিয়ার বায়তুল ইজ্জতে বর্ডার গার্ড ট্রেনিং সেন্টার অ্যান্ড কলেজে বিজিবির ১০৩তম রিক্রুট ব্যাচের সমাপনী কুচকাওয়াজে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন বিজিবি মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মো. আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী।

তিনি বলেন, “দেশ মাতৃকার অখণ্ডতা রক্ষায় বিজিবি সদা প্রস্তুত। আমাদের নবীন সৈনিকরা দেশবাসীর বিশ্বাস ও আস্থার প্রতীক হয়ে উঠবে। তাদের নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তাই জনগণের শান্তির নিশ্চয়তা দেবে।”

অনুষ্ঠানে বিজিটিসিএন্ডসির কমান্ড্যান্ট ব্রিগেডিয়ার জেনারেল গাজী নাহিদুজ্জামানসহ সামরিক-বেসামরিক প্রশাসনের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সকাল সাড়ে ৯টায় মহাপরিচালককে গার্ড অব অনার প্রদানের মাধ্যমে শুরু হয় কুচকাওয়াজ। শপথ গ্রহণ শেষে সশস্ত্র কুচকাওয়াজে অংশ নেয় নবীন সৈনিকরা।

বিজিবি ডিজি আরও বলেন, “সীমান্তের অতন্দ্র প্রহরী খ্যাত বিজিবি দেশের ৪ হাজার ৪২৭ কিলোমিটার সীমান্তে নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে। মাদক, অস্ত্র ও চোরাচালান রোধে বিজিবি দক্ষতার পরিচয় দিচ্ছে।”

তিনি নবীন সৈনিকদের শৃঙ্খলা, সততা ও পেশাগত দক্ষতার গুরুত্ব স্মরণ করিয়ে দিয়ে বলেন, “শৃঙ্খলা সৈনিক জীবনের অলংকার। আদেশ পালনে যারা কখনো পিছপা হয় না, তারাই প্রকৃত সৈনিক।”

নারী সৈনিকদের উদ্দেশেও তিনি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দেন। তিনি বলেন, স্বাধীনতা সংগ্রামে নারীদের অবদান অবিস্মরণীয়। নবীন নারী সৈনিকদের সততা ও দক্ষতার মাধ্যমে বিজিবিকে আরও শক্তিশালী বাহিনী হিসেবে গড়ে তোলার আহ্বান জানান তিনি।

অনুষ্ঠানে কুচকাওয়াজের শেষে সেরা রিক্রুটদের হাতে ক্রেস্ট তুলে দেন বিজিবি মহাপরিচালক। এরপর অনুষ্ঠিত হয় আকর্ষণীয় ট্রিক ড্রিল ও ব্যান্ড ডিসপ্লে।

প্রসঙ্গত, গত ২৬ জানুয়ারি শুরু হওয়া এই ব্যাচে ৬৯৪ জন রিক্রুট (পুরুষ ৬৫৮, নারী ৩৬) দীর্ঘ ২৪ সপ্তাহের কঠোর প্রশিক্ষণ শেষে আনুষ্ঠানিকভাবে সৈনিক জীবনে প্রবেশ করল।