১২:০০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬

বাংলাদেশ থেকে ৩ পণ্য আমদানি নিষিদ্ধ করল ভারত

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ১১:৪৮:০৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ জুন ২০২৫
  • / ১০৩

গ্রামের সংবাদ ডেস্ক : ভারত সীমান্তের যেকোনো স্থলবন্দর দিয়ে বাংলাদেশ থেকে পাট, বোনা কাপড় ও সুতা আমদানি নিষিদ্ধ করেছে ভারত।

শুক্রবার (২৭ জুন) ভারতের বৈদেশিক বাণিজ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছেন। এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি।

বিবৃতিতে বলা হয়, ‘ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে স্থলবন্দর দিয়ে বাংলাদেশ থেকে কোনো পণ্য আমদানি হবে না। এর মধ্যে রয়েছে পাটজাত পণ্য, একাধিক ভাঁজের বোনা কাপড়, একক শণ সুতা বা তন্তু, পাটের একক সুতা, ব্লিচ না করা পাটের বোনা কাপড়।’

যদিও এই পণ্যগুলো স্থলপথ থেকে আমদানি করা যাবে না। সরকার শুধু মুম্বাইয়ের নহাভা শেভা বন্দর দিয়ে প্রবেশের অনুমতি দিয়েছে।

দেশটির বৈদেশিক বাণিজ্য অধিদপ্তর আরও জানিয়েছে, বাংলাদেশ থেকে যেসব পণ্য নেপাল ও ভুটানে যাবে, সেগুলোর ক্ষেত্রে এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হবে না। কিন্তু এসব পণ্য পুনরায় রপ্তানি করা যাবে না।

বাংলাদেশ বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম পাট উৎপাদনকারী এবং কাঁচা পাট ও পাটজাত পণ্যের শীর্ষস্থানীয় রপ্তানিকারক দেশ। ভারত সামগ্রিকভাবে বৃহত্তম পাট উৎপাদনকারী হলেও, রপ্তানিতে বাংলাদেশ প্রাধান্য বিস্তার করে; যা বিশ্বব্যাপী রপ্তানির এক উল্লেখযোগ্য অংশ।

এর আগে চলতি বছরের মে মাসে নিজেদের স্থলবন্দর দিয়ে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক আমদানিতে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছিল ভারত। ওই সময় এই পণ্য শুধু মহারাষ্ট্রের নহভা শেভা ও কলকাতা বন্দর দিয়ে আমদানির সুযোগ রেখেছিল দেশটি।

বাংলাদেশ ভারতে প্রায় ৭০০ মিলিয়ন ডলারের তৈরি পোশাক রপ্তানি করে। স্থলবন্দর দিয়ে এই পণ্য আমদানিতে নিষেধাজ্ঞা দেওয়ায় এই খাতে বিরূপ প্রভাব পড়ার শঙ্কা তৈরি হয়েছিল।

Please Share This Post in Your Social Media

বাংলাদেশ থেকে ৩ পণ্য আমদানি নিষিদ্ধ করল ভারত

আপডেট: ১১:৪৮:০৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ জুন ২০২৫

গ্রামের সংবাদ ডেস্ক : ভারত সীমান্তের যেকোনো স্থলবন্দর দিয়ে বাংলাদেশ থেকে পাট, বোনা কাপড় ও সুতা আমদানি নিষিদ্ধ করেছে ভারত।

শুক্রবার (২৭ জুন) ভারতের বৈদেশিক বাণিজ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছেন। এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি।

বিবৃতিতে বলা হয়, ‘ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে স্থলবন্দর দিয়ে বাংলাদেশ থেকে কোনো পণ্য আমদানি হবে না। এর মধ্যে রয়েছে পাটজাত পণ্য, একাধিক ভাঁজের বোনা কাপড়, একক শণ সুতা বা তন্তু, পাটের একক সুতা, ব্লিচ না করা পাটের বোনা কাপড়।’

যদিও এই পণ্যগুলো স্থলপথ থেকে আমদানি করা যাবে না। সরকার শুধু মুম্বাইয়ের নহাভা শেভা বন্দর দিয়ে প্রবেশের অনুমতি দিয়েছে।

দেশটির বৈদেশিক বাণিজ্য অধিদপ্তর আরও জানিয়েছে, বাংলাদেশ থেকে যেসব পণ্য নেপাল ও ভুটানে যাবে, সেগুলোর ক্ষেত্রে এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হবে না। কিন্তু এসব পণ্য পুনরায় রপ্তানি করা যাবে না।

বাংলাদেশ বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম পাট উৎপাদনকারী এবং কাঁচা পাট ও পাটজাত পণ্যের শীর্ষস্থানীয় রপ্তানিকারক দেশ। ভারত সামগ্রিকভাবে বৃহত্তম পাট উৎপাদনকারী হলেও, রপ্তানিতে বাংলাদেশ প্রাধান্য বিস্তার করে; যা বিশ্বব্যাপী রপ্তানির এক উল্লেখযোগ্য অংশ।

এর আগে চলতি বছরের মে মাসে নিজেদের স্থলবন্দর দিয়ে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক আমদানিতে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছিল ভারত। ওই সময় এই পণ্য শুধু মহারাষ্ট্রের নহভা শেভা ও কলকাতা বন্দর দিয়ে আমদানির সুযোগ রেখেছিল দেশটি।

বাংলাদেশ ভারতে প্রায় ৭০০ মিলিয়ন ডলারের তৈরি পোশাক রপ্তানি করে। স্থলবন্দর দিয়ে এই পণ্য আমদানিতে নিষেধাজ্ঞা দেওয়ায় এই খাতে বিরূপ প্রভাব পড়ার শঙ্কা তৈরি হয়েছিল।