০২:০৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬

বাঘারপাড়ায় করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে আমির হোসেন শেখ

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৮:৪৮:৫৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ জুন ২০২৫
  • / ২০৭

সাঈদ ইবনে হানিফ : করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে বাঘারপাড়া উপজেলার শেখ আমির হোসেন। ১৮ জুন ভোরে তিনি যশোর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।

নিহত শেখ আমির হোসেন বাঘারপাড়ার জহুরপুরের মৃত শেখ মকছেদ আলীর ছেলে। তিনি যশোর জেনারেল হাসপাতালে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন ছিলেন। জানা গেছে, গত মঙ্গলবার দুপুরে রেপিড এন্টিজেন পরীক্ষায় ওই রোগীর করোনা শনাক্ত হয়। এরপর ১৮ জুন, বুধবার ভোরে তিনি মারা যান। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আইসিইউ বিভাগের ইনচার্জ ডাক্তার রবিউল ইসলাম তুহিন।

সূত্র জানায়, ৫ জুন যশোরের বাঘারপাড়ার আমির হোসেন যশোর জেনারেল হাসপাতলের মডেল ওয়ার্ডে পেট ব্যাথা নিয়ে ভর্তি হয়েছিলেন। বিগত কয়েক দিন তিনি ওই ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন ছিলেন। রোববার তার নুতন করে জ্বরসহ বিভিন্ন উপসর্গ দেখা দেয়। পরে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে ওয়ার্ডে দায়িত্বরত চিকিৎসক তাকে আইসিইউতে রেফার করেন। কিন্তু সেখান শয্যা না থাকায় তিনি মডেল ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন ছিলেন। মঙ্গলবার সকালে আইসিইউতে শয্যা ফাঁকা হলে পরিবারের লোকজন তাকে সেখানে নিয়ে যান।

পরে ডাক্তার তাকে করোনা পরীক্ষার পরামর্শ দেন। রোগীর স্বজনরা দুপুরে বেসরকারি একটি প্রতিষ্ঠানে তার রেপিড এন্টিজেন পরীক্ষা করান। পরীক্ষায় তার শরীরে করোনা শনাক্ত হয়। বুধবার ভোরে তিনি মারা যান ।

Please Share This Post in Your Social Media

বাঘারপাড়ায় করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে আমির হোসেন শেখ

আপডেট: ০৮:৪৮:৫৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ জুন ২০২৫

সাঈদ ইবনে হানিফ : করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে বাঘারপাড়া উপজেলার শেখ আমির হোসেন। ১৮ জুন ভোরে তিনি যশোর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।

নিহত শেখ আমির হোসেন বাঘারপাড়ার জহুরপুরের মৃত শেখ মকছেদ আলীর ছেলে। তিনি যশোর জেনারেল হাসপাতালে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন ছিলেন। জানা গেছে, গত মঙ্গলবার দুপুরে রেপিড এন্টিজেন পরীক্ষায় ওই রোগীর করোনা শনাক্ত হয়। এরপর ১৮ জুন, বুধবার ভোরে তিনি মারা যান। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আইসিইউ বিভাগের ইনচার্জ ডাক্তার রবিউল ইসলাম তুহিন।

সূত্র জানায়, ৫ জুন যশোরের বাঘারপাড়ার আমির হোসেন যশোর জেনারেল হাসপাতলের মডেল ওয়ার্ডে পেট ব্যাথা নিয়ে ভর্তি হয়েছিলেন। বিগত কয়েক দিন তিনি ওই ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন ছিলেন। রোববার তার নুতন করে জ্বরসহ বিভিন্ন উপসর্গ দেখা দেয়। পরে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে ওয়ার্ডে দায়িত্বরত চিকিৎসক তাকে আইসিইউতে রেফার করেন। কিন্তু সেখান শয্যা না থাকায় তিনি মডেল ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন ছিলেন। মঙ্গলবার সকালে আইসিইউতে শয্যা ফাঁকা হলে পরিবারের লোকজন তাকে সেখানে নিয়ে যান।

পরে ডাক্তার তাকে করোনা পরীক্ষার পরামর্শ দেন। রোগীর স্বজনরা দুপুরে বেসরকারি একটি প্রতিষ্ঠানে তার রেপিড এন্টিজেন পরীক্ষা করান। পরীক্ষায় তার শরীরে করোনা শনাক্ত হয়। বুধবার ভোরে তিনি মারা যান ।