মণিরামপুরের চালুয়াহাটী ইউনিয়ন বিএনপির স্থগিতকৃত সাংগঠনিক সম্পাদককে বহাল করতে ইউনিয়ন নেতৃবৃন্দের আহবান
- আপডেট: ০৬:০৬:৪৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ জুন ২০২৫
- / ১১৯

আনিছুর রহমান : যশোরের মণিরামপুর উপজেলার চালুয়াহাটী ইউনিয়ন বিএনপির স্থগিতকৃত সাংগঠনিক সম্পাদক পদটি অভিলম্বে বহাল করতে উপরের নেতৃবৃন্দের প্রতি জোর দাবী জানিয়েছেন ইউনিয়নের নেতাকর্মিরা।
কারন দলকে শক্তিশালী মজবুত ও সুসংগঠিত রাখতে সাংগঠনিক সম্পাদকের গুরুত্ব অপরিসীম। দ্রুত যদি সাংগঠনিক সম্পাদক পদে হুমায়ুন কবিরকে বহাল না করা হয় তাহলে আসছে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে উক্ত ইউনিয়নে বিরুপ প্রভাব পড়তে পারে বলে অনেকেই ধারনা করছেন।
নেতৃবৃন্দের দাবী হুমায়ুন কবির ইউনিয়নে বিএনপির শুধু নেতৃত্ব দেয়নি। তিনি বিগত স্বৈরাচার সরকারের আমলে ভয়ভীতি উপেক্ষা সকলের সামনে থেকেছেন। আন্দোলন হরতাল অবরোধ সব খানেই তিনি সামনেই থেকে কর্মিদের সাহস জুগিয়েছেন। কেন্দ্রের কর্মসুচী মাফিক ২০১১ সালে পাতানো নির্বাচনকে প্রতিহত করতে তিনি নিজে কর্মিদের সাথে নিয়ে পুরো ইউনিয়নের রাস্তাঘাট দখল করে নিয়েছিলেন এবং পাতানো নির্বাচনকে প্রতিহত করেছিলেন।
এ সকল কাজের নেতৃত্ব দেওয়ায় স্বৈরাচার আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে হুমায়ুন কবিরের নামে গায়েবী মামলাসহ ২৮টি মিথ্যা মামলা দিয়েছিলেন। এতেও ক্ষ্যান্ত হয়নি তার বাড়িতে হামলা করে ভাংচুর করা ও কয়েকবার তার উপর হামলাও চালিয়েছেন।
অথচ দলীয় লবিং গ্রুপিং এর কারনে উপরের নেতৃবৃন্দের কাছে কান ভাঙ্গানোর জন্য সাংগঠনিক সম্পাদক হুমায়ুন কবিরকে স্থগিত করেছেন। নেতৃবৃন্দ আরো বলেন,
স্থগিতকৃত প্রত্যাহার করে সাংগঠনিক সম্পাদক হুমায়ুন কবিরকে স্বপদে বহাল করা হোক।
এ বিষয়ে ১নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আমজেদ ৪ নং সভাপতি কওসার মোড়ল, ৫ নং সভাপতি আলিম, ৬ নং সভাপতি কামরুল বলেন, স্বৈরাচার সরকারের আমলে অনেক নেতা পালিয়ে থাকলেও কবির ভাই সব সময় আমাদের পাশে থাকতেন। আমাদের ডেকে নিয়ে সকল প্রোগাম সফল করতেন।
উপজেলা যুবদলের যুগ্ন আহবায়ক রবিউল ইসলাম ও, ইউনিয়ন ছাত্রদল সভাপতি সোহেল রানা বলেন, দলের কর্মকান্ডে কি ভাবে নেতৃত্ব দিতে হয় সে ভালো ভাবে জানে। নেতৃত্ব দেওয়ার কারনে আজ কবির ভাই ২৮ টি মামলা ঘাড়ে নিয়েও টিকে আছে। তাকে স্বপদে বহাল করার জন্য জোর অনুরোধ করছি।
ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি কারুজ্জামান শাহিন ও সাধারণ সম্পাদক জমশেদ আলী বলেন, আসছে সংসদ নির্বাচন তাই কবিরের মতো একজন কর্মট ও সাহসী ব্যক্তিকে দল গঠনের কাজে দরকার। নির্বাচনে জয়ী হতে হলে সংগঠনকে মজবুত করতে হবে। যা কবিরের মতো লোকের দ্বারা করা সম্ভব। আমরা উপরের নেতৃবৃন্দের কাছে আশা করছি দ্রুত স্থগিতকৃত সাংগঠনিক পদটি বহাল করে আগামী নির্বাচন পরিচালনা করার সুযোগ করে দেওয়া হোক।
স্থগিতকৃত সাংগঠনিক সম্পাদক হুমায়ুন কবির বলেন, আমি নিজের জন্য কোন কিছু করি না। আমি যা করি দলের লোকের জন্য করি। দলের সর্বস্তরের লোকজন আমাকে ভালোবাসে তাই আমি সাংগঠনিক পদটি পেয়েছিলাম। কিন্তু দলের মধ্যে লবিং গ্রুপিং এর কারনে আমাকে কেউ কেউ ক্ষতি করার চেষ্টা করেছে। আমি মনের দিক থেকে তেমন কোন অন্যায় করেনি। তাই আশা করছি উপরের নেতৃবৃন্দ দ্রুত আমাকে স্বপদে বহাল করবেন।





















