বেনাপোলে বিজিবির অভিযানে বিপুল পরিমাণ চোরাচালান পণ্যসহ আটক-৩
- আপডেট: ১১:৫৬:৩৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬
- / ১৭

নিজস্ব প্রতিবেদক: যশোরের বেনাপোলে অভিযান চালিয়ে প্রায় তিন কোটি টাকা মূল্যের ভারতীয় চোরাচালান পণ্য জব্দ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।
জানা গেছে, শুল্ক ফাঁকি দিয়ে ভারতীয় পণ্য পাচারের সময় একটি কাভার্ড ভ্যান ও কাস্টমস সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তাসহ তিনজনকে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।
সংশ্লিষ্ট সুত্রমতে, (২২ জুন,২০২৬) রবিবার দিবাগত রাত ২টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে যশোর ব্যাটালিয়ন (৪৯বিজিবি) এ অভিযান পরিচালনা করে।
যশোর ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল গোলাম মোহাম্মদ সাইফুল আলম খানের সার্বিক নির্দেশনায় বেনাপোল বিওপির সদস্যরা বিশেষ চোরাচালানবিরোধী এ অভিযান পরিচালনা করেন।
বিজিবি সূত্র জানায়, বেনাপোল বাজারের হীরা সুপার মার্কেটের সামনে থেকে আহাদ পার্সেল অ্যান্ড কুরিয়ার সার্ভিসের একটি কার্গো ট্রাক (ঢাকা মেট্রো-ট-২৪-৫৬২১) তল্লাশির জন্য থামানো হয়। পরে ট্রাকটিতে অবৈধ মালামাল বহনের সন্দেহ হলে সেটিকে বেনাপোল বিওপিতে নিয়ে বিস্তারিত তল্লাশি চালানো হয়।
তল্লাশিকালে ট্রাকের ভেতর থেকে বৈধ কাগজপত্রবিহীন ৬ হাজার ৮টি ভারতীয় শাড়ি, ৬৩টি থ্রি-পিস, ৩৮৬টি কম্বল, ২০৮টি চাদর, ৮টি ওড়না এবং ৩৩ হাজার ২২২টি বিভিন্ন ধরনের কসমেটিক্স সামগ্রী জব্দ করা হয়।
জব্দকৃত মালামালের আনুমানিক বাজারমূল্য ২ কোটি ৬৭ লাখ ৬৫ হাজার ৩১০ টাকা।
আটক ব্যক্তিরা হলেন— সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা ইন্দ্রজিত মুখার্জী (৩৮), চালক মো. মহসিন আলী (৩৪) ও সহকারী মো. জাহিদ হাসান (২১)।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা স্বীকার করেছেন যে, ভারতীয় পণ্য বেনাপোল থেকে ঢাকায় পাচারের উদ্দেশ্যে পরিবহন করা হচ্ছিল।
বিজিবি জানায়, জব্দকৃত মালামাল, কার্গো ট্রাক এবং আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বেনাপোল পোর্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
এ বিষয়ে যশোর ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল গোলাম মোহাম্মদ সাইফুল আলম খান বলেন, সীমান্ত এলাকায় অবৈধ অনুপ্রবেশের পাশাপাশি শাড়ি, থ্রি-পিস, কম্বল, চাদর, ওড়না ও কসমেটিক্সসহ বিভিন্ন পণ্যের চোরাচালান অব্যাহত রয়েছে। এসব চোরাচালান প্রতিরোধে বিজিবির অভিযান ও নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, যশোর ব্যাটালিয়নের দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকায় নিয়মিত অভিযান পরিচালনার মাধ্যমে চোরাচালান পণ্য জব্দ ও পাচারকারীদের আটক করা হচ্ছে। সীমান্ত সুরক্ষা ও চোরাচালান প্রতিরোধে বিজিবির এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।























