১২:০১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬

র‌্যাবের অভিযানে আমির হামজা হত্যা মামলার পলাতক আসামি ‘বডি সোহেল’ গ্রেফতার

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ১২:০০:৩২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬
  • /

নিজস্ব প্রতিবেদক: বাগেরহাটের চিতলমারী থানার আলোচিত আমির হামজা হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত পলাতক আসামি মো. সোহেল হোসাইন ওরফে বডি সোহেলকে (৩৬) গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-৬।

র‌্যাব-৬ সদর কোম্পানির একটি আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার নোয়াপাড়া বাস স্ট্যান্ডসংলগ্ন একটি চায়ের দোকানে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতার সোহেল খুলনা সদর থানার চাঁনমারী এলাকার আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে।

র‌্যাব জানায়, গত ২০ মার্চ পূর্বশত্রুতার জেরে সোহেলসহ মামলার অন্যান্য আসামিরা মোটরসাইকেলে করে সংঘবদ্ধভাবে বাদীর বাড়িতে প্রবেশ করে। এ সময় তারা বাদীর ছেলে আমির হামজাকে পিস্তল দিয়ে গুলি করে গুরুতর আহত করে পালিয়ে যায়।

গুলির শব্দ শুনে স্থানীয় লোকজন দ্রুত আমির হামজাকে উদ্ধার করে চিতলমারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ ঘটনায় নিহতের মা মেহেরুন্নেসা চিতলমারী থানায় সোহেলসহ সংশ্লিষ্টদের আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। ঘটনার পর থেকে সোহেল আত্মগোপনে ছিলেন।

র‌্যাব-৬ সূত্রে জানা গেছে, গ্রেফতার আসামির বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাকে চিতলমারী থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

র‌্যাবের অভিযানে আমির হামজা হত্যা মামলার পলাতক আসামি ‘বডি সোহেল’ গ্রেফতার

আপডেট: ১২:০০:৩২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক: বাগেরহাটের চিতলমারী থানার আলোচিত আমির হামজা হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত পলাতক আসামি মো. সোহেল হোসাইন ওরফে বডি সোহেলকে (৩৬) গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-৬।

র‌্যাব-৬ সদর কোম্পানির একটি আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার নোয়াপাড়া বাস স্ট্যান্ডসংলগ্ন একটি চায়ের দোকানে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতার সোহেল খুলনা সদর থানার চাঁনমারী এলাকার আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে।

র‌্যাব জানায়, গত ২০ মার্চ পূর্বশত্রুতার জেরে সোহেলসহ মামলার অন্যান্য আসামিরা মোটরসাইকেলে করে সংঘবদ্ধভাবে বাদীর বাড়িতে প্রবেশ করে। এ সময় তারা বাদীর ছেলে আমির হামজাকে পিস্তল দিয়ে গুলি করে গুরুতর আহত করে পালিয়ে যায়।

গুলির শব্দ শুনে স্থানীয় লোকজন দ্রুত আমির হামজাকে উদ্ধার করে চিতলমারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ ঘটনায় নিহতের মা মেহেরুন্নেসা চিতলমারী থানায় সোহেলসহ সংশ্লিষ্টদের আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। ঘটনার পর থেকে সোহেল আত্মগোপনে ছিলেন।

র‌্যাব-৬ সূত্রে জানা গেছে, গ্রেফতার আসামির বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাকে চিতলমারী থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।