১১:৫৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬

রাজগঞ্জে গৃহবধূকে কুপিয়ে হত্যা: হারপিক পানে আসামির আত্মহত্যার চেষ্টা

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৮:৪৯:৩৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৫
  • / ৬৩

রাজগঞ্জ প্রতিনিধি : যশোরের মনিরামপুরে শংকর মন্ডল (৫৫) নামে হত্যা মামলার এক আসামি হারপিক পানে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

খবর পেয়ে মনিরামপুর থানার পুলিশ আজ শনিবার ভোরে নিজ বাড়ি থেকে তাঁকে উদ্ধার করে মনিরামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেছে।

শংকর মন্ডল উপজেলার কৃষ্ণবাটি গ্রামের মুকুন্তু মন্ডলের ছেলে। তাঁর বিরুদ্ধে স্থানীয় অবনিশ মন্ডলের স্ত্রী তৃপ্তি মন্ডলকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ রয়েছে।

তৃপ্তি হত্যা মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মনিরামপুর থানার এসআই নজরুল ইসলাম বলেন, এদিন ভোররাতে শংকর মন্ডল নিজ বাড়িতে হারপিক পান করে। খবর পেয়ে আমরা সকালে তাঁকে উদ্ধার করে মনিরামপুর হাসপাতালে ভর্তি করেছি। তাঁকে উন্নত চিকিৎসার জন্য যশোর জেনারেল হাসপাতালে নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।

মনিরামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের ইনচার্জ আলেক উদ্দিন বলেন, শনিবার সকাল ৭টা ২৫ মিনিটে পুলিশ শংকর নামে একজনকে হাসপাতালে এনেছে। তিনি হারপিক পান করেছিলেন। ওয়াশ করার পর তাঁকে পুরুষ ওয়ার্ডে রেফার করা হয়েছে।

কৃষ্ণবাটি এলাকার সাবেক ইউপি সদস্য সাধন দাস জানান, গত বৃহস্পতিবার দুপুরে ভ্যানচালক অবনিশের স্ত্রী তৃপ্তি মন্ডলকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করেন শংকর। তিনি জানান, তৃপ্তির সঙ্গে শংকরের সম্পর্কের কথা এলাকার লোকজন জানত। একপর্যায়ে শংকর তৃপ্তিকে ঘরে তুলতে চান। তখন তৃপ্তি শংকরের কাছে তার ভিটাবাড়ি দাবি করেন। এই নিয়ে তাদের দুজনের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয়।

গৃহবধূ তৃপ্তির স্বামী অবনিশ মন্ডল বাদী হয়ে শুক্রবার ভোররাতে শংকর মল্লিকের বিরুদ্ধে মনিরামপুর থানায় মামলা করেছেন।

Please Share This Post in Your Social Media

রাজগঞ্জে গৃহবধূকে কুপিয়ে হত্যা: হারপিক পানে আসামির আত্মহত্যার চেষ্টা

আপডেট: ০৮:৪৯:৩৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৫

রাজগঞ্জ প্রতিনিধি : যশোরের মনিরামপুরে শংকর মন্ডল (৫৫) নামে হত্যা মামলার এক আসামি হারপিক পানে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

খবর পেয়ে মনিরামপুর থানার পুলিশ আজ শনিবার ভোরে নিজ বাড়ি থেকে তাঁকে উদ্ধার করে মনিরামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেছে।

শংকর মন্ডল উপজেলার কৃষ্ণবাটি গ্রামের মুকুন্তু মন্ডলের ছেলে। তাঁর বিরুদ্ধে স্থানীয় অবনিশ মন্ডলের স্ত্রী তৃপ্তি মন্ডলকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ রয়েছে।

তৃপ্তি হত্যা মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মনিরামপুর থানার এসআই নজরুল ইসলাম বলেন, এদিন ভোররাতে শংকর মন্ডল নিজ বাড়িতে হারপিক পান করে। খবর পেয়ে আমরা সকালে তাঁকে উদ্ধার করে মনিরামপুর হাসপাতালে ভর্তি করেছি। তাঁকে উন্নত চিকিৎসার জন্য যশোর জেনারেল হাসপাতালে নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।

মনিরামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের ইনচার্জ আলেক উদ্দিন বলেন, শনিবার সকাল ৭টা ২৫ মিনিটে পুলিশ শংকর নামে একজনকে হাসপাতালে এনেছে। তিনি হারপিক পান করেছিলেন। ওয়াশ করার পর তাঁকে পুরুষ ওয়ার্ডে রেফার করা হয়েছে।

কৃষ্ণবাটি এলাকার সাবেক ইউপি সদস্য সাধন দাস জানান, গত বৃহস্পতিবার দুপুরে ভ্যানচালক অবনিশের স্ত্রী তৃপ্তি মন্ডলকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করেন শংকর। তিনি জানান, তৃপ্তির সঙ্গে শংকরের সম্পর্কের কথা এলাকার লোকজন জানত। একপর্যায়ে শংকর তৃপ্তিকে ঘরে তুলতে চান। তখন তৃপ্তি শংকরের কাছে তার ভিটাবাড়ি দাবি করেন। এই নিয়ে তাদের দুজনের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয়।

গৃহবধূ তৃপ্তির স্বামী অবনিশ মন্ডল বাদী হয়ে শুক্রবার ভোররাতে শংকর মল্লিকের বিরুদ্ধে মনিরামপুর থানায় মামলা করেছেন।