০৪:০৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬

পবিত্র কাবা শরীফের ঠিক ওপরে নেমে এলো বিরল চাঁদ

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৪:২১:৪৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • / ২২৩

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : সৌদি আরবের মক্কায় পবিত্র কাবা শরীফের ওপর দিয়ে বিরল এক মহাজাগতিক দৃশ্য দেখা গেছে। শুক্রবার (১২ সেপ্টেম্বর) ভোরে মক্কায় ক্ষীয়মাণ গিব্বাস চাঁদ কাবার ঠিক ওপরে অবস্থান নেয়। বিজ্ঞানীদের ভাষায়, এটি ছিল এক অসাধারণ মহাজাগতিক ঘটনা।

সৌদির জেদ্দা অ্যাস্ট্রোনমি সোসাইটির প্রধান মাজেদ আবু জাহরা সৌদি প্রেস এজেন্সিকে বলেন, “এই দৃশ্য প্রমাণ করে যে চাঁদসহ অন্যান্য মহাজাগতিক বস্তুর গতিপথ নির্ণয়ের গণনা কতটা নিখুঁত। এর ফলে সারা বিশ্বের মুসলিমরা নামাজের দিক অর্থাৎ কিবলা আরও সঠিকভাবে নির্ধারণ করতে পারবেন।”

তিনি আরও জানান, শুক্রবার সন্ধ্যায় চাঁদ সপ্তর্ষিমণ্ডল বা ‘সেভেন সিস্টার্স’ নামে পরিচিত নক্ষত্রপুঞ্জের সামনে দিয়ে অতিক্রম করবে এবং একে একে কিছু নক্ষত্রকে অল্প সময়ের জন্য ঢেকে দেবে। সৌদি আরবসহ আরব বিশ্বের বহু স্থান থেকে এই চমৎকার দৃশ্য প্রত্যক্ষ করা সম্ভব হবে।

পবিত্র কাবা শরীফে উপস্থিত হাজার হাজার মুসল্লির জন্য এ দৃশ্য ছিল এক অনন্য ও স্মরণীয় অভিজ্ঞতা। অনেকের কাছে এটি আধ্যাত্মিকভাবে গভীর তাৎপর্যপূর্ণ মনে হলেও, জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের জন্য এটি ছিল এক প্রকার ব্যবহারিক পরীক্ষা। তারা গাণিতিক মডেলের ভবিষ্যদ্বাণীর সঙ্গে সরাসরি পর্যবেক্ষণ মিলিয়ে দেখে বিভিন্ন কোণ ও উচ্চতা বিশ্লেষণের মাধ্যমে নিজেদের গণনার যথার্থতা যাচাই করতে পেরেছেন।

ঐতিহাসিকভাবে, সূর্য, চাঁদ ও নক্ষত্রের অবস্থান দেখে নামাজের সময় ও কিবলা নির্ধারণ মুসলিম জ্যোতির্বিদ্যার গুরুত্বপূর্ণ অংশ ছিল। এখনো এই ধরনের মহাজাগতিক ঘটনা যেমন আধ্যাত্মিক আবেগ জাগায়, তেমনি বৈজ্ঞানিক আগ্রহও তৈরি করে।

Please Share This Post in Your Social Media

পবিত্র কাবা শরীফের ঠিক ওপরে নেমে এলো বিরল চাঁদ

আপডেট: ০৪:২১:৪৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : সৌদি আরবের মক্কায় পবিত্র কাবা শরীফের ওপর দিয়ে বিরল এক মহাজাগতিক দৃশ্য দেখা গেছে। শুক্রবার (১২ সেপ্টেম্বর) ভোরে মক্কায় ক্ষীয়মাণ গিব্বাস চাঁদ কাবার ঠিক ওপরে অবস্থান নেয়। বিজ্ঞানীদের ভাষায়, এটি ছিল এক অসাধারণ মহাজাগতিক ঘটনা।

সৌদির জেদ্দা অ্যাস্ট্রোনমি সোসাইটির প্রধান মাজেদ আবু জাহরা সৌদি প্রেস এজেন্সিকে বলেন, “এই দৃশ্য প্রমাণ করে যে চাঁদসহ অন্যান্য মহাজাগতিক বস্তুর গতিপথ নির্ণয়ের গণনা কতটা নিখুঁত। এর ফলে সারা বিশ্বের মুসলিমরা নামাজের দিক অর্থাৎ কিবলা আরও সঠিকভাবে নির্ধারণ করতে পারবেন।”

তিনি আরও জানান, শুক্রবার সন্ধ্যায় চাঁদ সপ্তর্ষিমণ্ডল বা ‘সেভেন সিস্টার্স’ নামে পরিচিত নক্ষত্রপুঞ্জের সামনে দিয়ে অতিক্রম করবে এবং একে একে কিছু নক্ষত্রকে অল্প সময়ের জন্য ঢেকে দেবে। সৌদি আরবসহ আরব বিশ্বের বহু স্থান থেকে এই চমৎকার দৃশ্য প্রত্যক্ষ করা সম্ভব হবে।

পবিত্র কাবা শরীফে উপস্থিত হাজার হাজার মুসল্লির জন্য এ দৃশ্য ছিল এক অনন্য ও স্মরণীয় অভিজ্ঞতা। অনেকের কাছে এটি আধ্যাত্মিকভাবে গভীর তাৎপর্যপূর্ণ মনে হলেও, জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের জন্য এটি ছিল এক প্রকার ব্যবহারিক পরীক্ষা। তারা গাণিতিক মডেলের ভবিষ্যদ্বাণীর সঙ্গে সরাসরি পর্যবেক্ষণ মিলিয়ে দেখে বিভিন্ন কোণ ও উচ্চতা বিশ্লেষণের মাধ্যমে নিজেদের গণনার যথার্থতা যাচাই করতে পেরেছেন।

ঐতিহাসিকভাবে, সূর্য, চাঁদ ও নক্ষত্রের অবস্থান দেখে নামাজের সময় ও কিবলা নির্ধারণ মুসলিম জ্যোতির্বিদ্যার গুরুত্বপূর্ণ অংশ ছিল। এখনো এই ধরনের মহাজাগতিক ঘটনা যেমন আধ্যাত্মিক আবেগ জাগায়, তেমনি বৈজ্ঞানিক আগ্রহও তৈরি করে।