০৮:৩৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ০১ মার্চ ২০২৬

সাবেক প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হক গ্রেপ্তার

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৪:৫১:১৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ জুলাই ২০২৫
  • / ৯৭

নিজস্ব প্রতিবেদক : সাবেক প্রধান বিচারপতি এবিএম খায়রুল হককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে রাজধানীর ধানমন্ডির একটি বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের (ডিবি) যুগ্ম কমিশনার মোহাম্মদ নাসিরুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, ‘খায়রুল হককে মিন্টো রোডের ডিবি কার্যালয় নেয়া হয়েছে।’

রাজধানীর যাত্রাবাড়ী ও নারায়ণগঞ্জে খায়রুল হকের বিরুদ্ধে মোট তিনটি মামলা রয়েছে। এছাড়া নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা মডেল থানায় তার বিরুদ্ধে জালজালিয়াতি করে রায় দেয়া এবং রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগে মামলা রয়েছে।

দেশের ১৯তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে ২০১০ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর নিয়োগ পান খায়রুল হক। একই বছরের ৩০ সেপ্টেম্বর থেকে তাঁর নিয়োগ কার্যকর হয়। পরের বছরের ১৭ মে তিনি অবসরে যান।

২০১১ সালের ১০ মে সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী বাতিল করে রায় দেয় তার নেতৃত্বাধীন আপিল বেঞ্চ। এর মধ্য দিয়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা অবৈধ হয়ে যায়। তত্ত্বাবধায়ক বাতিল করে তিনি সংকটের সূচনা করেছিলেন। যা থেকে ফ্যাসিবাদ শেকড় গাড়ে।

হাইকোর্ট বিভাগে থাকাকালে বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার রায় ও সংবিধানের পঞ্চম সংশোধনী মামলার রায় দিয়েছিলেন তিনি। এ ছাড়া তিনি ঢাকার চার নদী রক্ষা, স্বাধীনতার ঘোষকসহ বিভিন্ন মামলার রায় দেন।

খায়রুল হক ২০১৩ সালের ২৩ জুলাই তিন বছরের জন্য আইন কমিশনের চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ পান। মেয়াদ শেষ হলেও কয়েক দফা কমিশনের চেয়ারম্যান হিসেবে তাকে পুনর্নিয়োগ করা হয়। রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর গত বছরের ১৩ আগস্ট কমিশনের চেয়ারম্যানের পদ থেকে পদত্যাগ করেন খায়রুল হক ।

Please Share This Post in Your Social Media

সাবেক প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হক গ্রেপ্তার

আপডেট: ০৪:৫১:১৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ জুলাই ২০২৫

নিজস্ব প্রতিবেদক : সাবেক প্রধান বিচারপতি এবিএম খায়রুল হককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে রাজধানীর ধানমন্ডির একটি বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের (ডিবি) যুগ্ম কমিশনার মোহাম্মদ নাসিরুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, ‘খায়রুল হককে মিন্টো রোডের ডিবি কার্যালয় নেয়া হয়েছে।’

রাজধানীর যাত্রাবাড়ী ও নারায়ণগঞ্জে খায়রুল হকের বিরুদ্ধে মোট তিনটি মামলা রয়েছে। এছাড়া নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা মডেল থানায় তার বিরুদ্ধে জালজালিয়াতি করে রায় দেয়া এবং রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগে মামলা রয়েছে।

দেশের ১৯তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে ২০১০ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর নিয়োগ পান খায়রুল হক। একই বছরের ৩০ সেপ্টেম্বর থেকে তাঁর নিয়োগ কার্যকর হয়। পরের বছরের ১৭ মে তিনি অবসরে যান।

২০১১ সালের ১০ মে সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী বাতিল করে রায় দেয় তার নেতৃত্বাধীন আপিল বেঞ্চ। এর মধ্য দিয়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা অবৈধ হয়ে যায়। তত্ত্বাবধায়ক বাতিল করে তিনি সংকটের সূচনা করেছিলেন। যা থেকে ফ্যাসিবাদ শেকড় গাড়ে।

হাইকোর্ট বিভাগে থাকাকালে বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার রায় ও সংবিধানের পঞ্চম সংশোধনী মামলার রায় দিয়েছিলেন তিনি। এ ছাড়া তিনি ঢাকার চার নদী রক্ষা, স্বাধীনতার ঘোষকসহ বিভিন্ন মামলার রায় দেন।

খায়রুল হক ২০১৩ সালের ২৩ জুলাই তিন বছরের জন্য আইন কমিশনের চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ পান। মেয়াদ শেষ হলেও কয়েক দফা কমিশনের চেয়ারম্যান হিসেবে তাকে পুনর্নিয়োগ করা হয়। রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর গত বছরের ১৩ আগস্ট কমিশনের চেয়ারম্যানের পদ থেকে পদত্যাগ করেন খায়রুল হক ।