০৮:২২ অপরাহ্ন, রবিবার, ০১ মার্চ ২০২৬

চট্টগ্রামে নারীকে লাথি মারা সেই জামায়াত কর্মী আকাশ গ্রেপ্তার

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৬:৪৮:৩৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ জুন ২০২৫
  • / ২০৮

নিজস্ব প্রতিবেদক : চট্টগ্রামে গণতান্ত্রিক ছাত্র জোটের সমাবেশে নারী ও এক যুবককে লাথি দিয়ে আলোচনায় আসা বহিষ্কৃত আকাশ চৌধুরীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। রবিবার দুপুর আড়াইটার সময় নগরীর লালদিঘীর পাড় এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল করিম।

তিনি বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নগরীর লালদিঘীর পাড় এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

গ্রেপ্তারকৃত আকাশ চৌধুরী চট্টগ্রামের সাতকানিয়া পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর নেচার উদ্দিন আহমেদ চৌধুরীর ছেলে। তিনি ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক কর্মী।

এর আগে জামায়াতে ইসলামী এক বিবৃতিতে নারীকে লাথি মারার ঘটনাটি সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ না করে এটিকে ‘অনাকাঙ্ক্ষিত ও ঘৃণ্য দৃশ্য’ হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে।

শুক্রবার রাতে দলের চট্টগ্রাম মহানগরীর সহকারী সেক্রেটারি মোহাম্মদ উল্লাহর স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিবৃতিতে আকাশ চৌধুরীকে জামায়াতের কর্মী হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। বিবৃতিতে বলা হয়, শৃঙ্খলা ভঙ্গ করায় তাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

তবে ওই ঘটনায় দল হিসেবে জামায়াতের কোনো দায় থাকার বিষয়টি অস্বীকার করা হয়েছে।

ঘটনাটির নিন্দা জানিয়ে বিবৃতিতে বলা হয়, ওই কর্মসূচি সম্পর্কে তারা অবগত ছিলেন না। সেদিন সংঘটিত ঘটনার সঙ্গে জামায়াতে ইসলামীর কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই। তাই এ ঘটনার কোনো দায়দায়িত্ব জামায়াতে ইসলামী বহন করবে না।

দলটির ভাষ্য, ‘সেদিনের অনভিপ্রেত ঘটনার দায় শুধু সেখানে উপস্থিত দায়ী ব্যক্তিদের ওপরই বর্তায়। বিশেষ করে আকাশ চৌধুরী ঊর্ধ্বতনদের অনুমতির বাইরে যে কাজ করেছে, তা চরম নিন্দনীয়।’

গত ২৫ মে চট্টগ্রামের জামালখান এলাকায় বামপন্থি ছাত্র সংগঠনগুলোর জোট গণতান্ত্রিক ছাত্র জোটের কর্মসূচিতে হামলার ঘটনা ঘটে। অভিযোগ রয়েছে, শাহবাগবিরোধী ঐক্যের ব্যানারে জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মীরা এ হামলা চালান। এতে ১২ জন আহত হন। এর আগে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে শাহবাগবিরোধী ঐক্যের ব্যানারে বামপন্থি ছাত্র সংগঠনগুলোর কর্মসূচিতে হামলার ঘটনা ঘটেছিল।

ওই সময় ঘটনাস্থল থেকে এক ছাত্রসহ দুজনকে আটক করে পুলিশ। পরে দ্রুত বিচার আইনে পুলিশ বাদী হয়ে একটি মামলা করে। সে মামলায় তাদের গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

Please Share This Post in Your Social Media

চট্টগ্রামে নারীকে লাথি মারা সেই জামায়াত কর্মী আকাশ গ্রেপ্তার

আপডেট: ০৬:৪৮:৩৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ জুন ২০২৫

নিজস্ব প্রতিবেদক : চট্টগ্রামে গণতান্ত্রিক ছাত্র জোটের সমাবেশে নারী ও এক যুবককে লাথি দিয়ে আলোচনায় আসা বহিষ্কৃত আকাশ চৌধুরীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। রবিবার দুপুর আড়াইটার সময় নগরীর লালদিঘীর পাড় এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল করিম।

তিনি বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নগরীর লালদিঘীর পাড় এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

গ্রেপ্তারকৃত আকাশ চৌধুরী চট্টগ্রামের সাতকানিয়া পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর নেচার উদ্দিন আহমেদ চৌধুরীর ছেলে। তিনি ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক কর্মী।

এর আগে জামায়াতে ইসলামী এক বিবৃতিতে নারীকে লাথি মারার ঘটনাটি সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ না করে এটিকে ‘অনাকাঙ্ক্ষিত ও ঘৃণ্য দৃশ্য’ হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে।

শুক্রবার রাতে দলের চট্টগ্রাম মহানগরীর সহকারী সেক্রেটারি মোহাম্মদ উল্লাহর স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিবৃতিতে আকাশ চৌধুরীকে জামায়াতের কর্মী হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। বিবৃতিতে বলা হয়, শৃঙ্খলা ভঙ্গ করায় তাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

তবে ওই ঘটনায় দল হিসেবে জামায়াতের কোনো দায় থাকার বিষয়টি অস্বীকার করা হয়েছে।

ঘটনাটির নিন্দা জানিয়ে বিবৃতিতে বলা হয়, ওই কর্মসূচি সম্পর্কে তারা অবগত ছিলেন না। সেদিন সংঘটিত ঘটনার সঙ্গে জামায়াতে ইসলামীর কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই। তাই এ ঘটনার কোনো দায়দায়িত্ব জামায়াতে ইসলামী বহন করবে না।

দলটির ভাষ্য, ‘সেদিনের অনভিপ্রেত ঘটনার দায় শুধু সেখানে উপস্থিত দায়ী ব্যক্তিদের ওপরই বর্তায়। বিশেষ করে আকাশ চৌধুরী ঊর্ধ্বতনদের অনুমতির বাইরে যে কাজ করেছে, তা চরম নিন্দনীয়।’

গত ২৫ মে চট্টগ্রামের জামালখান এলাকায় বামপন্থি ছাত্র সংগঠনগুলোর জোট গণতান্ত্রিক ছাত্র জোটের কর্মসূচিতে হামলার ঘটনা ঘটে। অভিযোগ রয়েছে, শাহবাগবিরোধী ঐক্যের ব্যানারে জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মীরা এ হামলা চালান। এতে ১২ জন আহত হন। এর আগে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে শাহবাগবিরোধী ঐক্যের ব্যানারে বামপন্থি ছাত্র সংগঠনগুলোর কর্মসূচিতে হামলার ঘটনা ঘটেছিল।

ওই সময় ঘটনাস্থল থেকে এক ছাত্রসহ দুজনকে আটক করে পুলিশ। পরে দ্রুত বিচার আইনে পুলিশ বাদী হয়ে একটি মামলা করে। সে মামলায় তাদের গ্রেপ্তার দেখানো হয়।