০৬:১৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬

ভুল প্রশ্নে এসএসসি পরীক্ষা: কেন্দ্র সচিবসহ শিক্ষক বহিস্কার

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ১২:৩৫:৫৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬
  • / ১৪

বরিশাল প্রতিনিধিঃ বরিশালের উজিরপুরে এসএসসিতে বাংলা প্রথম পত্রের পরীক্ষায় অনিয়মিত পরীক্ষার্থীদের নিয়মিতদের প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা নেওয়ায় কেন্দ্র সচিব ও শিক্ষককে সকল দায়িত্ব থেকে বহিস্কার করা হয়েছে।

গতকাল বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) উপজেলার হাবিবপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রের কেন্দ্র সচিব মো. ফারুক হোসেন এবং সহকারী শিক্ষক খগেন মন্ডলকে বহিষ্কারের নির্দেশ দেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আলী সুজা।

অভিযোগ রয়েছে, অনিয়মিত শিক্ষার্থীদের জন্য নির্ধারিত ২০২৫ সালের প্রশ্নপত্রের পরিবর্তে ২০২৬ সালের নিয়মিত পরীক্ষার্থীদের প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা নেওয়া হয়। এতে পরীক্ষার্থীদের ফলাফল নিয়ে জটিলতা তৈরি হওয়ার আশঙ্কা দেখা দেয়।

ঘটনাটি প্রকাশ্যে এলে উপজেলা প্রশাসন দ্রুত তদন্তে নামে এবং অভিযোগের সত্যতা পায়। পরে তাৎক্ষণিকভাবে সংশ্লিষ্টদের এসএসসি পরীক্ষার সব দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।

এ বিষয়ে ইউএনও মো. আলী সুজা বলেন, পাবলিক পরীক্ষায় কোনো ধরনের অনিয়ম সহ্য করা হবে না। শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ যেন ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, সে বিষয়ে প্রশাসন সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে।

উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, এ ঘটনায় পরবর্তী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) কাছে সুপারিশ পাঠানো হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

ভুল প্রশ্নে এসএসসি পরীক্ষা: কেন্দ্র সচিবসহ শিক্ষক বহিস্কার

আপডেট: ১২:৩৫:৫৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬

বরিশাল প্রতিনিধিঃ বরিশালের উজিরপুরে এসএসসিতে বাংলা প্রথম পত্রের পরীক্ষায় অনিয়মিত পরীক্ষার্থীদের নিয়মিতদের প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা নেওয়ায় কেন্দ্র সচিব ও শিক্ষককে সকল দায়িত্ব থেকে বহিস্কার করা হয়েছে।

গতকাল বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) উপজেলার হাবিবপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রের কেন্দ্র সচিব মো. ফারুক হোসেন এবং সহকারী শিক্ষক খগেন মন্ডলকে বহিষ্কারের নির্দেশ দেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আলী সুজা।

অভিযোগ রয়েছে, অনিয়মিত শিক্ষার্থীদের জন্য নির্ধারিত ২০২৫ সালের প্রশ্নপত্রের পরিবর্তে ২০২৬ সালের নিয়মিত পরীক্ষার্থীদের প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা নেওয়া হয়। এতে পরীক্ষার্থীদের ফলাফল নিয়ে জটিলতা তৈরি হওয়ার আশঙ্কা দেখা দেয়।

ঘটনাটি প্রকাশ্যে এলে উপজেলা প্রশাসন দ্রুত তদন্তে নামে এবং অভিযোগের সত্যতা পায়। পরে তাৎক্ষণিকভাবে সংশ্লিষ্টদের এসএসসি পরীক্ষার সব দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।

এ বিষয়ে ইউএনও মো. আলী সুজা বলেন, পাবলিক পরীক্ষায় কোনো ধরনের অনিয়ম সহ্য করা হবে না। শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ যেন ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, সে বিষয়ে প্রশাসন সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে।

উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, এ ঘটনায় পরবর্তী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) কাছে সুপারিশ পাঠানো হবে।