১২:৪৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

বেনাপোল বলফিল্ড মাঠ রক্ষায় শিক্ষার্থীদের আবেদন: ঈদগাহে রূপান্তরের উদ্যোগ স্থগিতের দাবি

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ১০:২৮:১৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • /

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ যশোরের শার্শা উপজেলার ঐতিহ্যবাহী বেনাপোল বলফিল্ড মাঠটিকে ঈদগাহে রূপান্তরের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়েছেন স্থানীয় শিক্ষার্থী ও সচেতন নাগরিকরা।

মাঠটি খেলার জন্য উন্মুক্ত রাখার দাবিতে আজ মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) শার্শা উপজেলা প্রশাসক ও বেনাপোল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি বরাবর একটি লিখিত আবেদন পেশ করা হয়েছে।

বেনাপোল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে জমা দেওয়া ওই আবেদনে বলা হয়, বেনাপোল বলফিল্ড মাঠটি গত ১০০ বছর ধরে এই এলাকার শিশু-কিশোর ও যুবসমাজের একমাত্র উন্মুক্ত ক্রীড়া ক্ষেত্র হিসেবে পরিচিত। এটি কেবল খেলাধুলাই নয়, বরং এলাকার ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক চর্চার প্রধান প্রাণকেন্দ্র হিসেবেও ব্যবহৃত হয়ে আসছে।

আবেদনকারীরা উল্লেখ করেছেন যে, মাঠটিকে ঈদগাহে রূপান্তর করা হলে এলাকার হাজার হাজার শিক্ষার্থীর খেলাধুলার সুযোগ চিরতরে বন্ধ হয়ে যাবে। এতে তরুণ প্রজন্মের শারীরিক ও মানসিক বিকাশ মারাত্মকভাবে বাধাগ্রস্ত হবে এবং বিদ্যালয়ের ক্রীড়া কার্যক্রমের পরিবেশ বিঘ্নিত হওয়ার প্রবল আশঙ্কা রয়েছে।

জনস্বার্থ এবং শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ বিবেচনা করে বলফিল্ড মাঠটিকে পূর্বের ন্যায় খেলার মাঠ হিসেবে বহাল রাখার জন্য প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন আন্দোলনকারীরা। একই সাথে মাঠটিকে ঈদগাহে রূপান্তরের যেকোনো উদ্যোগ অবিলম্বে স্থগিত করার দাবি জানিয়েছেন তারা।

Please Share This Post in Your Social Media

বেনাপোল বলফিল্ড মাঠ রক্ষায় শিক্ষার্থীদের আবেদন: ঈদগাহে রূপান্তরের উদ্যোগ স্থগিতের দাবি

আপডেট: ১০:২৮:১৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ যশোরের শার্শা উপজেলার ঐতিহ্যবাহী বেনাপোল বলফিল্ড মাঠটিকে ঈদগাহে রূপান্তরের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়েছেন স্থানীয় শিক্ষার্থী ও সচেতন নাগরিকরা।

মাঠটি খেলার জন্য উন্মুক্ত রাখার দাবিতে আজ মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) শার্শা উপজেলা প্রশাসক ও বেনাপোল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি বরাবর একটি লিখিত আবেদন পেশ করা হয়েছে।

বেনাপোল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে জমা দেওয়া ওই আবেদনে বলা হয়, বেনাপোল বলফিল্ড মাঠটি গত ১০০ বছর ধরে এই এলাকার শিশু-কিশোর ও যুবসমাজের একমাত্র উন্মুক্ত ক্রীড়া ক্ষেত্র হিসেবে পরিচিত। এটি কেবল খেলাধুলাই নয়, বরং এলাকার ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক চর্চার প্রধান প্রাণকেন্দ্র হিসেবেও ব্যবহৃত হয়ে আসছে।

আবেদনকারীরা উল্লেখ করেছেন যে, মাঠটিকে ঈদগাহে রূপান্তর করা হলে এলাকার হাজার হাজার শিক্ষার্থীর খেলাধুলার সুযোগ চিরতরে বন্ধ হয়ে যাবে। এতে তরুণ প্রজন্মের শারীরিক ও মানসিক বিকাশ মারাত্মকভাবে বাধাগ্রস্ত হবে এবং বিদ্যালয়ের ক্রীড়া কার্যক্রমের পরিবেশ বিঘ্নিত হওয়ার প্রবল আশঙ্কা রয়েছে।

জনস্বার্থ এবং শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ বিবেচনা করে বলফিল্ড মাঠটিকে পূর্বের ন্যায় খেলার মাঠ হিসেবে বহাল রাখার জন্য প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন আন্দোলনকারীরা। একই সাথে মাঠটিকে ঈদগাহে রূপান্তরের যেকোনো উদ্যোগ অবিলম্বে স্থগিত করার দাবি জানিয়েছেন তারা।