খাগড়াছড়িতে যৌথ অভিযানে অবৈধ অস্ত্রসহ চিহ্নিত অস্ত্র ব্যবসায়ী আটক
- আপডেট: ০৮:৩৮:২০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫
- / ৪৬

খোকন বিকাশ ত্রিপুরা জ্যাক, খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি :
খাগড়াছড়িতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর যৌথ অভিযানে অবৈধ অস্ত্র ও গোলাবারুদসহ মো. আইয়ুব (৩৮) নামে এক চিহ্নিত অস্ত্র ব্যবসায়ীকে আটক করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) রাতে খাগড়াছড়ি–দীঘিনালা সড়কের কৃষি গবেষণা এলাকা থেকে তাকে হাতেনাতে আটক করা হয়।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খাগড়াছড়ি সেনাবাহিনীর (ত্রিশ বীর) সদর জোন এবং খাগড়াছড়ি সদর থানা পুলিশের সমন্বয়ে গঠিত একটি টহল দল ওই এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানের সময় অবৈধ অস্ত্র ও গোলাবারুদ কেনাবেচার সময় মো. আইয়ুবকে আটক করা হয়। পরে তাকে প্রয়োজনীয় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য খাগড়াছড়ি জোন সদরে নিয়ে আসা হয়।
আটক ব্যক্তি চট্টগ্রাম জেলার রাঙ্গুনিয়া উপজেলার চন্দ্রঘোনা পৌরসভার খন্দকারপাড়া এলাকার বাসিন্দা। তিনি মো. ইশহাকের ছেলে মো. আইয়ুব (৩৮)।
অভিযানকালে আটককৃত আসামির কাছ থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, একটি ম্যাগাজিন, দুই রাউন্ড তাজা গুলি এবং অবৈধ অস্ত্র লেনদেনের নগদ অর্থ ৪ হাজার ২০ টাকা উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত অস্ত্র ও গোলাবারুদ তাৎক্ষণিকভাবে জব্দ করা হয়েছে।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সূত্রে জানা যায়, মো. আইয়ুব দীর্ঘদিন ধরে অবৈধ অস্ত্র ব্যবসার সঙ্গে জড়িত এবং তিনি একজন চিহ্নিত অস্ত্র কারবারি। এর আগেও তিনি অবৈধ অস্ত্র ও গোলাবারুদসহ চট্টগ্রাম র্যাব-৭ এর হাতে গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। সর্বশেষ গত ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৪ তারিখে র্যাব-৭ তাকে অস্ত্রসহ আটক করে।
এ বিষয়ে খাগড়াছড়ি সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. কায় কিসলু বলেন, “সন্ধ্যার দিকে কৃষি গবেষণা এলাকা থেকে সেনাবাহিনী ও খাগড়াছড়ি সদর থানা পুলিশের যৌথ অভিযানে অবৈধ অস্ত্রসহ মো. আইয়ুব নামে একজনকে আটক করা হয়েছে। উদ্ধারকৃত অস্ত্র ও গোলাবারুদ জব্দ করা হয়েছে। পুলিশ বাদী হয়ে ১৮৭৮ সালের অস্ত্র আইনে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।”
স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, পার্বত্য অঞ্চলে অবৈধ অস্ত্রের বিস্তার রোধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর এমন ধারাবাহিক ও সমন্বিত অভিযান জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। তারা আরও জানান, এসব অভিযানের ফলে অপরাধপ্রবণতা হ্রাস পাবে বলে আশা করা হচ্ছে।
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, অবৈধ অস্ত্র ব্যবসা ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে ভবিষ্যতেও কঠোর অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না।












