০৯:১৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬

বাঘারপাড়ায় (সনাতন ধর্মের) অনুভূতিতে আঘাতের প্রতিবাদে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৫:০৮:৪২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ নভেম্বর ২০২৫
  • / ৭৪

সাঈদ ইবনে হানিফ ঃ যশোরের বাঘারপাড়ায় ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত ও ব্যঙ্গ-বিদ্রুপের প্রতিবাদে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছেন সনাতন ধর্মের অনুসারীরা ।

মঙ্গলবার ২৫শে নভেম্বর বিকেলে উপজেলার দোগাছি-ঘোড়ানাছ মোড় বাজারে ‘এগারোখান সনাতনী সমাজ’ এ কর্মসূচির আয়োজন করে। এতে এলাকার কয়েকশ নারী-পুরুষ অংশগ্রহণ করেন।

মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করে বলেন, দেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের কিছু নেতাকর্মী ভোটের রাজনীতিকে কেন্দ্র করে ধর্মীয় সম্প্রীতি নষ্টের অপচেষ্টা চালাচ্ছেন। কয়েকদিন আগে একটি বড় রাজনৈতিক দলের দায়িত্বশীল নেতা হিন্দুধর্ম নিয়ে ব্যঙ্গাত্মক মন্তব্য করেছেন, যা সনাতন সম্প্রদায়ের জন্য হতাশা ও উদ্বেগজনক।

বক্তারা আরও বলেন, একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে ধর্মীয় সম্প্রদায়ের প্রতি অবমাননাকর বক্তব্য শুধু বিভেদ সৃষ্টি করে না, বরং কোটি কোটি সনাতন ধর্মাবলম্বীর মনে নিরাপত্তাহীনতা বাড়িয়ে তোলে। রাষ্ট্রের কাঠামোকেও এমন মন্তব্য দুর্বল করে দেয়।

তারা অবিলম্বে ওই বক্তব্য প্রত্যাহার ও নিঃশর্ত ক্ষমা চাওয়ার দাবি জানান। পাশাপাশি ধর্মীয় সম্প্রীতি নষ্টের যেকোনো অপচেষ্টার বিরুদ্ধে সরকারের কঠোর পদক্ষেপ দাবী করা হয়।

Please Share This Post in Your Social Media

বাঘারপাড়ায় (সনাতন ধর্মের) অনুভূতিতে আঘাতের প্রতিবাদে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত

আপডেট: ০৫:০৮:৪২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ নভেম্বর ২০২৫

সাঈদ ইবনে হানিফ ঃ যশোরের বাঘারপাড়ায় ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত ও ব্যঙ্গ-বিদ্রুপের প্রতিবাদে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছেন সনাতন ধর্মের অনুসারীরা ।

মঙ্গলবার ২৫শে নভেম্বর বিকেলে উপজেলার দোগাছি-ঘোড়ানাছ মোড় বাজারে ‘এগারোখান সনাতনী সমাজ’ এ কর্মসূচির আয়োজন করে। এতে এলাকার কয়েকশ নারী-পুরুষ অংশগ্রহণ করেন।

মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করে বলেন, দেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের কিছু নেতাকর্মী ভোটের রাজনীতিকে কেন্দ্র করে ধর্মীয় সম্প্রীতি নষ্টের অপচেষ্টা চালাচ্ছেন। কয়েকদিন আগে একটি বড় রাজনৈতিক দলের দায়িত্বশীল নেতা হিন্দুধর্ম নিয়ে ব্যঙ্গাত্মক মন্তব্য করেছেন, যা সনাতন সম্প্রদায়ের জন্য হতাশা ও উদ্বেগজনক।

বক্তারা আরও বলেন, একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে ধর্মীয় সম্প্রদায়ের প্রতি অবমাননাকর বক্তব্য শুধু বিভেদ সৃষ্টি করে না, বরং কোটি কোটি সনাতন ধর্মাবলম্বীর মনে নিরাপত্তাহীনতা বাড়িয়ে তোলে। রাষ্ট্রের কাঠামোকেও এমন মন্তব্য দুর্বল করে দেয়।

তারা অবিলম্বে ওই বক্তব্য প্রত্যাহার ও নিঃশর্ত ক্ষমা চাওয়ার দাবি জানান। পাশাপাশি ধর্মীয় সম্প্রীতি নষ্টের যেকোনো অপচেষ্টার বিরুদ্ধে সরকারের কঠোর পদক্ষেপ দাবী করা হয়।