০১:৪৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ০১ মার্চ ২০২৬

আড়াই বছর পরে বেনাপোল দিয়ে পেঁয়াজ আমদানি শুরু, বাজারে স্বস্তি ফেরার সম্ভাবনা

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৯:০৮:০২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • / ২৪১

নিজস্ব প্রতিবেদক: দীর্ঘ আড়াই বছর পর আবারও ভারত থেকে পেঁয়াজের আমদানি শুরু হয়েছে বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে। তিনটি পৃথক চালানে মোট ৬০ মেট্রিক টন পেঁয়াজ মঙ্গলবার (২ সেপ্টেম্বর ২০২৫) দুপুরে বন্দর এলাকায় প্রবেশ করে। বন্দরের উপ-পরিচালক মো. মামুন কবীর তরফদার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

জানা গেছে, প্রতি চালানে এসেছে ১৫ টন করে পেঁয়াজ, যা রাখা হয়েছে ৩১ নম্বর ট্রান্সশিপমেন্ট ইয়ার্ডে। আমদানিকৃত এসব পেঁয়াজ এস এম ওয়েল ট্রেডার্স নামের একটি প্রতিষ্ঠান এনেছে।

বেনাপোল উদ্ভিদ সংগনিরোধ কেন্দ্রের উপ-সহকারী কর্মকর্তা শ্যামল কুমার নাথ জানান, পেঁয়াজের গুণগত মান যাচাই-বাছাই শেষে খালাসের অনুমতি দেওয়া হবে। এদিকে পেঁয়াজ ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, ভারত থেকে আমদানি শুরু হওয়ায় স্থানীয় বাজারে দাম কমতে শুরু করেছে।

বর্তমানে প্রতি মেট্রিক টন পেঁয়াজের আমদানি মূল্য পড়ছে ৩০৫ মার্কিন ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৩৭,৪২৯ টাকা। ফলে কেজি প্রতি আমদানি মূল্য দাঁড়ায় আনুমানিক ৩৮ টাকা। মানভেদে বাজারে এই পেঁয়াজ বিক্রি হতে পারে ৫৭ থেকে ৬০ টাকা দরে।

বেনাপোল বন্দরের পরিচালক মো. শামীম হোসেন বলেন, “আমদানিকৃত পেঁয়াজ দ্রুত খালাসের জন্য মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।” তিনি আরও জানান, সকাল থেকেই প্রয়োজনীয় কাগজপত্র কাস্টমস হাউসে জমা দিয়ে খালাস প্রক্রিয়া শুরু করেছে আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান।

বন্দরজুড়ে এখন পেঁয়াজ খালাসের ব্যস্ততা। সাধারণ ক্রেতারা আশায় বুক বেঁধেছেন—বাজারে স্বস্তি ফিরবে, কমবে পেঁয়াজের দাম।

Please Share This Post in Your Social Media

আড়াই বছর পরে বেনাপোল দিয়ে পেঁয়াজ আমদানি শুরু, বাজারে স্বস্তি ফেরার সম্ভাবনা

আপডেট: ০৯:০৮:০২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫

নিজস্ব প্রতিবেদক: দীর্ঘ আড়াই বছর পর আবারও ভারত থেকে পেঁয়াজের আমদানি শুরু হয়েছে বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে। তিনটি পৃথক চালানে মোট ৬০ মেট্রিক টন পেঁয়াজ মঙ্গলবার (২ সেপ্টেম্বর ২০২৫) দুপুরে বন্দর এলাকায় প্রবেশ করে। বন্দরের উপ-পরিচালক মো. মামুন কবীর তরফদার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

জানা গেছে, প্রতি চালানে এসেছে ১৫ টন করে পেঁয়াজ, যা রাখা হয়েছে ৩১ নম্বর ট্রান্সশিপমেন্ট ইয়ার্ডে। আমদানিকৃত এসব পেঁয়াজ এস এম ওয়েল ট্রেডার্স নামের একটি প্রতিষ্ঠান এনেছে।

বেনাপোল উদ্ভিদ সংগনিরোধ কেন্দ্রের উপ-সহকারী কর্মকর্তা শ্যামল কুমার নাথ জানান, পেঁয়াজের গুণগত মান যাচাই-বাছাই শেষে খালাসের অনুমতি দেওয়া হবে। এদিকে পেঁয়াজ ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, ভারত থেকে আমদানি শুরু হওয়ায় স্থানীয় বাজারে দাম কমতে শুরু করেছে।

বর্তমানে প্রতি মেট্রিক টন পেঁয়াজের আমদানি মূল্য পড়ছে ৩০৫ মার্কিন ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৩৭,৪২৯ টাকা। ফলে কেজি প্রতি আমদানি মূল্য দাঁড়ায় আনুমানিক ৩৮ টাকা। মানভেদে বাজারে এই পেঁয়াজ বিক্রি হতে পারে ৫৭ থেকে ৬০ টাকা দরে।

বেনাপোল বন্দরের পরিচালক মো. শামীম হোসেন বলেন, “আমদানিকৃত পেঁয়াজ দ্রুত খালাসের জন্য মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।” তিনি আরও জানান, সকাল থেকেই প্রয়োজনীয় কাগজপত্র কাস্টমস হাউসে জমা দিয়ে খালাস প্রক্রিয়া শুরু করেছে আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান।

বন্দরজুড়ে এখন পেঁয়াজ খালাসের ব্যস্ততা। সাধারণ ক্রেতারা আশায় বুক বেঁধেছেন—বাজারে স্বস্তি ফিরবে, কমবে পেঁয়াজের দাম।