০৭:১৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ০১ মার্চ ২০২৬

নড়াইলে পুকুর থেকে ভাসমান অবস্থায় মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৫:২৮:১৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৮ অগাস্ট ২০২৫
  • / ৯৭

নড়াইল জেলা প্রতিনিধি: নড়াইলে পুকুর থেকে ভাসমান অবস্থায় মরদেহ উদ্ধার। নড়াইলের লোহাগড়া পৌরসভা এলাকায় একটি পুকুর থেকে ভাসমান অবস্থায় সোয়েবুর খান (৪৩) নামে এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (৮ আগস্ট) বেলা ১টার দিকে পৌরসভার মাইটকুমড়া গ্রামের একটি পুকুর থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

লোহাগড়া থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শরিফুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। নিহত সোয়েবুর খান মাইটকুমড়া গ্রামের ইউনুস খানের ছেলে। তিনি পেশায় রাজমিস্ত্রি ছিলেন।

পুলিশ ও নিহতের স্বজনদের সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার রাতে পৌরসভা গেট এলাকার মাসুমের দোকানে মধ্যরাত পর্যন্ত কেরাম খেলেন সোয়েবুর। রাত গভীর হলেও তিনি বাড়ি না ফেরায় পরিবারের লোকজন তাকে বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করতে থাকেন। সম্ভাব্য সকল জায়গায় খোঁজ করেও তার সন্ধান পাওয়া যায়নি।

পরদিন শুক্রবার দুপুর ১টার দিকে মাইটকুমড়া গ্রামের একটি পুকুরে তার মরদেহ ভেসে থাকতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেয়। পরে লোহাগড়া থানা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে।

ওসি শরিফুল ইসলাম বলেন, ‘খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গেছে। আমিও সেখানে যাচ্ছি। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নড়াইল জেলা হাসপাতালে পাঠানো হচ্ছে। এ বিষয়ে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

নড়াইলে পুকুর থেকে ভাসমান অবস্থায় মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ

আপডেট: ০৫:২৮:১৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৮ অগাস্ট ২০২৫

নড়াইল জেলা প্রতিনিধি: নড়াইলে পুকুর থেকে ভাসমান অবস্থায় মরদেহ উদ্ধার। নড়াইলের লোহাগড়া পৌরসভা এলাকায় একটি পুকুর থেকে ভাসমান অবস্থায় সোয়েবুর খান (৪৩) নামে এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (৮ আগস্ট) বেলা ১টার দিকে পৌরসভার মাইটকুমড়া গ্রামের একটি পুকুর থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

লোহাগড়া থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শরিফুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। নিহত সোয়েবুর খান মাইটকুমড়া গ্রামের ইউনুস খানের ছেলে। তিনি পেশায় রাজমিস্ত্রি ছিলেন।

পুলিশ ও নিহতের স্বজনদের সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার রাতে পৌরসভা গেট এলাকার মাসুমের দোকানে মধ্যরাত পর্যন্ত কেরাম খেলেন সোয়েবুর। রাত গভীর হলেও তিনি বাড়ি না ফেরায় পরিবারের লোকজন তাকে বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করতে থাকেন। সম্ভাব্য সকল জায়গায় খোঁজ করেও তার সন্ধান পাওয়া যায়নি।

পরদিন শুক্রবার দুপুর ১টার দিকে মাইটকুমড়া গ্রামের একটি পুকুরে তার মরদেহ ভেসে থাকতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেয়। পরে লোহাগড়া থানা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে।

ওসি শরিফুল ইসলাম বলেন, ‘খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গেছে। আমিও সেখানে যাচ্ছি। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নড়াইল জেলা হাসপাতালে পাঠানো হচ্ছে। এ বিষয়ে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।