০৬:১৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ০১ মার্চ ২০২৬

“ফ্যাসিস্ট হাসিনা ও ৭১-এর পরাজিত শক্তির উত্থান ঠেকাতে মাঠে নামুন”—ওয়াদুদ ভূঁইয়া

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৬:৪৭:৩১ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ অগাস্ট ২০২৫
  • / ১১৮

খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি।। “ফ্যাসিস্ট হাসিনা এবং ৭১-এর পরাজিত শক্তির উত্থান রোধে নেতাকর্মীদের নির্বাচনী মাঠে নামতে হবে”—এমন আহ্বান জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় বিএনপির সহ-কর্মসংস্থান বিষয়ক সম্পাদক সাবেক সংসদ সদস্য ওয়াদুদ ভূঁইয়া।

বুধবার (৬ আগস্ট) দুপুরে খাগড়াছড়ি শহরের শাপলা চত্বরে জেলা বিএনপি আয়োজিত এক বিশাল বিজয় সমাবেশে তিনি এই আহ্বান জানান। সমাবেশপূর্ব বিশাল বিজয় র‍্যালিটি খাগড়াছড়ি গেইট এলাকা থেকে শুরু হয়ে শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে।

জনসমাবেশে সমাবেশে ওয়াদুদ ভূঁইয়া বলেন, “অন্তর্বর্তী কালীন সরকার প্রধান ড. মুহাম্মদ ইউনুস আগামী ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন আয়োজনের ঘোষণা দিয়েছেন। এখনই সময় মাঠে নামার। স্বাধীনতা বিরোধী শক্তি দীর্ঘ ১৬ বছর আওয়ামী লীগের ছত্রচ্ছায়ায় নিরাপদে ছিল। তাদের বিরুদ্ধে মামলা হয়নি, কেউ গ্রেফতার হয়নি। অথচ এই সময়ে খাগড়াছড়িতে ১৯ জন বিএনপি নেতাকর্মী নিহত ও গুম হয়েছেন এবং ৫০ হাজারের বেশি নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা হয়েছে।”

তিনি আরও বলেন, “হাসিনা সরকার পালিয়ে যাওয়ার পর স্বাধীনতা বিরোধী শক্তি নতুন রূপে মাঠে নেমেছে। তাই এই অপশক্তির উত্থান রুখতে আমাদেরকে একযোগে আন্দোলন ও নির্বাচনী প্রস্তুতিতে থাকতে হবে।”

সমাবেশে অংশগ্রহণ জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি প্রবীন চাকমার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সমাবেশে বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এম এন আবছার।

বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক অ্যাডভোকেট আব্দুল মালেক মিন্টু, মোশাররফ হোসেন, অনিমেষ চাকমা রিংকু, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুর রব রাজা।

এছাড়া উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আবু তালেব, কোষাধ্যক্ষ মফিজুর রহমান, প্রচার সম্পাদক আহসান উল্লাহ মিলন, মহিলা দলের সভাপতি কুহেলী দেওয়ান, যুবদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি নাসির উদ্দিন শিকদার, যুগ্ম সম্পাদক কমল বিকাশ ত্রিপুরা, ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি শাহেদুল হোসেন সুমন, বর্তমান সভাপতি আরিফ জাহিদ, সাধারণ সম্পাদক সোহেল দেওয়ান, স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক আব্দুল্লাহ আল নোমান সাগর, সদস্য সচিব হৃদয় নূর, কৃষক দলের সভাপতি পারদর্শী বড়ুয়া, সাধারণ সম্পাদক নীল পদ চাকমা, শ্রমিক দলের সভাপতি আসলাম কালু, সাধারণ সম্পাদক রোকন চৌধুরী, মৎস্যজীবী দলের আহ্বায়ক জয়নাল আবেদীন, সদর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হাসেম ভূঁইয়া, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম।

উপজেলা ও পৌর বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন এনামুল হক এনাম, মীর হোসেন, শাহজালাল কাজল, ইব্রাহিম পাটোয়ারী, জসিম উদ্দিন, শাফায়াত মোর্শেদ ভূঁইয়া মিঠু, শফিকুল ইসলাম শফিক, জয়নাল আবেদিন, আনোয়ার হোসেন, সাইফুল ইসলাম সোহাগ, মাহবুব আলী, বাহার উদ্দিন, সাফায়েত উল্লাহ, বেলাল হোসেন, মো: ইউসুফ, ফোরকান হাওলাদার, মোবারক হোসেন প্রমুখ।

বিজয় র‍্যালিতে অংশ নেওয়া নেতাকর্মীরা সরকারের পতনের জন্য স্লোগানে মুখর ছিলেন। সকল বক্তার কণ্ঠে ছিল একই বার্তা—“ভোটের অধিকার ফিরিয়ে আনতে হবে, খুন-গুমের রাজনীতি বন্ধ করতে হবে।”

সমাবেশে বক্তারা বলেন, “এবার জনগণের বিজয় হবেই। বিএনপি আর পিছু হটবে না।”

Please Share This Post in Your Social Media

“ফ্যাসিস্ট হাসিনা ও ৭১-এর পরাজিত শক্তির উত্থান ঠেকাতে মাঠে নামুন”—ওয়াদুদ ভূঁইয়া

আপডেট: ০৬:৪৭:৩১ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ অগাস্ট ২০২৫

খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি।। “ফ্যাসিস্ট হাসিনা এবং ৭১-এর পরাজিত শক্তির উত্থান রোধে নেতাকর্মীদের নির্বাচনী মাঠে নামতে হবে”—এমন আহ্বান জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় বিএনপির সহ-কর্মসংস্থান বিষয়ক সম্পাদক সাবেক সংসদ সদস্য ওয়াদুদ ভূঁইয়া।

বুধবার (৬ আগস্ট) দুপুরে খাগড়াছড়ি শহরের শাপলা চত্বরে জেলা বিএনপি আয়োজিত এক বিশাল বিজয় সমাবেশে তিনি এই আহ্বান জানান। সমাবেশপূর্ব বিশাল বিজয় র‍্যালিটি খাগড়াছড়ি গেইট এলাকা থেকে শুরু হয়ে শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে।

জনসমাবেশে সমাবেশে ওয়াদুদ ভূঁইয়া বলেন, “অন্তর্বর্তী কালীন সরকার প্রধান ড. মুহাম্মদ ইউনুস আগামী ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন আয়োজনের ঘোষণা দিয়েছেন। এখনই সময় মাঠে নামার। স্বাধীনতা বিরোধী শক্তি দীর্ঘ ১৬ বছর আওয়ামী লীগের ছত্রচ্ছায়ায় নিরাপদে ছিল। তাদের বিরুদ্ধে মামলা হয়নি, কেউ গ্রেফতার হয়নি। অথচ এই সময়ে খাগড়াছড়িতে ১৯ জন বিএনপি নেতাকর্মী নিহত ও গুম হয়েছেন এবং ৫০ হাজারের বেশি নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা হয়েছে।”

তিনি আরও বলেন, “হাসিনা সরকার পালিয়ে যাওয়ার পর স্বাধীনতা বিরোধী শক্তি নতুন রূপে মাঠে নেমেছে। তাই এই অপশক্তির উত্থান রুখতে আমাদেরকে একযোগে আন্দোলন ও নির্বাচনী প্রস্তুতিতে থাকতে হবে।”

সমাবেশে অংশগ্রহণ জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি প্রবীন চাকমার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সমাবেশে বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এম এন আবছার।

বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক অ্যাডভোকেট আব্দুল মালেক মিন্টু, মোশাররফ হোসেন, অনিমেষ চাকমা রিংকু, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুর রব রাজা।

এছাড়া উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আবু তালেব, কোষাধ্যক্ষ মফিজুর রহমান, প্রচার সম্পাদক আহসান উল্লাহ মিলন, মহিলা দলের সভাপতি কুহেলী দেওয়ান, যুবদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি নাসির উদ্দিন শিকদার, যুগ্ম সম্পাদক কমল বিকাশ ত্রিপুরা, ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি শাহেদুল হোসেন সুমন, বর্তমান সভাপতি আরিফ জাহিদ, সাধারণ সম্পাদক সোহেল দেওয়ান, স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক আব্দুল্লাহ আল নোমান সাগর, সদস্য সচিব হৃদয় নূর, কৃষক দলের সভাপতি পারদর্শী বড়ুয়া, সাধারণ সম্পাদক নীল পদ চাকমা, শ্রমিক দলের সভাপতি আসলাম কালু, সাধারণ সম্পাদক রোকন চৌধুরী, মৎস্যজীবী দলের আহ্বায়ক জয়নাল আবেদীন, সদর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হাসেম ভূঁইয়া, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম।

উপজেলা ও পৌর বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন এনামুল হক এনাম, মীর হোসেন, শাহজালাল কাজল, ইব্রাহিম পাটোয়ারী, জসিম উদ্দিন, শাফায়াত মোর্শেদ ভূঁইয়া মিঠু, শফিকুল ইসলাম শফিক, জয়নাল আবেদিন, আনোয়ার হোসেন, সাইফুল ইসলাম সোহাগ, মাহবুব আলী, বাহার উদ্দিন, সাফায়েত উল্লাহ, বেলাল হোসেন, মো: ইউসুফ, ফোরকান হাওলাদার, মোবারক হোসেন প্রমুখ।

বিজয় র‍্যালিতে অংশ নেওয়া নেতাকর্মীরা সরকারের পতনের জন্য স্লোগানে মুখর ছিলেন। সকল বক্তার কণ্ঠে ছিল একই বার্তা—“ভোটের অধিকার ফিরিয়ে আনতে হবে, খুন-গুমের রাজনীতি বন্ধ করতে হবে।”

সমাবেশে বক্তারা বলেন, “এবার জনগণের বিজয় হবেই। বিএনপি আর পিছু হটবে না।”