০৭:১৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ০১ মার্চ ২০২৬

নড়াইল সদর পৌরসভার ৯ নং ওয়ার্ডে ও এম এস কার্যক্রম চলছে সুন্দর সুশৃঙ্খল ভাবে

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৩:২৩:১৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ জুলাই ২০২৫
  • / ১৩৬

নড়াইল প্রতিনিধিঃ নড়াইল সদর পৌরসভার ৯ নং ওয়ার্ডে ও এম এস কার্যক্রম চলছে সুন্দর সুশৃঙ্খল ভাবে, হত দরিদ্র ও নিন্ম আয়ের মানুষেরাই পাচ্ছেন সেবা।

লাইনে দাঁড়িয়ে জাতীয় পরিচয় পত্র জমা দিয়ে নাম তালিকা ভুক্ত করে সরকার নির্ধারীত মুল্যে আটা ও চাল সংগ্রহ করছে অত্র ওয়ার্ডের নিন্ম আয়ের মানুষেরা, স্বল্প মুল্যে চাল ও আটা পেয়ে সরকারের এই জনবান্ধব কার্যক্রমকে সাধুবাদ জানিয়েছে উপকার ভোগীরা।

বিজয়পুর গ্রাম থেকে আটা নিতে আসা জাফর মিয়া বলেন, আমি ১২০ টাকা দিয়ে পাঁচ কেজি আটা নিলাম, কোন সমস্যা নেই, আসলেই মাল পাওয়া যায়,হাট বাড়িয়া গ্রাম থেকে আসা আরতি রানী দাস জানান, ডিলারের ব্যবহার ভালো, আসলে কোন দিন ফিরে যেতে হয়নি, ব্রাম্মনডাঙ্গা থেকে আসা রাবেয়া জানান,এই ডিলার ঠিকভাবে চাল আটা দেয়, কোন সমস্যা হয়না।

এ বিষয়ে ৯ নং ওয়ার্ডের ও এম এস ডিলার দেলোয়ার এন্টারপ্রাইজ এর স্বত্বাধিকারী দেলোয়ার হোসেন বলেন হাট বাড়িয়া,ব্রাম্মনডাঙ্গা, বিজয়পুর, বেনাডোপ মথুরাপুর, কাশিয়ারা নিয়ে আমাদের এই ৯ নং ওয়ার্ড। সরকারি নিয়ম অনুযায়ী সরকারি ছুটির দিন বাদে আমরা সপ্তাহে পাঁচ দিন চাল ও আটা দিয়ে থাকি।এই পাঁচ দিনের মধ্যে চার দিন ১৩০ জনকে ও সপ্তাহে একদিন ১৪০ জনের মাঝে চাল ও আটা বিতরণ করা হয়। প্রতি কেজি আটা ২৪ টাকা ও চাল ৩০ টাকা কেজি দরে জন প্রতি পাঁচ কেজি করে সরকারি নির্দেশনা মতে দেওয়া হয়।তবে লোকের যে চাপ তাতে বরাদ্দ বাড়ানো প্রয়োজন, কারন আউড়িয়া ইউনিয়ন ও আশে পাশের ওয়ার্ড থেকেও অনেক লোক আসে।বরাদ্দ সিমীত থাকায় হিমশিম খেতে হয়।

Please Share This Post in Your Social Media

নড়াইল সদর পৌরসভার ৯ নং ওয়ার্ডে ও এম এস কার্যক্রম চলছে সুন্দর সুশৃঙ্খল ভাবে

আপডেট: ০৩:২৩:১৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ জুলাই ২০২৫

নড়াইল প্রতিনিধিঃ নড়াইল সদর পৌরসভার ৯ নং ওয়ার্ডে ও এম এস কার্যক্রম চলছে সুন্দর সুশৃঙ্খল ভাবে, হত দরিদ্র ও নিন্ম আয়ের মানুষেরাই পাচ্ছেন সেবা।

লাইনে দাঁড়িয়ে জাতীয় পরিচয় পত্র জমা দিয়ে নাম তালিকা ভুক্ত করে সরকার নির্ধারীত মুল্যে আটা ও চাল সংগ্রহ করছে অত্র ওয়ার্ডের নিন্ম আয়ের মানুষেরা, স্বল্প মুল্যে চাল ও আটা পেয়ে সরকারের এই জনবান্ধব কার্যক্রমকে সাধুবাদ জানিয়েছে উপকার ভোগীরা।

বিজয়পুর গ্রাম থেকে আটা নিতে আসা জাফর মিয়া বলেন, আমি ১২০ টাকা দিয়ে পাঁচ কেজি আটা নিলাম, কোন সমস্যা নেই, আসলেই মাল পাওয়া যায়,হাট বাড়িয়া গ্রাম থেকে আসা আরতি রানী দাস জানান, ডিলারের ব্যবহার ভালো, আসলে কোন দিন ফিরে যেতে হয়নি, ব্রাম্মনডাঙ্গা থেকে আসা রাবেয়া জানান,এই ডিলার ঠিকভাবে চাল আটা দেয়, কোন সমস্যা হয়না।

এ বিষয়ে ৯ নং ওয়ার্ডের ও এম এস ডিলার দেলোয়ার এন্টারপ্রাইজ এর স্বত্বাধিকারী দেলোয়ার হোসেন বলেন হাট বাড়িয়া,ব্রাম্মনডাঙ্গা, বিজয়পুর, বেনাডোপ মথুরাপুর, কাশিয়ারা নিয়ে আমাদের এই ৯ নং ওয়ার্ড। সরকারি নিয়ম অনুযায়ী সরকারি ছুটির দিন বাদে আমরা সপ্তাহে পাঁচ দিন চাল ও আটা দিয়ে থাকি।এই পাঁচ দিনের মধ্যে চার দিন ১৩০ জনকে ও সপ্তাহে একদিন ১৪০ জনের মাঝে চাল ও আটা বিতরণ করা হয়। প্রতি কেজি আটা ২৪ টাকা ও চাল ৩০ টাকা কেজি দরে জন প্রতি পাঁচ কেজি করে সরকারি নির্দেশনা মতে দেওয়া হয়।তবে লোকের যে চাপ তাতে বরাদ্দ বাড়ানো প্রয়োজন, কারন আউড়িয়া ইউনিয়ন ও আশে পাশের ওয়ার্ড থেকেও অনেক লোক আসে।বরাদ্দ সিমীত থাকায় হিমশিম খেতে হয়।