০৩:৪০ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬

মণিরামপুরে এক বিদ্যালয়ের রুম থেকে নৈশ‍্য প্রহরীর লাশ উদ্ধার

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৭:৫০:৫৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ জুলাই ২০২৫
  • / ১৩২

আনিছুর রহমান: মণিরামপুর উপজেলার হেলাঞ্চী কৃষ্ণবাটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের একটি রুম থেকে ওই বিদ‍্যালয়ের নৈশ‍্যপ্রহরী কাত্তিক দাসের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় মণিরামপুর ও কেশবপুরের এএসপি (খ-সার্কেল) ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

জানা যায় প্রায় দীর্ঘ ৩০ বছর যাবত উক্ত বিদ‍্যালয়ে নৈশ‍্য প্রহরীর চাকরি করে আসছে কাত্তিক দাস। তিনি গত ২৩ জুলাই বুধবার বার রাতে ডিউটি শেষে প্রতিদিনের ন‍্যায় বিদ্যালয়ের তার নির্দিষ্ট রুমে ঘুমিয়ে পড়েন।

এদিকে বৃহস্পতিবার সকাল নয়টার পর বিদ‍্যালয়ে হাজির হন মিজান স্যার ও সুকুমার স্যার। তারা এসে দেখে নাইট গার্ডের শয়ন রুমের দরজা বন্ধ। এ সময় স‍্যারেরা কার্তিক দাসকে ডাকাডাকি করতে থাকে। তখন কোন সাড়াশব্দ না পেয়ে মিজান স্যার ও সুকুমার স্যার ছাত্র ছাত্রী ও স্থানীয় লোকজনকে সাথে নিয়ে বিদ্যালয়ের দরজা ভেঙ্গে ফেলে দেখতে পায় কাত্তিক দাসের লাশটি পড়ে আছে। তখন তারা ধারনা করছে সে স্ট্রোক করে মারা গেছে।তাৎক্ষনিক খেদাপাড়া ইউনিয়ন বি এন পির সভাপতি রায়হান উদ্দীন মনিরামপুর থানার অফিসার ইনচার্জ বাবলুর রহমানকে ফোনে বিষয়টি জানন। এর পর খেদাপাড়া পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এস আই সাহাবুল ও এ এস আই শহীদউদ্দিন সহ স্বর্গীয় ফোর্স নিয়ে ঘটনা স্থলে উপস্হিত হয়ে প্রাথমিক তদন্ত শেষ করেন।

কথা হয় বিদ্যালয়ের শিক্ষক মিজানুর রহমান স্যারের সাথে তিনি প্রতিনিধিকে বলেন আমি এবং সুকুমার স্যার প্রথমে বিদ্যালয়ে এসে দেখি নাইট গার্ডের ঘুমিয়ে থাকা রুমটি বন্ধ। তখন আমি ও সুকুমার সার সহ কয়েকজন তাকে ডাকাডাকি করে কোন সাড়া শব্দ না পেয়ে আরো লোকজন ডেকে এনে দরজা ভেঙে ঘর থেকে তার লাশটি উদ্ধার করি। ধারনা করছি সে স্ট্রোক করে মারা গেছে।

এ বিষয় পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ সাহাবুল ইসলাম জানান, সংবাদ পেয়ে আমি বিদ‍্যালয়েযায়। পরে লাশটির প্রাথমিক তদন্তে শেষ করি। ধারনা করা হচ্ছে তার মৃত‍্যু স্ট্রোক জনিতে রোগে হয়েছে। এ বিষয়ে থানায় ইউডি মামলা করা হয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

মণিরামপুরে এক বিদ্যালয়ের রুম থেকে নৈশ‍্য প্রহরীর লাশ উদ্ধার

আপডেট: ০৭:৫০:৫৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ জুলাই ২০২৫

আনিছুর রহমান: মণিরামপুর উপজেলার হেলাঞ্চী কৃষ্ণবাটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের একটি রুম থেকে ওই বিদ‍্যালয়ের নৈশ‍্যপ্রহরী কাত্তিক দাসের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় মণিরামপুর ও কেশবপুরের এএসপি (খ-সার্কেল) ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

জানা যায় প্রায় দীর্ঘ ৩০ বছর যাবত উক্ত বিদ‍্যালয়ে নৈশ‍্য প্রহরীর চাকরি করে আসছে কাত্তিক দাস। তিনি গত ২৩ জুলাই বুধবার বার রাতে ডিউটি শেষে প্রতিদিনের ন‍্যায় বিদ্যালয়ের তার নির্দিষ্ট রুমে ঘুমিয়ে পড়েন।

এদিকে বৃহস্পতিবার সকাল নয়টার পর বিদ‍্যালয়ে হাজির হন মিজান স্যার ও সুকুমার স্যার। তারা এসে দেখে নাইট গার্ডের শয়ন রুমের দরজা বন্ধ। এ সময় স‍্যারেরা কার্তিক দাসকে ডাকাডাকি করতে থাকে। তখন কোন সাড়াশব্দ না পেয়ে মিজান স্যার ও সুকুমার স্যার ছাত্র ছাত্রী ও স্থানীয় লোকজনকে সাথে নিয়ে বিদ্যালয়ের দরজা ভেঙ্গে ফেলে দেখতে পায় কাত্তিক দাসের লাশটি পড়ে আছে। তখন তারা ধারনা করছে সে স্ট্রোক করে মারা গেছে।তাৎক্ষনিক খেদাপাড়া ইউনিয়ন বি এন পির সভাপতি রায়হান উদ্দীন মনিরামপুর থানার অফিসার ইনচার্জ বাবলুর রহমানকে ফোনে বিষয়টি জানন। এর পর খেদাপাড়া পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এস আই সাহাবুল ও এ এস আই শহীদউদ্দিন সহ স্বর্গীয় ফোর্স নিয়ে ঘটনা স্থলে উপস্হিত হয়ে প্রাথমিক তদন্ত শেষ করেন।

কথা হয় বিদ্যালয়ের শিক্ষক মিজানুর রহমান স্যারের সাথে তিনি প্রতিনিধিকে বলেন আমি এবং সুকুমার স্যার প্রথমে বিদ্যালয়ে এসে দেখি নাইট গার্ডের ঘুমিয়ে থাকা রুমটি বন্ধ। তখন আমি ও সুকুমার সার সহ কয়েকজন তাকে ডাকাডাকি করে কোন সাড়া শব্দ না পেয়ে আরো লোকজন ডেকে এনে দরজা ভেঙে ঘর থেকে তার লাশটি উদ্ধার করি। ধারনা করছি সে স্ট্রোক করে মারা গেছে।

এ বিষয় পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ সাহাবুল ইসলাম জানান, সংবাদ পেয়ে আমি বিদ‍্যালয়েযায়। পরে লাশটির প্রাথমিক তদন্তে শেষ করি। ধারনা করা হচ্ছে তার মৃত‍্যু স্ট্রোক জনিতে রোগে হয়েছে। এ বিষয়ে থানায় ইউডি মামলা করা হয়েছে।