০২:২৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬

শার্শা ও চৌগাছা সীমান্তে বিজিবি’র কঠোর অবস্থানে ৭ মাসে ১ কোটি ২২ লক্ষ টাকার মাদকদ্রব্য জব্দ, আটক-৩৫

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৪:৪২:৩৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ জুলাই ২০২৫
  • / ৯১

নিজস্ব প্রতিবেদক: অন্তর্বর্তী সরকারের মাদকবিরোধী ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির অংশ হিসেবে যশোর সীমান্তে গৃহীত হয়েছে সাঁড়াশি অভিযান। এ অভিযানে চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে জুলাই পর্যন্ত যশোরের শার্শা ও চৌগাছা সীমান্ত এলাকা থেকে প্রায় ১ কোটি ২১ লাখ ৬৮ হাজার সাত টাকা মূল্যের মাদকদ্রব্য জব্দ করেছে যশোর ব্যাটালিয়ন (৪৯ বিজিবি)।

বিজিবির পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল সাইফুল্লাহ সিদ্দিকী এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

তিনি জানান, ৭ মাসে পরিচালিত অভিযানে জব্দ করা হয়েছে: ১৮৬২ বোতল বিদেশী মদ, ২৪.১২৫ লিটার দেশী মদ, ৭৫৭২ বোতল ভারতীয় ফেনসিডিল, ১৯৮ পিস ইয়াবা, ৫০০ গ্রাম হেরোইন, ১৬ বোতল বিয়ার, ১৭০৫২ পিস নেশাজাতীয় ট্যাবলেট, ১৯৭ কেজি গাঁজা।

এ সময় বাংলাদেশী ৩৪ জন ও ভারতীয় ১ জনসহ মোট ৩৫ জন চোরাকারবারীকে আটক করা হয়েছে।

বিজিবি অধিনায়ক আরও জানান, সীমান্তে মাদক চোরাচালান প্রতিরোধ অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিং। কারণ, চোরাকারবারীরা স্থানীয় অসহায় মানুষদের প্রলোভন দেখিয়ে তাদের মাধ্যমে মাদক পাচার করে। ফলে মূল হোতারা থেকে যায় ধরা ছোঁয়ার বাইরে। তবুও বিজিবি প্রতিনিয়ত বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করে আন্তরিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
তিনি দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করে বলেন, “মাদক চোরাচালান শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনতেই আমাদের অভিযান চলবে।”

Please Share This Post in Your Social Media

শার্শা ও চৌগাছা সীমান্তে বিজিবি’র কঠোর অবস্থানে ৭ মাসে ১ কোটি ২২ লক্ষ টাকার মাদকদ্রব্য জব্দ, আটক-৩৫

আপডেট: ০৪:৪২:৩৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ জুলাই ২০২৫

নিজস্ব প্রতিবেদক: অন্তর্বর্তী সরকারের মাদকবিরোধী ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির অংশ হিসেবে যশোর সীমান্তে গৃহীত হয়েছে সাঁড়াশি অভিযান। এ অভিযানে চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে জুলাই পর্যন্ত যশোরের শার্শা ও চৌগাছা সীমান্ত এলাকা থেকে প্রায় ১ কোটি ২১ লাখ ৬৮ হাজার সাত টাকা মূল্যের মাদকদ্রব্য জব্দ করেছে যশোর ব্যাটালিয়ন (৪৯ বিজিবি)।

বিজিবির পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল সাইফুল্লাহ সিদ্দিকী এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

তিনি জানান, ৭ মাসে পরিচালিত অভিযানে জব্দ করা হয়েছে: ১৮৬২ বোতল বিদেশী মদ, ২৪.১২৫ লিটার দেশী মদ, ৭৫৭২ বোতল ভারতীয় ফেনসিডিল, ১৯৮ পিস ইয়াবা, ৫০০ গ্রাম হেরোইন, ১৬ বোতল বিয়ার, ১৭০৫২ পিস নেশাজাতীয় ট্যাবলেট, ১৯৭ কেজি গাঁজা।

এ সময় বাংলাদেশী ৩৪ জন ও ভারতীয় ১ জনসহ মোট ৩৫ জন চোরাকারবারীকে আটক করা হয়েছে।

বিজিবি অধিনায়ক আরও জানান, সীমান্তে মাদক চোরাচালান প্রতিরোধ অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিং। কারণ, চোরাকারবারীরা স্থানীয় অসহায় মানুষদের প্রলোভন দেখিয়ে তাদের মাধ্যমে মাদক পাচার করে। ফলে মূল হোতারা থেকে যায় ধরা ছোঁয়ার বাইরে। তবুও বিজিবি প্রতিনিয়ত বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করে আন্তরিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
তিনি দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করে বলেন, “মাদক চোরাচালান শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনতেই আমাদের অভিযান চলবে।”