১০:১৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬

এনবিআর বিশৃঙ্খলার পেছনে দেশের শীর্ষস্থানীয় তিন ব্যবসায়িক গোষ্ঠী! নেটজুড়ে ব্যাপক ক্ষোভ

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০২:৪২:৩৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ জুন ২০২৫
  • / ৮৩

বিশেষ প্রতিবেদক : জাতীয় রাজস্ব বোর্ডে (এনবিআর) চলমান আন্দোলন ও অস্থিরতার পেছনে সক্রিয় ভূমিকা রাখছে দেশের শীর্ষস্থানীয় তিন ব্যবসায়িক গোষ্ঠী। ফ্যাসিস্ট হাসিনা সরকারে রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় বারবার পদোন্নতি, বদলি রদ, আর্থিক ও প্রশাসনিক সুবিধা পেয়ে আসা সুসংগঠিত ও সুযোগসন্ধানী কর্মকর্তাদের একটি গোষ্ঠীর সাথে আঁতাত করে এই অচলাবস্থা তৈরি করা হয়েছে। সরকারকে বিপুল পরিমাণ শুল্ক-কর ফাঁকি দেয়ার সুযোগ বহাল রাখতেই মূলত ওই তিন গ্রুপ সক্রিয়ভাবে মাঠে নেমেছে‌। এনিয়ে দেশের সাধারণ ব্যবসায়ী ও নেটিজেনদের মাঝে চরম ক্ষোভ বিরাজ করছে।

এই তিন ব্যবসায়ী গ্রুপের মধ্যে শীর্ষস্থানীয় গ্রুপটির বিরুদ্ধে ছায়া সরকার পরিচালনার অভিযোগ রয়েছে। এই ব্যবসায়ী গোষ্ঠীটির মালিকানাধীন বড় মিডিয়া নেটওয়ার্ককে এই আন্দোলনের পেছনে‌ নিয়োজিত রাখা হয়েছে। দ্বিতীয় আরেকটি বড় ব্যবসায়ী গ্রুপ তাদেরই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী, কয়েকটি বড় শপিংমলের মালিক। তাদেরও রয়েছে একটি বড় মিডিয়া। এনবিআর আন্দোলনে উস্কানি দিতে এই মিডিয়াটি ভূমিকা রাখছে। তৃতীয় ব্যবসায়ী গ্রুপটি একটি বড় গার্মেন্টস এর মালিক। অবৈধ সুযোগ-সুবিধা নিতে ছাত্রদের সাথে সখ্যতা গড়ে তোলার অভিযোগ রয়েছে এই গ্রুপটির বিরুদ্ধে। এই গ্রুপটিরও কয়েকটি মিডিয়া রয়েছে, যেগুলোকে ব্যবহার করা হচ্ছে এই আন্দোলন উসকে দেওয়ার পেছনে।

এদিকে, এনবিআরের চলমান আন্দোলন নিয়ে নিজেদের অবস্থান পরিষ্কার করেছে বিএনপি। দলটির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভী বলেছেন, এনবিআরে আন্দোলনকারীরা বিএনপির কেউ নয়। সরকারি কোনো প্রতিষ্ঠানে বিএনপির হাইকমান্ডের অনুমতি ছাড়া আন্দোলন করলে বা আন্দোলনের নামে যদি কেউ নৈরাজ্য করে, তারা বিএনপির কেউ নয়। বিএনপির নামে কেউ আধিপত্য বিস্তার করার চেষ্টা করলে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। তিনি বলেন, ‘আমরা শুনেছি, ইনকাম ট্যাক্স অফিসে (এনবিআর) একজন ব্যক্তি বিএনপির নাম ভাঙিয়ে আন্দোলন করছেন। এই আন্দোলনে বিএনপি’র কোন সম্পৃক্ততা ও সমর্থন নেই বলে স্পষ্ট করেন তিনি।

বিএনপির এই বক্তব্যের পর এনবিআর ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে মাঠে নেমেছেন দেশের ব্যবসায়ীরা। এনবিআর কমপ্লিট শাটডাউনের ঘোষণায় দেশের শীর্ষস্থানীয় ব্যবসায়ী ও শিল্প উদ্যোক্তারা চরম উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তারা সমস্যা নিরসনে আর সময় ব্যয় না করে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের নেতৃত্বে সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগ যথা অর্থ মন্ত্রণালয়, বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও বিডা যৌথভাবে আন্দোলনরত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে আলোচনায় বসা অতীব জরুরি বলে মনে করেন। একই সঙ্গে দেশের অর্থনীতির স্বার্থে এনবিআরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কলম বিরতি/কমপ্লিট শাটডাউনের মতো কর্মসূচি প্রত্যাহার করে কাজে যোগদান করার আহ্বান জানিয়েছেন। তারা বলছেন, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কমপ্লিট শাটডাউন কর্মসূচির ফলে আমদানি ও রপ্তানিকারকদের ওপর বিপর্যয় নিয়ে আসবে, যা হবে দেশের অর্থনীতির জন্য একটি অশনিসংকেত। শনিবার (২৮ জুন) রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন ব্যবসায়ীরা।

সূত্রে জানা যায়, তিন শীর্ষ ব্যবসায়ী গ্রুপ প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদকে বিপুল পরিমাণ অর্থের বিনিময়ে ম্যানেজ করার জন্য অনেক দোড়ঝাপ করে। সরকারের শীর্ষস্থানীয় এই দুই ব্যক্তি নীতিতে অটল থাকায় জোর প্রচেষ্টা চালিয়েও ব্যর্থ হয়ে আন্দোলন বেগবান করে স্বার্থান্বেষী এসব গ্রুপ। তাদের সাথে যুক্ত হয় গোয়েন্দা সংস্থার কিছু পথভ্রষ্ট কর্মকর্তা।

উল্লেখ্য, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) বিলুপ্ত করে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অধীনে রাজস্ব নীতি বিভাগ ও রাজস্ব ব্যবস্থাপনা বিভাগ নামে দুটি স্বতন্ত্র বিভাগ প্রতিষ্ঠা করেছে অন্তর্বর্তী সরকার।

জানা গেছে, কর আদায় বাড়াতে কর কাঠামো সংস্কারের অংশ হিসেবে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড ও অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ বিলুপ্ত করে দুই স্বতন্ত্র বিভাগ প্রতিষ্ঠা করে অধ্যাদেশ জারি করে সরকার। নতুন এ সিদ্ধান্তের লক্ষ্য রাজস্ব আহরণ ব্যবস্থাপনা থেকে রাজস্ব নীতি প্রণয়ন কার্যক্রমকে পৃথক করার মাধ্যমে দেশের রাজস্ব ব্যবস্থার দক্ষতা বৃদ্ধি, স্বার্থের দ্বন্দ্ব কমানো এবং রাজস্ব আহরণের আওতা সম্প্রসারণ।রাজস্ব নীতি নির্ধারণ এবং প্রয়োগ উভয়ই একই ছাদের নিচে থাকার ফলে কর নীতির সঙ্গে আপস এবং ব্যাপক অনিয়মের সৃষ্টি হয়েছে। বর্তমান ব্যবস্থায় কর আদায়ের জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা কোনো কাঠামোগত জবাবদিহির আওতায় নেই এবং প্রায়ই কর খেলাপিদের কাছ থেকে কর আদায়ের ক্ষেত্রে জনস্বার্থের দিক অগ্রাধিকার না দিয়ে আপস করেন। অনেক ক্ষেত্রে কর আদায়কারীরা কর ফাঁকিদাতাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেন না এবং ব্যক্তিগত স্বার্থে তাদের উল্টো সহায়তা করে থাকেন। এর নিরসনেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়।

ইঞ্জিনিয়ার শফিকুল ইসলাম ফেসবুকে লিখেছেন, আমি একটি রভ ফ্যাক্টরি কাজ করি। রাজস্ব নীতি বিভাগ ও রাজস্ব ব্যবস্থাপনা বিভাগ নামে দুটি স্বতন্ত্র বিভাগ প্রতিষ্ঠা করায় সাধারণ ব্যবসায়ীরা খুশি। এটি একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ। এতে কর ও শুল্ক ফাঁকি দেওয়া বন্ধ হবে। বাড়বে দেশের রাজস্ব আহহরণ।

তরিকুল শিকদার লিখেছেন, আন্দোলন করা এসব কর্মকর্তাদের যোগসাজশে অসাধু ব্যবসায়ী গোষ্ঠীগুলি এতদিন হাজার হাজার কোটি টাকা সরকারের কর ফাঁকি দিয়েছে। দুর্নীতি করার পথ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় অসাধু কর্মকর্তারা‌ উঠে পড়ে লেগেছে। সরকারকে অবশ্যই এসব কর্মকর্তার দুর্নীতি ফাঁস করতে হবে এবং তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে‌।

Please Share This Post in Your Social Media

এনবিআর বিশৃঙ্খলার পেছনে দেশের শীর্ষস্থানীয় তিন ব্যবসায়িক গোষ্ঠী! নেটজুড়ে ব্যাপক ক্ষোভ

আপডেট: ০২:৪২:৩৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ জুন ২০২৫

বিশেষ প্রতিবেদক : জাতীয় রাজস্ব বোর্ডে (এনবিআর) চলমান আন্দোলন ও অস্থিরতার পেছনে সক্রিয় ভূমিকা রাখছে দেশের শীর্ষস্থানীয় তিন ব্যবসায়িক গোষ্ঠী। ফ্যাসিস্ট হাসিনা সরকারে রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় বারবার পদোন্নতি, বদলি রদ, আর্থিক ও প্রশাসনিক সুবিধা পেয়ে আসা সুসংগঠিত ও সুযোগসন্ধানী কর্মকর্তাদের একটি গোষ্ঠীর সাথে আঁতাত করে এই অচলাবস্থা তৈরি করা হয়েছে। সরকারকে বিপুল পরিমাণ শুল্ক-কর ফাঁকি দেয়ার সুযোগ বহাল রাখতেই মূলত ওই তিন গ্রুপ সক্রিয়ভাবে মাঠে নেমেছে‌। এনিয়ে দেশের সাধারণ ব্যবসায়ী ও নেটিজেনদের মাঝে চরম ক্ষোভ বিরাজ করছে।

এই তিন ব্যবসায়ী গ্রুপের মধ্যে শীর্ষস্থানীয় গ্রুপটির বিরুদ্ধে ছায়া সরকার পরিচালনার অভিযোগ রয়েছে। এই ব্যবসায়ী গোষ্ঠীটির মালিকানাধীন বড় মিডিয়া নেটওয়ার্ককে এই আন্দোলনের পেছনে‌ নিয়োজিত রাখা হয়েছে। দ্বিতীয় আরেকটি বড় ব্যবসায়ী গ্রুপ তাদেরই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী, কয়েকটি বড় শপিংমলের মালিক। তাদেরও রয়েছে একটি বড় মিডিয়া। এনবিআর আন্দোলনে উস্কানি দিতে এই মিডিয়াটি ভূমিকা রাখছে। তৃতীয় ব্যবসায়ী গ্রুপটি একটি বড় গার্মেন্টস এর মালিক। অবৈধ সুযোগ-সুবিধা নিতে ছাত্রদের সাথে সখ্যতা গড়ে তোলার অভিযোগ রয়েছে এই গ্রুপটির বিরুদ্ধে। এই গ্রুপটিরও কয়েকটি মিডিয়া রয়েছে, যেগুলোকে ব্যবহার করা হচ্ছে এই আন্দোলন উসকে দেওয়ার পেছনে।

এদিকে, এনবিআরের চলমান আন্দোলন নিয়ে নিজেদের অবস্থান পরিষ্কার করেছে বিএনপি। দলটির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভী বলেছেন, এনবিআরে আন্দোলনকারীরা বিএনপির কেউ নয়। সরকারি কোনো প্রতিষ্ঠানে বিএনপির হাইকমান্ডের অনুমতি ছাড়া আন্দোলন করলে বা আন্দোলনের নামে যদি কেউ নৈরাজ্য করে, তারা বিএনপির কেউ নয়। বিএনপির নামে কেউ আধিপত্য বিস্তার করার চেষ্টা করলে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। তিনি বলেন, ‘আমরা শুনেছি, ইনকাম ট্যাক্স অফিসে (এনবিআর) একজন ব্যক্তি বিএনপির নাম ভাঙিয়ে আন্দোলন করছেন। এই আন্দোলনে বিএনপি’র কোন সম্পৃক্ততা ও সমর্থন নেই বলে স্পষ্ট করেন তিনি।

বিএনপির এই বক্তব্যের পর এনবিআর ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে মাঠে নেমেছেন দেশের ব্যবসায়ীরা। এনবিআর কমপ্লিট শাটডাউনের ঘোষণায় দেশের শীর্ষস্থানীয় ব্যবসায়ী ও শিল্প উদ্যোক্তারা চরম উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তারা সমস্যা নিরসনে আর সময় ব্যয় না করে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের নেতৃত্বে সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগ যথা অর্থ মন্ত্রণালয়, বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও বিডা যৌথভাবে আন্দোলনরত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে আলোচনায় বসা অতীব জরুরি বলে মনে করেন। একই সঙ্গে দেশের অর্থনীতির স্বার্থে এনবিআরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কলম বিরতি/কমপ্লিট শাটডাউনের মতো কর্মসূচি প্রত্যাহার করে কাজে যোগদান করার আহ্বান জানিয়েছেন। তারা বলছেন, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কমপ্লিট শাটডাউন কর্মসূচির ফলে আমদানি ও রপ্তানিকারকদের ওপর বিপর্যয় নিয়ে আসবে, যা হবে দেশের অর্থনীতির জন্য একটি অশনিসংকেত। শনিবার (২৮ জুন) রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন ব্যবসায়ীরা।

সূত্রে জানা যায়, তিন শীর্ষ ব্যবসায়ী গ্রুপ প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদকে বিপুল পরিমাণ অর্থের বিনিময়ে ম্যানেজ করার জন্য অনেক দোড়ঝাপ করে। সরকারের শীর্ষস্থানীয় এই দুই ব্যক্তি নীতিতে অটল থাকায় জোর প্রচেষ্টা চালিয়েও ব্যর্থ হয়ে আন্দোলন বেগবান করে স্বার্থান্বেষী এসব গ্রুপ। তাদের সাথে যুক্ত হয় গোয়েন্দা সংস্থার কিছু পথভ্রষ্ট কর্মকর্তা।

উল্লেখ্য, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) বিলুপ্ত করে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অধীনে রাজস্ব নীতি বিভাগ ও রাজস্ব ব্যবস্থাপনা বিভাগ নামে দুটি স্বতন্ত্র বিভাগ প্রতিষ্ঠা করেছে অন্তর্বর্তী সরকার।

জানা গেছে, কর আদায় বাড়াতে কর কাঠামো সংস্কারের অংশ হিসেবে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড ও অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ বিলুপ্ত করে দুই স্বতন্ত্র বিভাগ প্রতিষ্ঠা করে অধ্যাদেশ জারি করে সরকার। নতুন এ সিদ্ধান্তের লক্ষ্য রাজস্ব আহরণ ব্যবস্থাপনা থেকে রাজস্ব নীতি প্রণয়ন কার্যক্রমকে পৃথক করার মাধ্যমে দেশের রাজস্ব ব্যবস্থার দক্ষতা বৃদ্ধি, স্বার্থের দ্বন্দ্ব কমানো এবং রাজস্ব আহরণের আওতা সম্প্রসারণ।রাজস্ব নীতি নির্ধারণ এবং প্রয়োগ উভয়ই একই ছাদের নিচে থাকার ফলে কর নীতির সঙ্গে আপস এবং ব্যাপক অনিয়মের সৃষ্টি হয়েছে। বর্তমান ব্যবস্থায় কর আদায়ের জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা কোনো কাঠামোগত জবাবদিহির আওতায় নেই এবং প্রায়ই কর খেলাপিদের কাছ থেকে কর আদায়ের ক্ষেত্রে জনস্বার্থের দিক অগ্রাধিকার না দিয়ে আপস করেন। অনেক ক্ষেত্রে কর আদায়কারীরা কর ফাঁকিদাতাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেন না এবং ব্যক্তিগত স্বার্থে তাদের উল্টো সহায়তা করে থাকেন। এর নিরসনেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়।

ইঞ্জিনিয়ার শফিকুল ইসলাম ফেসবুকে লিখেছেন, আমি একটি রভ ফ্যাক্টরি কাজ করি। রাজস্ব নীতি বিভাগ ও রাজস্ব ব্যবস্থাপনা বিভাগ নামে দুটি স্বতন্ত্র বিভাগ প্রতিষ্ঠা করায় সাধারণ ব্যবসায়ীরা খুশি। এটি একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ। এতে কর ও শুল্ক ফাঁকি দেওয়া বন্ধ হবে। বাড়বে দেশের রাজস্ব আহহরণ।

তরিকুল শিকদার লিখেছেন, আন্দোলন করা এসব কর্মকর্তাদের যোগসাজশে অসাধু ব্যবসায়ী গোষ্ঠীগুলি এতদিন হাজার হাজার কোটি টাকা সরকারের কর ফাঁকি দিয়েছে। দুর্নীতি করার পথ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় অসাধু কর্মকর্তারা‌ উঠে পড়ে লেগেছে। সরকারকে অবশ্যই এসব কর্মকর্তার দুর্নীতি ফাঁস করতে হবে এবং তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে‌।