১২:৩৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬

যশোর সীমান্তে বিজিবি’র অভিযানে মাদকদ্রব্যসহ সাড়ে এগারো লক্ষ টাকার অবৈধ চোরাই পণ্য জব্দ

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৭:৫২:৩২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ জুন ২০২৫
  • / ১৫২

নিজস্ব প্রতিবেদক: যশোরের সীমান্ত এলাকা থেকে এক বিশাল মাদক ও চোরাচালান বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে বিজিবি।

শুক্রবার (২৭ জুন-২০২৫) বিজিবি’র যশোর ব্যাটালিয়ন (৪৯ বিজিবি) এর টহলদল কর্তৃক ব্যাটালিয়ন সদর, আন্দুলিয়া ও বেনাপোল বিওপি এবং বেনাপোল আইসিপি’র সীমান্ত এলাকায় মাদক এবং চোরাচালান বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে বিদেশী মদ, গাঁজা, ফেন্সিডিল, শাড়ী এবং কসমেটিক্স সামগ্রী আটক করে। আটককৃত মালামালের মূল্য (এগারো লক্ষ ঊনসত্তর হাজার) টাকা।

যশোর ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেঃ কর্নেল সাইফুল্লাহ্ সিদ্দিকী জানান, দীর্ঘদিন যাবত মাদক এবং চোরাচালান দমনে বিজিবির কঠোর অভিযান অব্যাহত রয়েছে। সীমান্তবর্তী এলাকায় গোপন গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে এসব অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, “মাদক ও চোরাচালান বিরোধী এই অভিযান নিয়মিতভাবে অব্যাহত থাকবে যাতে সীমান্ত এলাকা সম্পূর্ণ নিরাপদ রাখা যায়।”

আটককৃত ভারতীয় পণ্যগুলো কাস্টমস কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। মাদকদ্রব্যগুলো নিরাপদে ধ্বংসের জন্য যশোর ব্যাটালিয়ন সদর দপ্তরে পাঠানো হয়েছে।

সীমান্তে এই ধরনের অভিযানের ফলে পাচার চক্রগুলোতে কঠোর আঘাত হানতে সক্ষম হয়েছে বিজিবি, যা দেশের নিরাপত্তায় ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে মনে করা হচ্ছে।

Please Share This Post in Your Social Media

যশোর সীমান্তে বিজিবি’র অভিযানে মাদকদ্রব্যসহ সাড়ে এগারো লক্ষ টাকার অবৈধ চোরাই পণ্য জব্দ

আপডেট: ০৭:৫২:৩২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ জুন ২০২৫

নিজস্ব প্রতিবেদক: যশোরের সীমান্ত এলাকা থেকে এক বিশাল মাদক ও চোরাচালান বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে বিজিবি।

শুক্রবার (২৭ জুন-২০২৫) বিজিবি’র যশোর ব্যাটালিয়ন (৪৯ বিজিবি) এর টহলদল কর্তৃক ব্যাটালিয়ন সদর, আন্দুলিয়া ও বেনাপোল বিওপি এবং বেনাপোল আইসিপি’র সীমান্ত এলাকায় মাদক এবং চোরাচালান বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে বিদেশী মদ, গাঁজা, ফেন্সিডিল, শাড়ী এবং কসমেটিক্স সামগ্রী আটক করে। আটককৃত মালামালের মূল্য (এগারো লক্ষ ঊনসত্তর হাজার) টাকা।

যশোর ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেঃ কর্নেল সাইফুল্লাহ্ সিদ্দিকী জানান, দীর্ঘদিন যাবত মাদক এবং চোরাচালান দমনে বিজিবির কঠোর অভিযান অব্যাহত রয়েছে। সীমান্তবর্তী এলাকায় গোপন গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে এসব অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, “মাদক ও চোরাচালান বিরোধী এই অভিযান নিয়মিতভাবে অব্যাহত থাকবে যাতে সীমান্ত এলাকা সম্পূর্ণ নিরাপদ রাখা যায়।”

আটককৃত ভারতীয় পণ্যগুলো কাস্টমস কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। মাদকদ্রব্যগুলো নিরাপদে ধ্বংসের জন্য যশোর ব্যাটালিয়ন সদর দপ্তরে পাঠানো হয়েছে।

সীমান্তে এই ধরনের অভিযানের ফলে পাচার চক্রগুলোতে কঠোর আঘাত হানতে সক্ষম হয়েছে বিজিবি, যা দেশের নিরাপত্তায় ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে মনে করা হচ্ছে।