০১:২৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬

ভিন্ন নামে দেশে কোন কোটা ফিরিয়ে আনা হলে রক্ত দিয়ে প্রতিহত করা হবে

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৭:০০:৪৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ মার্চ ২০২৫
  • / ২০৫

ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ ঝিনাইদহে গণঅধিকার পরিষদের উদ্যোগে এক সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে জেলা গণঅধিকার পরিষদের আরাপপুর এলাকার আঞ্চলিক কার্যালয়ে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

সংগঠনের সভাপতি আব্দুল্লাহ আল মামুন সংবাদ সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন। ছাত্র অধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রিহান হোসেন রায়হান সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে বলেন, যে বৈষম্যমূলক কোটার বিরুদ্ধে ছাত্র-জনতার এতবড় আত্মত্যাগ, সেই কোটা ব্যবস্থা আবারও চালু করা হলে কঠোর ভাবে প্রতিহত করা হবে। তিনি বলেন শহীদ এবং আহতদের সুচিকিৎসা ও পুর্নবাসনের ব্যবস্থা না করে তাদের কোটা নামক সুবিধা দেওয়ার চেষ্টা করা মানে সুস্পষ্টও রাজনৈতিক ফায়দা হাসিলের সুযোগ সৃষ্টি করা, ঠিক যেমনি ভাবে মুক্তিযোদ্ধা কোটার সুযোগ-সুবিধা দিয়ে দলে টানতেন ফ্যাসীবাদী আওয়ামীলীগ।

অন্তবর্তীকালীন সরকারের ছাত্র প্রতিনিধিদের দায়িত্ব ছিলো পুরো জাতির ঐক্য ধরে রেখে রাষ্ট্র পুনর্গঠন করা। কিন্তু সেটা না করে এভাবে কোটাব্যবস্থা চালুর মাধ্যমে জাতিকে বিভক্ত করে রাজনৈতিক ফায়দা লাভের সুযোগ করা দুঃখজনক।

কোটার এমন সিদ্ধান্তে শহীদদের প্রকৃত চেতনাকে ভূলণ্ঠিত করে ছাত্র- জনতার জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রকৃত চেতনা ও স্পিরিটকে ভুল পথে প্রভাবিত করা হচ্ছে। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন সাংগঠনিক সম্পাদক মামনুন রহমান, সিনিয়র সহ-সভাপতি সজিব আহমেদ, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রিফাত মাহমুদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও সদর উপজেলার সাধারণ সম্পাদক রাব্বি শাহ ও সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক পারভেজ খান অন্তর।

Please Share This Post in Your Social Media

ভিন্ন নামে দেশে কোন কোটা ফিরিয়ে আনা হলে রক্ত দিয়ে প্রতিহত করা হবে

আপডেট: ০৭:০০:৪৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ মার্চ ২০২৫

ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ ঝিনাইদহে গণঅধিকার পরিষদের উদ্যোগে এক সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে জেলা গণঅধিকার পরিষদের আরাপপুর এলাকার আঞ্চলিক কার্যালয়ে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

সংগঠনের সভাপতি আব্দুল্লাহ আল মামুন সংবাদ সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন। ছাত্র অধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রিহান হোসেন রায়হান সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে বলেন, যে বৈষম্যমূলক কোটার বিরুদ্ধে ছাত্র-জনতার এতবড় আত্মত্যাগ, সেই কোটা ব্যবস্থা আবারও চালু করা হলে কঠোর ভাবে প্রতিহত করা হবে। তিনি বলেন শহীদ এবং আহতদের সুচিকিৎসা ও পুর্নবাসনের ব্যবস্থা না করে তাদের কোটা নামক সুবিধা দেওয়ার চেষ্টা করা মানে সুস্পষ্টও রাজনৈতিক ফায়দা হাসিলের সুযোগ সৃষ্টি করা, ঠিক যেমনি ভাবে মুক্তিযোদ্ধা কোটার সুযোগ-সুবিধা দিয়ে দলে টানতেন ফ্যাসীবাদী আওয়ামীলীগ।

অন্তবর্তীকালীন সরকারের ছাত্র প্রতিনিধিদের দায়িত্ব ছিলো পুরো জাতির ঐক্য ধরে রেখে রাষ্ট্র পুনর্গঠন করা। কিন্তু সেটা না করে এভাবে কোটাব্যবস্থা চালুর মাধ্যমে জাতিকে বিভক্ত করে রাজনৈতিক ফায়দা লাভের সুযোগ করা দুঃখজনক।

কোটার এমন সিদ্ধান্তে শহীদদের প্রকৃত চেতনাকে ভূলণ্ঠিত করে ছাত্র- জনতার জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রকৃত চেতনা ও স্পিরিটকে ভুল পথে প্রভাবিত করা হচ্ছে। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন সাংগঠনিক সম্পাদক মামনুন রহমান, সিনিয়র সহ-সভাপতি সজিব আহমেদ, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রিফাত মাহমুদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও সদর উপজেলার সাধারণ সম্পাদক রাব্বি শাহ ও সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক পারভেজ খান অন্তর।