১২:১৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই ২০২৬

ভারী বর্ষণে বিপর্যস্ত চট্টগ্রাম বোর্ডে এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিত

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ১০:৪৪:৩২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৮ জুলাই ২০২৬
  • / ১৬

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ টানা ভারী বর্ষণ ও বন্যা পরিস্থিতির কারণে আজ বুধবার চট্টগ্রাম ও রাঙামাটিসহ চট্টগ্রাম বোর্ডের অধীন সব জেলার আজ বুধবারের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে।

গতকাল মঙ্গলবার গভীর রাতে আন্তশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামানের সই করা আদেশে এ তথ্য জানানো হয়।

এর আগে সন্ধ্যায় পৃথক দুটি আদেশে চট্টগ্রাম, রাঙামাটি ও কক্সবাজার জেলার পরীক্ষা স্থগিতের ঘোষণা এসেছিল, পরে চূড়ান্তভাবে কক্সবাজারের পরীক্ষা যথাসময়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। স্থগিত হওয়া পরীক্ষার নতুন সময়সূচি পরবর্তীতে জানানো হবে।

সোমবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রাম নগরীতে ৩৯৪ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড হয়েছে, যা গত ৪৩ বছরে জুলাই মাসের একদিনে সর্বোচ্চ। এই অতি ভারী বর্ষণে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও পার্বত্য চট্টগ্রামের বিস্তীর্ণ এলাকা পানিতে তলিয়ে গেছে।

দেয়াল ও পাহাড়ধসে চট্টগ্রাম নগর, রাঙ্গুনিয়া উপজেলা, রাঙামাটির বাঘাইছড়ি ও কক্সবাজারে মোট ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে। খাগড়াছড়ি-রাঙামাটি সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে এবং বহু গ্রামীণ সড়ক তলিয়ে গেছে।

বৈরী আবহাওয়ায় চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তিনটি ফ্লাইট অবতরণ করতে পারেনি। এদিকে রেললাইনে পানি জমে থাকায় প্রায় হাজার যাত্রী নিয়ে কক্সবাজারগামী পর্যটক এক্সপ্রেস ট্রেন চট্টগ্রাম নগরের ষোলশহরে আটকা পড়ে।

দুর্যোগে সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে কক্সবাজার জেলায়। গত দুই দিনের বৃষ্টিতে উখিয়ার রোহিঙ্গা শিবিরগুলোতে ছোট-বড় ১৯৩টি পাহাড়ধসের ঘটনা ঘটেছে। সদর উপজেলা, টেকনাফ, রামু, মহেশখালী, চকরিয়া ও পেকুয়ার শতাধিক গ্রাম প্লাবিত হয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

ভারী বর্ষণে বিপর্যস্ত চট্টগ্রাম বোর্ডে এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিত

আপডেট: ১০:৪৪:৩২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৮ জুলাই ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ টানা ভারী বর্ষণ ও বন্যা পরিস্থিতির কারণে আজ বুধবার চট্টগ্রাম ও রাঙামাটিসহ চট্টগ্রাম বোর্ডের অধীন সব জেলার আজ বুধবারের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে।

গতকাল মঙ্গলবার গভীর রাতে আন্তশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামানের সই করা আদেশে এ তথ্য জানানো হয়।

এর আগে সন্ধ্যায় পৃথক দুটি আদেশে চট্টগ্রাম, রাঙামাটি ও কক্সবাজার জেলার পরীক্ষা স্থগিতের ঘোষণা এসেছিল, পরে চূড়ান্তভাবে কক্সবাজারের পরীক্ষা যথাসময়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। স্থগিত হওয়া পরীক্ষার নতুন সময়সূচি পরবর্তীতে জানানো হবে।

সোমবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রাম নগরীতে ৩৯৪ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড হয়েছে, যা গত ৪৩ বছরে জুলাই মাসের একদিনে সর্বোচ্চ। এই অতি ভারী বর্ষণে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও পার্বত্য চট্টগ্রামের বিস্তীর্ণ এলাকা পানিতে তলিয়ে গেছে।

দেয়াল ও পাহাড়ধসে চট্টগ্রাম নগর, রাঙ্গুনিয়া উপজেলা, রাঙামাটির বাঘাইছড়ি ও কক্সবাজারে মোট ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে। খাগড়াছড়ি-রাঙামাটি সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে এবং বহু গ্রামীণ সড়ক তলিয়ে গেছে।

বৈরী আবহাওয়ায় চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তিনটি ফ্লাইট অবতরণ করতে পারেনি। এদিকে রেললাইনে পানি জমে থাকায় প্রায় হাজার যাত্রী নিয়ে কক্সবাজারগামী পর্যটক এক্সপ্রেস ট্রেন চট্টগ্রাম নগরের ষোলশহরে আটকা পড়ে।

দুর্যোগে সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে কক্সবাজার জেলায়। গত দুই দিনের বৃষ্টিতে উখিয়ার রোহিঙ্গা শিবিরগুলোতে ছোট-বড় ১৯৩টি পাহাড়ধসের ঘটনা ঘটেছে। সদর উপজেলা, টেকনাফ, রামু, মহেশখালী, চকরিয়া ও পেকুয়ার শতাধিক গ্রাম প্লাবিত হয়েছে।