১০:৪৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬

খাগড়াছড়িতে বর্ণিল আয়োজনে আলপালনি-আলপালন, এফলা ও বর্ষাবরণ উৎসব; দুই গুণী শিল্পীকে সম্মাননা

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ১০:৪৪:৫৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬
  • /

খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি: খাগড়াছড়িতে বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউটের উদ্যোগে আলপালনি, আলপালন, এফলা ও বর্ষাবরণ উৎসব-২০২৬ উদযাপিত হয়েছে।

একই অনুষ্ঠানে সংগীতে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ বিশিষ্ট দুই শিল্পী রতন ত্রিপুরা ও সম্রাটসুর চাকমা-কে সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়। পাশাপাশি বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬৫তম এবং জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২৭তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত বিভিন্ন প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

সোমবার (২৯ জুন) বিকেল ৫টায় খাগড়াছড়ি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

ইনস্টিটিউটের পরিচালক ঞ্যোহ্লা মং-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ও বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খাগড়াছড়ি সরকারি মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ পুলক বরন চাকমা, জেলা তথ্য কর্মকর্তা মো. বেলায়েত হোসেন, খাগড়াছড়ি প্রেসক্লাবের সভাপতি তরুণ কুমার ভট্টাচার্য, খাগড়াছড়ি সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মুক্তা চাকমা, জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (প্রাক্তন) সাধন কুমার চাকমা, জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের পরিদর্শক রবিউল ইসলাম, সিনিয়র শিক্ষক ইউসুফ আদনান-সহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব এবং সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, পাহাড়ের বৈচিত্র্যময় সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও লোকজ উৎসব নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে এ ধরনের আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। একই সঙ্গে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও কাজী নজরুল ইসলামের সাহিত্য, সংস্কৃতি ও মানবিক মূল্যবোধ নতুন প্রজন্মের মধ্যে ছড়িয়ে দিতে নিয়মিত সাংস্কৃতিক চর্চার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তারা।

পরে সংগীতে দীর্ঘদিনের বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ রতন ত্রিপুরা ও সম্রাটসুর চাকমা-র হাতে সম্মাননা স্মারক তুলে দেওয়া হয়। এছাড়া রবীন্দ্র-নজরুল জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আবৃত্তি, সংগীত, রচনা, চিত্রাঙ্কনসহ বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের হাতে অতিথিরা পুরস্কার তুলে দেন।

সাংস্কৃতিক পরিবেশনা, সম্মাননা প্রদান এবং পুরস্কার বিতরণের মধ্য দিয়ে উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

Please Share This Post in Your Social Media

খাগড়াছড়িতে বর্ণিল আয়োজনে আলপালনি-আলপালন, এফলা ও বর্ষাবরণ উৎসব; দুই গুণী শিল্পীকে সম্মাননা

আপডেট: ১০:৪৪:৫৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬

খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি: খাগড়াছড়িতে বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউটের উদ্যোগে আলপালনি, আলপালন, এফলা ও বর্ষাবরণ উৎসব-২০২৬ উদযাপিত হয়েছে।

একই অনুষ্ঠানে সংগীতে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ বিশিষ্ট দুই শিল্পী রতন ত্রিপুরা ও সম্রাটসুর চাকমা-কে সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়। পাশাপাশি বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬৫তম এবং জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২৭তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত বিভিন্ন প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

সোমবার (২৯ জুন) বিকেল ৫টায় খাগড়াছড়ি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

ইনস্টিটিউটের পরিচালক ঞ্যোহ্লা মং-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ও বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খাগড়াছড়ি সরকারি মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ পুলক বরন চাকমা, জেলা তথ্য কর্মকর্তা মো. বেলায়েত হোসেন, খাগড়াছড়ি প্রেসক্লাবের সভাপতি তরুণ কুমার ভট্টাচার্য, খাগড়াছড়ি সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মুক্তা চাকমা, জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (প্রাক্তন) সাধন কুমার চাকমা, জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের পরিদর্শক রবিউল ইসলাম, সিনিয়র শিক্ষক ইউসুফ আদনান-সহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব এবং সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, পাহাড়ের বৈচিত্র্যময় সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও লোকজ উৎসব নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে এ ধরনের আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। একই সঙ্গে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও কাজী নজরুল ইসলামের সাহিত্য, সংস্কৃতি ও মানবিক মূল্যবোধ নতুন প্রজন্মের মধ্যে ছড়িয়ে দিতে নিয়মিত সাংস্কৃতিক চর্চার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তারা।

পরে সংগীতে দীর্ঘদিনের বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ রতন ত্রিপুরা ও সম্রাটসুর চাকমা-র হাতে সম্মাননা স্মারক তুলে দেওয়া হয়। এছাড়া রবীন্দ্র-নজরুল জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আবৃত্তি, সংগীত, রচনা, চিত্রাঙ্কনসহ বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের হাতে অতিথিরা পুরস্কার তুলে দেন।

সাংস্কৃতিক পরিবেশনা, সম্মাননা প্রদান এবং পুরস্কার বিতরণের মধ্য দিয়ে উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।