১১:৫৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০২ জুন ২০২৬

মা ও স্ত্রীর পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত তোফায়েল আহমেদ

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৭:১৬:০৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ জুন ২০২৬
  • /

ভোলা প্রতিনিধি: বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ ও আওয়ামী লীগের সাবেক প্রেসিডিয়াম সদস্য তোফায়েল আহমেদকে তাঁর গ্রামের বাড়ি ভোলা সদর উপজেলার দক্ষিণ দিঘলদী ইউনিয়নের কোড়ালিয়া গ্রামের পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে। সেখানে তিনি মা ও স্ত্রীর কবরের পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন।

মঙ্গলবার (২ জুন) বিকালে দ্বিতীয় জানাজা শেষে তার দাফন সম্পন্ন হয়। বিকেল ৪টা ১০ মিনিটে গ্রামের বাড়ির মসজিদের সামনে দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।

এতে ভোলা সদর, বোরহানউদ্দিন ও দৌলতখান উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীসহ সর্বস্তরের মানুষ অংশ নেন। বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে তাকে দাফন করা হয়।

এর আগে দুপুর পৌনে ২টার দিকে ঢাকায় হেলিকপ্টারে করে তার মরদেহ ভোলার বীরশ্রেষ্ঠ মোস্তফা কামাল বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন হেলিপ্যাডে আনা হয়। সেখান থেকে অ্যাম্বুলেন্সে করে ভোলা সরকারি স্কুল মাঠে নেওয়া হলে সেখানে তাকে গার্ড অব অনার দেওয়া হয়। পরে সেখানে প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।

পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন চিকিৎসাধীন থাকার পর সোমবার (১ জুন) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে ঢাকার স্কয়ার হাসপাতালে তিনি মারা যান। তাঁর বয়স হয়েছিল ৮২ বছর।

ষাটের দশকের ছাত্ররাজনীতির পরিচিত মুখ তোফায়েল আহমেদ ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থান ও মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক ছিলেন। মাত্র ২৭ বছর বয়সে ১৯৭০ সালে পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের সদস্য (এমএনএ) নির্বাচিত হন তিনি। পরে তিনি একাধিকবার মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এবং ৯ বারের সংসদ সদস্য ছিলেন।

তিনি ১৯৬৭ থেকে ১৯৬৯ সাল পর্যন্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সহসভাপতি (ভিপি) ছিলেন। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনি আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য এবং উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য ছিলেন।

Please Share This Post in Your Social Media

মা ও স্ত্রীর পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত তোফায়েল আহমেদ

আপডেট: ০৭:১৬:০৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ জুন ২০২৬

ভোলা প্রতিনিধি: বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ ও আওয়ামী লীগের সাবেক প্রেসিডিয়াম সদস্য তোফায়েল আহমেদকে তাঁর গ্রামের বাড়ি ভোলা সদর উপজেলার দক্ষিণ দিঘলদী ইউনিয়নের কোড়ালিয়া গ্রামের পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে। সেখানে তিনি মা ও স্ত্রীর কবরের পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন।

মঙ্গলবার (২ জুন) বিকালে দ্বিতীয় জানাজা শেষে তার দাফন সম্পন্ন হয়। বিকেল ৪টা ১০ মিনিটে গ্রামের বাড়ির মসজিদের সামনে দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।

এতে ভোলা সদর, বোরহানউদ্দিন ও দৌলতখান উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীসহ সর্বস্তরের মানুষ অংশ নেন। বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে তাকে দাফন করা হয়।

এর আগে দুপুর পৌনে ২টার দিকে ঢাকায় হেলিকপ্টারে করে তার মরদেহ ভোলার বীরশ্রেষ্ঠ মোস্তফা কামাল বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন হেলিপ্যাডে আনা হয়। সেখান থেকে অ্যাম্বুলেন্সে করে ভোলা সরকারি স্কুল মাঠে নেওয়া হলে সেখানে তাকে গার্ড অব অনার দেওয়া হয়। পরে সেখানে প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।

পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন চিকিৎসাধীন থাকার পর সোমবার (১ জুন) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে ঢাকার স্কয়ার হাসপাতালে তিনি মারা যান। তাঁর বয়স হয়েছিল ৮২ বছর।

ষাটের দশকের ছাত্ররাজনীতির পরিচিত মুখ তোফায়েল আহমেদ ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থান ও মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক ছিলেন। মাত্র ২৭ বছর বয়সে ১৯৭০ সালে পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের সদস্য (এমএনএ) নির্বাচিত হন তিনি। পরে তিনি একাধিকবার মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এবং ৯ বারের সংসদ সদস্য ছিলেন।

তিনি ১৯৬৭ থেকে ১৯৬৯ সাল পর্যন্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সহসভাপতি (ভিপি) ছিলেন। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনি আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য এবং উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য ছিলেন।