১১:৫৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০২ জুন ২০২৬

অবৈধ পুশইন পুশ-ব্যাকের বিরুদ্ধে কাজ করছে সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৯:০০:৩৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ জুন ২০২৬
  • /

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, “সরকার যেকোনো রকমের ইললিগ্যাল (অবৈধ) পুশইন বা পুশ-ব্যাকের বিরুদ্ধে কাজ করছে।”

মঙ্গলবার (২ জুন) বিকেলে সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এ কথা বলেন।

ভারতের পশ্চিমবঙ্গে নতুন বিজেপি সরকার আসার পরে দেখা যাচ্ছে সীমান্ত এলাকায় বিপুল বাংলাদেশিকে আটক করে বর্ডারেই রাখা হচ্ছে, তাদেরকে পুশইন করা হবে কি না, সাংবাদিকের এমন প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “আমরাও এগুলো শুনতে পাচ্ছি। বর্ডারে আমাদের বিজিবি অ্যালার্ট আছে। আমরা অবৈধ পুশইনের বিরুদ্ধে।”

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “যদি বাংলাদেশের কোনো সিটিজেন যেকোনো কারণেই হোক সেই দেশে যেয়ে থাকে, তাদের যদি ন্যাশনাল আইডি, আইডেন্টিফিকেশন ভেরিফিকেশন করা হয়, ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের তরফ থেকে সেরকম কোনো তালিকা যদি আমাদের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে প্রেরণ করে, তবে সেটা আইনানুকভাবে রিপেক্টেশন প্রসেসটা ফলো করা হবে। সেরকম কোনো বিষয় আমাদের কাছে এখনো পর্যন্ত পেন্ডিং নেই।”

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, “যদি অতীতে পেন্ডিং থাকে সেটা অবশ্যই সেভাবে লিগ্যালি এড্রেস করা হবে।”

জঙ্গল সলিমপুরের বিষয়ে জানতে চাইলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “আমরা আমাদের পরিকল্পনাটা এখনো ফাঁস করতে চাচ্ছি না। কারণ এগুলো তথ্য ফাঁস হয়ে গেলে পরে আমাদের এ সমস্ত রেসকিউ অভিযানে একটু অসুবিধা হয় এবং অপারেশনে অসুবিধা হয়।”

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, “জঙ্গল সলিমপুরের যারা অধিবাসী আছে তারা যেকোনো কারণেই হোক সরকারি খাস জায়গায় বসতি স্থাপন করে দীর্ঘদিন যাবৎ বসবাস করছে। আমরা তাদেরকে উচ্ছেদ করব না, যদি কখনো প্রয়োজন হয় সেই জায়গায় সরকারি স্থাপনা হয়। প্রয়োজন অনুসারে তাদের পুনর্বাসন করা হবে। তবে ওখানে সন্ত্রাসীদের কোনো আস্তানা আমরা রাখব না। এটা নির্মূল করা হবে সেজন্য একটু সময় দরকার।”

রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসা হত্যা মামলার বিষয়ে মন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, “মামলায় এখন পর্যন্ত অধিকাংশ সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়েছে। বাকি সাক্ষীদের আদালতে হাজির করার বিষয়ে সরকার সহযোগিতা করছে।”

তবে বিচারাধীন বিষয়ে মন্তব্য করা সমীচীন নয় উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “সবার প্রত্যাশা দ্রুত বিচার সম্পন্ন হোক। আমরা সেই পরিবেশ নিশ্চিত করার চেষ্টা করছি। তবে রায় কখন হবে বা কী হবে, তা সম্পূর্ণ আদালতের বিষয়।”

মামলার তদন্তে নতুন কোনো ব্যক্তি জড়িত থাকার তথ্য সম্পর্কে জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, “এ বিষয়ে নির্দিষ্ট কোনো তথ্য নেই।”

তিনি জানান, চিকিৎসক ও ফরেনসিক বিশেষজ্ঞদের সাক্ষ্যগ্রহণের মতো কিছু আনুষ্ঠানিকতা এখনো বাকি রয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

অবৈধ পুশইন পুশ-ব্যাকের বিরুদ্ধে কাজ করছে সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আপডেট: ০৯:০০:৩৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ জুন ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, “সরকার যেকোনো রকমের ইললিগ্যাল (অবৈধ) পুশইন বা পুশ-ব্যাকের বিরুদ্ধে কাজ করছে।”

মঙ্গলবার (২ জুন) বিকেলে সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এ কথা বলেন।

ভারতের পশ্চিমবঙ্গে নতুন বিজেপি সরকার আসার পরে দেখা যাচ্ছে সীমান্ত এলাকায় বিপুল বাংলাদেশিকে আটক করে বর্ডারেই রাখা হচ্ছে, তাদেরকে পুশইন করা হবে কি না, সাংবাদিকের এমন প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “আমরাও এগুলো শুনতে পাচ্ছি। বর্ডারে আমাদের বিজিবি অ্যালার্ট আছে। আমরা অবৈধ পুশইনের বিরুদ্ধে।”

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “যদি বাংলাদেশের কোনো সিটিজেন যেকোনো কারণেই হোক সেই দেশে যেয়ে থাকে, তাদের যদি ন্যাশনাল আইডি, আইডেন্টিফিকেশন ভেরিফিকেশন করা হয়, ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের তরফ থেকে সেরকম কোনো তালিকা যদি আমাদের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে প্রেরণ করে, তবে সেটা আইনানুকভাবে রিপেক্টেশন প্রসেসটা ফলো করা হবে। সেরকম কোনো বিষয় আমাদের কাছে এখনো পর্যন্ত পেন্ডিং নেই।”

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, “যদি অতীতে পেন্ডিং থাকে সেটা অবশ্যই সেভাবে লিগ্যালি এড্রেস করা হবে।”

জঙ্গল সলিমপুরের বিষয়ে জানতে চাইলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “আমরা আমাদের পরিকল্পনাটা এখনো ফাঁস করতে চাচ্ছি না। কারণ এগুলো তথ্য ফাঁস হয়ে গেলে পরে আমাদের এ সমস্ত রেসকিউ অভিযানে একটু অসুবিধা হয় এবং অপারেশনে অসুবিধা হয়।”

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, “জঙ্গল সলিমপুরের যারা অধিবাসী আছে তারা যেকোনো কারণেই হোক সরকারি খাস জায়গায় বসতি স্থাপন করে দীর্ঘদিন যাবৎ বসবাস করছে। আমরা তাদেরকে উচ্ছেদ করব না, যদি কখনো প্রয়োজন হয় সেই জায়গায় সরকারি স্থাপনা হয়। প্রয়োজন অনুসারে তাদের পুনর্বাসন করা হবে। তবে ওখানে সন্ত্রাসীদের কোনো আস্তানা আমরা রাখব না। এটা নির্মূল করা হবে সেজন্য একটু সময় দরকার।”

রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসা হত্যা মামলার বিষয়ে মন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, “মামলায় এখন পর্যন্ত অধিকাংশ সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়েছে। বাকি সাক্ষীদের আদালতে হাজির করার বিষয়ে সরকার সহযোগিতা করছে।”

তবে বিচারাধীন বিষয়ে মন্তব্য করা সমীচীন নয় উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “সবার প্রত্যাশা দ্রুত বিচার সম্পন্ন হোক। আমরা সেই পরিবেশ নিশ্চিত করার চেষ্টা করছি। তবে রায় কখন হবে বা কী হবে, তা সম্পূর্ণ আদালতের বিষয়।”

মামলার তদন্তে নতুন কোনো ব্যক্তি জড়িত থাকার তথ্য সম্পর্কে জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, “এ বিষয়ে নির্দিষ্ট কোনো তথ্য নেই।”

তিনি জানান, চিকিৎসক ও ফরেনসিক বিশেষজ্ঞদের সাক্ষ্যগ্রহণের মতো কিছু আনুষ্ঠানিকতা এখনো বাকি রয়েছে।