০৮:৫১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬

কৃষক কার্ড ও ঋণ মওকুফ, মাঠ দিবস বিষয়ে খাগড়াছড়িতে কৃষক সমাবেশ

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৭:১১:১৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬
  • /

খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি॥
বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে কৃষকদের জন্য বিভিন্ন সহায়ক কার্যক্রম সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে খাগড়াছড়িতে কৃষক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। একইসঙ্গে মসলার উন্নত জাত ও আধুনিক প্রযুক্তি সম্প্রসারণে মাঠ দিবস ও কারিগরি মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়।

মঙ্গলবার (১২ মে) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে খাগড়াছড়ি সদর উপজেলার ভাইবোনছড়া ইউনিয়নের মুনিগ্রাম প্রতিবন্ধপাড়ায় জেলা তথ্য অফিসের আয়োজনে কৃষক কার্ড ও কৃষি ঋণ মওকুফ বিষয়ে অবহিতকরণমূলক এ কৃষক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

জেলা তথ্য অফিসার মো. বেলায়েত হোসেনের সভাপতিত্বে আয়োজিত সমাবেশে ভার্চুয়ালি প্রধান অতিথি হিসেবে যুক্ত হয়ে কৃষকদের উদ্দেশ্যে বক্তব্য দেন গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. আবদুল জলিল। তিনি বলেন, কৃষকদের জীবনমান উন্নয়ন, কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি এবং টেকসই খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার বিভিন্ন বাস্তবমুখী উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। কৃষক কার্ডের মাধ্যমে কৃষকদের তথ্যভান্ডার তৈরি, সহজ শর্তে কৃষি সহায়তা প্রদান এবং প্রান্তিক কৃষকদের ঋণ সুবিধা নিশ্চিত করা হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, কৃষি খাতকে আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর করতে সরকারের পাশাপাশি কৃষকদেরও সচেতন ও উদ্যোগী হতে হবে। নতুন প্রযুক্তি ও উন্নত জাতের ব্যবহার কৃষিতে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনতে সক্ষম।
এসময় উপস্থিত ছিলেন জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক নাসির উদ্দিন, অতিরিক্ত উপ-পরিচালক (শস্য) মো. আহসানুল হক চৌধুরী, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মুক্তা চাকমা, জেলা তথ্য কর্মকর্তা মো. বেলায়েত হোসেনসহ কৃষি সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন কর্মকর্তা, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি এবং এলাকার কৃষকেরা।
সমাবেশ শেষে “কৃষিই সমৃদ্ধি” প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে মসলার উন্নত জাত ও আধুনিক প্রযুক্তি সম্প্রসারণে মাঠ দিবস ও কারিগরি মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আয়োজনে ২০২৫-২৬ অর্থবছরের “মসলার উন্নত জাত ও প্রযুক্তি সম্প্রসারণ প্রকল্প”-এর আওতায় এ কর্মসূচি পালন করা হয়।
অনুষ্ঠানে কৃষকদের আধুনিক চাষাবাদ পদ্ধতি, উন্নত জাতের মসলা উৎপাদন, রোগবালাই দমন এবং লাভজনক কৃষি ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে বিভিন্ন পরামর্শ প্রদান করা হয়। অংশগ্রহণকারী কৃষকেরা সরকারের এ ধরনের উদ্যোগকে সময়োপযোগী ও কৃষিবান্ধব বলে অভিহিত করেন।

Please Share This Post in Your Social Media

কৃষক কার্ড ও ঋণ মওকুফ, মাঠ দিবস বিষয়ে খাগড়াছড়িতে কৃষক সমাবেশ

আপডেট: ০৭:১১:১৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬

খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি॥
বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে কৃষকদের জন্য বিভিন্ন সহায়ক কার্যক্রম সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে খাগড়াছড়িতে কৃষক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। একইসঙ্গে মসলার উন্নত জাত ও আধুনিক প্রযুক্তি সম্প্রসারণে মাঠ দিবস ও কারিগরি মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়।

মঙ্গলবার (১২ মে) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে খাগড়াছড়ি সদর উপজেলার ভাইবোনছড়া ইউনিয়নের মুনিগ্রাম প্রতিবন্ধপাড়ায় জেলা তথ্য অফিসের আয়োজনে কৃষক কার্ড ও কৃষি ঋণ মওকুফ বিষয়ে অবহিতকরণমূলক এ কৃষক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

জেলা তথ্য অফিসার মো. বেলায়েত হোসেনের সভাপতিত্বে আয়োজিত সমাবেশে ভার্চুয়ালি প্রধান অতিথি হিসেবে যুক্ত হয়ে কৃষকদের উদ্দেশ্যে বক্তব্য দেন গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. আবদুল জলিল। তিনি বলেন, কৃষকদের জীবনমান উন্নয়ন, কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি এবং টেকসই খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার বিভিন্ন বাস্তবমুখী উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। কৃষক কার্ডের মাধ্যমে কৃষকদের তথ্যভান্ডার তৈরি, সহজ শর্তে কৃষি সহায়তা প্রদান এবং প্রান্তিক কৃষকদের ঋণ সুবিধা নিশ্চিত করা হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, কৃষি খাতকে আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর করতে সরকারের পাশাপাশি কৃষকদেরও সচেতন ও উদ্যোগী হতে হবে। নতুন প্রযুক্তি ও উন্নত জাতের ব্যবহার কৃষিতে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনতে সক্ষম।
এসময় উপস্থিত ছিলেন জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক নাসির উদ্দিন, অতিরিক্ত উপ-পরিচালক (শস্য) মো. আহসানুল হক চৌধুরী, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মুক্তা চাকমা, জেলা তথ্য কর্মকর্তা মো. বেলায়েত হোসেনসহ কৃষি সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন কর্মকর্তা, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি এবং এলাকার কৃষকেরা।
সমাবেশ শেষে “কৃষিই সমৃদ্ধি” প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে মসলার উন্নত জাত ও আধুনিক প্রযুক্তি সম্প্রসারণে মাঠ দিবস ও কারিগরি মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আয়োজনে ২০২৫-২৬ অর্থবছরের “মসলার উন্নত জাত ও প্রযুক্তি সম্প্রসারণ প্রকল্প”-এর আওতায় এ কর্মসূচি পালন করা হয়।
অনুষ্ঠানে কৃষকদের আধুনিক চাষাবাদ পদ্ধতি, উন্নত জাতের মসলা উৎপাদন, রোগবালাই দমন এবং লাভজনক কৃষি ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে বিভিন্ন পরামর্শ প্রদান করা হয়। অংশগ্রহণকারী কৃষকেরা সরকারের এ ধরনের উদ্যোগকে সময়োপযোগী ও কৃষিবান্ধব বলে অভিহিত করেন।