০৭:২৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যৌন হয়রানি রোধে নীতিমালার দাবিতে খাগড়াছড়িতে মানববন্ধন

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৭:১৩:৫০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬
  • /

খোকন বিকাশ ত্রিপুরা জ্যাক,খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি॥
সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যৌন হয়রানি প্রতিরোধে কার্যকর নীতিমালা প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের দাবিতে খাগড়াছড়িতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (১২ মে) সকালে খাগড়াছড়ি প্রেসক্লাবের সামনে খাগড়াছড়ি মহিলা কল্যাণ সমিতি, উইমেন্স রিসোর্স নেটওয়ার্কসহ বিভিন্ন নারী, সামাজিক ও উন্নয়ন সংগঠনের উদ্যোগে এ কর্মসূচি পালিত হয়।

মানববন্ধনে নারী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, শিক্ষার্থী, সচেতন নাগরিক ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন। এসময় অংশগ্রহণকারীরা “শিক্ষাঙ্গনে যৌন হয়রানি বন্ধ করো”, “নিরাপদ শিক্ষা পরিবেশ নিশ্চিত করো”সহ বিভিন্ন দাবিসংবলিত প্ল্যাকার্ড প্রদর্শন করেন।

বক্তারা বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান শিক্ষার্থীদের জন্য নিরাপদ, মর্যাদাপূর্ণ ও ইতিবাচক পরিবেশ হওয়ার কথা থাকলেও দেশের বিভিন্ন স্থানে বিশেষ করে নারী শিক্ষার্থীদের যৌন হয়রানির ঘটনা উদ্বেগজনকভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে। অনেক শিক্ষার্থী সামাজিক লজ্জা, ভয় ও অনিশ্চয়তার কারণে অভিযোগ জানাতে সাহস পায় না। ফলে অপরাধীরা বারবার একই ধরনের অপরাধ করার সুযোগ পাচ্ছে।
তারা আরও বলেন, যৌন হয়রানি প্রতিরোধে শুধু আইন থাকলেই হবে না, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানভিত্তিক কার্যকর নীতিমালা, মনিটরিং ব্যবস্থা ও সচেতনতামূলক কার্যক্রমও জরুরি। এসময় প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আলাদা অভিযোগ গ্রহণ সেল, সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন, মনিটরিং কমিটি গঠন এবং নিরাপদ অভিযোগ ব্যবস্থার দাবি জানান বক্তারা।

মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন খাগড়াছড়ি নারী ও শিশু নির্যাতন ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট সৃজনী ত্রিপুরা, খাগড়াছড়ি মহিলা কল্যাণ সমিতির প্রোগ্রাম কো-অর্ডিনেটর মনিষা তালুকদার, নারী হেডম্যান-কার্বারী অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক ইখিন চৌধুরী, উইমেন্স রিসোর্স নেটওয়ার্কের সদস্য স্বপ্না চাকমা, খাগড়াছড়ি প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি মো. জহুরুল আলম, ‘আলো’র প্রতিনিধি সোমেল তালুকদার, বিদর্শন চাকমাসহ আরও অনেকে।

মানববন্ধন শেষে জেলা প্রশাসক মো. আনোয়ার সাদাতের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করা হয়। এতে দ্রুত সময়ের মধ্যে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যৌন হয়রানি প্রতিরোধে কার্যকর ও বাস্তবমুখী নীতিমালা প্রণয়নের দাবি জানানো হয়।

Please Share This Post in Your Social Media

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যৌন হয়রানি রোধে নীতিমালার দাবিতে খাগড়াছড়িতে মানববন্ধন

আপডেট: ০৭:১৩:৫০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬

খোকন বিকাশ ত্রিপুরা জ্যাক,খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি॥
সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যৌন হয়রানি প্রতিরোধে কার্যকর নীতিমালা প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের দাবিতে খাগড়াছড়িতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (১২ মে) সকালে খাগড়াছড়ি প্রেসক্লাবের সামনে খাগড়াছড়ি মহিলা কল্যাণ সমিতি, উইমেন্স রিসোর্স নেটওয়ার্কসহ বিভিন্ন নারী, সামাজিক ও উন্নয়ন সংগঠনের উদ্যোগে এ কর্মসূচি পালিত হয়।

মানববন্ধনে নারী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, শিক্ষার্থী, সচেতন নাগরিক ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন। এসময় অংশগ্রহণকারীরা “শিক্ষাঙ্গনে যৌন হয়রানি বন্ধ করো”, “নিরাপদ শিক্ষা পরিবেশ নিশ্চিত করো”সহ বিভিন্ন দাবিসংবলিত প্ল্যাকার্ড প্রদর্শন করেন।

বক্তারা বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান শিক্ষার্থীদের জন্য নিরাপদ, মর্যাদাপূর্ণ ও ইতিবাচক পরিবেশ হওয়ার কথা থাকলেও দেশের বিভিন্ন স্থানে বিশেষ করে নারী শিক্ষার্থীদের যৌন হয়রানির ঘটনা উদ্বেগজনকভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে। অনেক শিক্ষার্থী সামাজিক লজ্জা, ভয় ও অনিশ্চয়তার কারণে অভিযোগ জানাতে সাহস পায় না। ফলে অপরাধীরা বারবার একই ধরনের অপরাধ করার সুযোগ পাচ্ছে।
তারা আরও বলেন, যৌন হয়রানি প্রতিরোধে শুধু আইন থাকলেই হবে না, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানভিত্তিক কার্যকর নীতিমালা, মনিটরিং ব্যবস্থা ও সচেতনতামূলক কার্যক্রমও জরুরি। এসময় প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আলাদা অভিযোগ গ্রহণ সেল, সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন, মনিটরিং কমিটি গঠন এবং নিরাপদ অভিযোগ ব্যবস্থার দাবি জানান বক্তারা।

মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন খাগড়াছড়ি নারী ও শিশু নির্যাতন ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট সৃজনী ত্রিপুরা, খাগড়াছড়ি মহিলা কল্যাণ সমিতির প্রোগ্রাম কো-অর্ডিনেটর মনিষা তালুকদার, নারী হেডম্যান-কার্বারী অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক ইখিন চৌধুরী, উইমেন্স রিসোর্স নেটওয়ার্কের সদস্য স্বপ্না চাকমা, খাগড়াছড়ি প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি মো. জহুরুল আলম, ‘আলো’র প্রতিনিধি সোমেল তালুকদার, বিদর্শন চাকমাসহ আরও অনেকে।

মানববন্ধন শেষে জেলা প্রশাসক মো. আনোয়ার সাদাতের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করা হয়। এতে দ্রুত সময়ের মধ্যে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যৌন হয়রানি প্রতিরোধে কার্যকর ও বাস্তবমুখী নীতিমালা প্রণয়নের দাবি জানানো হয়।