০৭:১৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৮ এপ্রিল ২০২৬

চুনারুঘাটে যুবদল নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ছিনতাইয়ের অভিযোগ

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ১১:৫৮:০৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৮ এপ্রিল ২০২৬
  • /

নিজস্ব প্রতিবেদক, চুনারুঘাট (হবিগঞ্জ):
হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলায় যুবদলের এক সদস্যসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ছিনতাইয়ের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগকারী জারুলিয়া বাজারের সাংবাদিক মীর জুবাইর আলম।

এজাহার সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত আসাদুজ্জামান শামীম নিজেকে চুনারুঘাট উপজেলা যুবদলের সদস্য পরিচয় দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্নভাবে এক লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে আসছিলেন। বিশেষ করে আসামপাড়া বাজারে ডিমের ব্যবসা করতে হলে তাকে চাঁদা দিতে হবে, নতুবা ব্যবসা করতে দেওয়া হবে না—এমন হুমকিও দেওয়া হয়।

অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, গত ৫ এপ্রিল ২০২৬ তারিখ সন্ধ্যা আনুমানিক ৮টার দিকে প্রতিদিনের মতো আসামপাড়া বাজারে ডিম সরবরাহ করতে গেলে রাজমহল হোটেলের সামনে পূর্ব থেকে ওৎ পেতে থাকা আসামিরা তাকে ঘেরাও করে। এ সময় তাদের হাতে ছুরি ও লোহার রডসহ দেশীয় অস্ত্র ছিল।

এ সময় প্রধান অভিযুক্ত আসাদুজ্জামান শামীম পুনরায় এক লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। ভুক্তভোগী চাঁদা দিতে অস্বীকার করলে তাকে টেনে-হিঁচড়ে রাজমহল হোটেলের পেছনে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে অন্য আসামিরা তাকে মাটিতে ফেলে মারধর করে এবং সফি মিয়া নামে এক আসামি তার হাত চেপে ধরে রাখে।

অভিযোগে আরও বলা হয়, আসাদুজ্জামান শামীম তার বুকে ছুরি ঠেকিয়ে আবারও এক লাখ টাকা দাবি করেন এবং টাকা না দিলে হত্যার হুমকি দেন। এ সময় সফি মিয়া লোহার রড দিয়ে মাথায় আঘাত করার চেষ্টা করলে আঘাতটি লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়ে বাম চোখের নিচে লাগে, এতে তিনি গুরুতর আহত হন। এছাড়াও অন্যান্য আসামিরা তাকে কিল-ঘুষি মেরে শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখম করে।

একপর্যায়ে আসামিরা তার ট্রাউজারের পকেটে থাকা ডিম বিক্রির ৮৫ হাজার টাকা এবং হাতে থাকা একটি রেডমি ১২ মডেলের অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন (মূল্য আনুমানিক ১৮ হাজার টাকা) ছিনিয়ে নেয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।

ভুক্তভোগীর চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এসে তাকে উদ্ধার করে। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় তিনি চুনারুঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গিয়ে চিকিৎসা নেন।

ঘটনার পর আসামিরা মামলা করলে তাকে হত্যা করে লাশ গুম করার হুমকি দেয় বলেও অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী।

Please Share This Post in Your Social Media

চুনারুঘাটে যুবদল নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ছিনতাইয়ের অভিযোগ

আপডেট: ১১:৫৮:০৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৮ এপ্রিল ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক, চুনারুঘাট (হবিগঞ্জ):
হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলায় যুবদলের এক সদস্যসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ছিনতাইয়ের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগকারী জারুলিয়া বাজারের সাংবাদিক মীর জুবাইর আলম।

এজাহার সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত আসাদুজ্জামান শামীম নিজেকে চুনারুঘাট উপজেলা যুবদলের সদস্য পরিচয় দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্নভাবে এক লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে আসছিলেন। বিশেষ করে আসামপাড়া বাজারে ডিমের ব্যবসা করতে হলে তাকে চাঁদা দিতে হবে, নতুবা ব্যবসা করতে দেওয়া হবে না—এমন হুমকিও দেওয়া হয়।

অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, গত ৫ এপ্রিল ২০২৬ তারিখ সন্ধ্যা আনুমানিক ৮টার দিকে প্রতিদিনের মতো আসামপাড়া বাজারে ডিম সরবরাহ করতে গেলে রাজমহল হোটেলের সামনে পূর্ব থেকে ওৎ পেতে থাকা আসামিরা তাকে ঘেরাও করে। এ সময় তাদের হাতে ছুরি ও লোহার রডসহ দেশীয় অস্ত্র ছিল।

এ সময় প্রধান অভিযুক্ত আসাদুজ্জামান শামীম পুনরায় এক লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। ভুক্তভোগী চাঁদা দিতে অস্বীকার করলে তাকে টেনে-হিঁচড়ে রাজমহল হোটেলের পেছনে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে অন্য আসামিরা তাকে মাটিতে ফেলে মারধর করে এবং সফি মিয়া নামে এক আসামি তার হাত চেপে ধরে রাখে।

অভিযোগে আরও বলা হয়, আসাদুজ্জামান শামীম তার বুকে ছুরি ঠেকিয়ে আবারও এক লাখ টাকা দাবি করেন এবং টাকা না দিলে হত্যার হুমকি দেন। এ সময় সফি মিয়া লোহার রড দিয়ে মাথায় আঘাত করার চেষ্টা করলে আঘাতটি লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়ে বাম চোখের নিচে লাগে, এতে তিনি গুরুতর আহত হন। এছাড়াও অন্যান্য আসামিরা তাকে কিল-ঘুষি মেরে শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখম করে।

একপর্যায়ে আসামিরা তার ট্রাউজারের পকেটে থাকা ডিম বিক্রির ৮৫ হাজার টাকা এবং হাতে থাকা একটি রেডমি ১২ মডেলের অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন (মূল্য আনুমানিক ১৮ হাজার টাকা) ছিনিয়ে নেয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।

ভুক্তভোগীর চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এসে তাকে উদ্ধার করে। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় তিনি চুনারুঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গিয়ে চিকিৎসা নেন।

ঘটনার পর আসামিরা মামলা করলে তাকে হত্যা করে লাশ গুম করার হুমকি দেয় বলেও অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী।