বোন ও বোনজামাই কে মেরে আহত আহত করলো ভাই, থানায় অভিযোগ
- আপডেট: ০৬:২১:৩৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ নভেম্বর ২০২৫
- / ৫৫

স্টাফ রিপোর্টার : যশোরের ঝিকরগাছার পানিসারা ইউনিয়নের কুলিয়া গ্রামে ভাই সৈয়দ আলীর প্রহারে আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন বোন ও বোনজামাই।
এই ঘটনায় ঝিকরগাছা থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন ভাগ্নে একই ইউনিয়নের নারাঙ্গালি গ্রামের আব্দুল আলিম এর পুত্র আবু হেনা (৩৪)।
অভিযোগে আবু হেনা উল্লেখ করেছেন, আমার মামা কুলিয়া গ্রামের মৃত আরশাদ আলীর ছোট ছেলে মোঃ সৈয়দ আলী (৪০) পুলিশ বাহিনীতে বর্তমানে ঝিনাইদহের হরিনাকুন্ড ফাঁড়িতে কর্মরত আছেন। তার সাথে পারিবারিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে দীর্ঘদিন যাবত ঝামেলা চলছে। গত ৮ নভেম্বর (শনিবার) দুপুর ১টার দিকে নানীর গলায় ফাঁস নেওয়ার খবর শুনে আমার মা ও বাবা নানা বাড়িতে যায়। পরবর্তীতে পারিবারিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজ শুরু করলে আমার মাতা মোছাঃ মাফুজা বেগম (৪৮) নিষেধ করলে বিবাদী আমার মাতার মাথার চুল ধরে এলোপাতাড়ি ভাবে কিল, ঘুষি, চড়, থাপ্পড়, লাথি মেরে শরীরের বিভিন্ন স্থানে নীলাফোলা জখম করে। মারপিটের একপর্যায়ে আমার মাতা মাটিতে পড়ে গেলে আমার পিতা আব্দুল আলীম (৫৫) ঠেকাতে গেলে বিবাদী আমার পিতাকেও এলোপাতাড়ী ভাবে কিল, ঘুষি, চড়, থাপ্পড়, লাথি মেরে শরীরের বিভিন্ন স্থানে নীলাফোলা জখম করে। এতে আমার পিতার মাথা ফেটে যায়। আমার মাতা ও পিতাকে প্রাইভেট যোগে দ্রুত চিকিৎসার জন্য যশোর সদর হাসপাতাল নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক আমার মাতাকে প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদান করেন এবং আমার পিতাকে উক্ত হাসপাতালে ভর্তি রাখে।
সৈয়দ আলী বলেন, চাকরীর সুবাদে আমি বাড়ির বাইরে থাকি। ঘটনার দিন মায়ের গলায় ফাঁস নেওয়ার খবর শুনে বাড়ি আসি। তখন আমার বোন ও বোনজামাই আমার ওপর হামলা করে। আমি এই বিষয়ে ঝিকরগাছা থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছি।
ঝিকরগাছা থানার অফিসার ইনচার্জ নুর মোহাম্মদ গাজী বলেন, উভয় পক্ষের অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত পূর্বক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।




















