প্রধানমন্ত্রীর আগমন ঘিরে ঝিকরগাছায় দখলমুক্তকরণ অভিযান, উচ্ছেদ শতাধিক অবৈধ স্থাপনা
- আপডেট: ০৬:৩১:১২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬
- / ১৫

সাব্বির হোসেন,স্টাফ রিপোর্টারঃ
যশোরের ঝিকরগাছা পৌর এলাকায় প্রধানমন্ত্রীর আগমনকে সামনে রেখে দখলমুক্তকরণে কঠোর অবস্থানে নেমেছে প্রশাসন। সরকারি রাস্তা ও ফুটপাত দখল করে গড়ে ওঠা টং দোকান, ফার্নিচার, কাঠের লগ ও চালা-ছাউনি নির্মিত শতাধিক অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছে।
বুধবার (২২ এপ্রিল) সকাল ১১টা থেকে দুপুর পর্যন্ত পৌর সদরের বাজার এলাকা এবং গুরুত্বপূর্ণ যশোর-বেনাপোল মহাসড়কের দুই পাশে উপজেলা ও পৌর প্রশাসনের যৌথ উদ্যোগে এ অভিযান পরিচালিত হয়।
প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, আগামী সোমবার (২৭ এপ্রিল) মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্ধারিত সফরকে কেন্দ্র করে পৌর এলাকাকে দখলমুক্ত, যানচলাচল উপযোগী ও দৃষ্টিনন্দন করতে এ বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।
অভিযানের উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও পৌর প্রশাসক সাফফাত আরা সাঈদ। পরবর্তীতে তার অনুপস্থিতিতে অভিযান পরিচালনার দায়িত্ব পালন করেন পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা সন্তোষ কুমার হাজরা।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাফফাত আরা সাঈদ বলেন, “প্রধানমন্ত্রীর আগমনকে কেন্দ্র করে ঝিকরগাছা পৌর এলাকাকে সম্পূর্ণ দখলমুক্ত ও সুশৃঙ্খল করতে আমরা জিরো টলারেন্স নীতিতে কাজ করছি। জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান ধারাবাহিকভাবে চলবে।”
পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা সন্তোষ কুমার হাজরা বলেন, “পূর্বে একাধিকবার সতর্কতা জারির পরও যারা সরকারি জায়গা দখল করে রেখেছেন, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে এবং ভবিষ্যতেও তা অব্যাহত থাকবে।”
অভিযান চলাকালে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা তৌহিদুল ইসলাম, উপজেলা প্রকৌশলী সাইফুল ইসলাম মোল্লা, ঝিকরগাছা থানার অফিসার ইনচার্জ শাহ জালাল আলম, পৌর সহায়ক কমিটির আহ্বায়ক ও বাজার পরিদর্শক সাইফুল ইসলাম সোহাগসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
ঝিকরগাছা থানার অফিসার ইনচার্জ শাহ জালাল আলম বলেন, “উচ্ছেদ অভিযান নির্বিঘ্ন রাখতে পুলিশ সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে ছিল। ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযানে কঠোর আইনশৃঙ্খলা নিশ্চিত করা হবে।”
উপজেলা প্রকৌশলী সাইফুল ইসলাম মোল্লা বলেন, “রাস্তা ও ড্রেনেজ ব্যবস্থার ওপর অবৈধ দখল উন্নয়ন কার্যক্রমে বড় বাধা। তাই টেকসই উন্নয়নের স্বার্থে এসব দখল উচ্ছেদ অত্যন্ত জরুরি ছিল।”
উল্লেখ্য, দীর্ঘদিন ধরে পৌর এলাকার বিভিন্ন স্থানে অবৈধ দখলের কারণে যানজট ও জনদুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছিল। প্রশাসনের এ উদ্যোগে স্থানীয়দের মধ্যে স্বস্তি ফিরবে বলে আশা করা হচ্ছে।





















